মো. আব্দুল্লাহ সেরু

নিউ ইয়র্কের জোহরান মামদানি সম্প্রতি মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাফল্য কেবল রাজনীতির নয়—এটি এক দারুণ যোগাযোগ ও সম্পর্কের গল্প। তিনি প্রচারণা চালিয়েছেন ভিন্ন উপায়ে।
নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় মামদানি কোনো সাধারণ রাজনীতিবিদের মতো ভোট চাননি, তিনি গল্প খুঁজেছেন। তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেননি, মানুষের পাশে গিয়ে তাদের কথা শুনেছেন। এটাই ছিল তাঁর প্রচারণার আলাদা শক্তি। এটিই ছির তাঁর সাফল্যের মূল কারণ।
মামদানি তার প্রচারণায় ‘মেক নিউ ইয়র্ক অ্যাফোর্ডেবল’কে একমাত্র বার্তা হিসেবে স্থাপন করেছিলেন।
বাসাভাড়া, পরিবহন, ন্যূনতম মজুরি—সবকিছুই এই এক লক্ষ্যকে ঘিরে। তাঁর প্রচারণা ছিল স্পষ্ট, সরল, মানবিক ও অংশগ্রহণমূলক। তাঁর প্রতিটি ভিডিও, পোস্ট বা বক্তব্য মানুষের জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে মিশে গেছে।
বিশ্বের গণমাধ্যমগুলো যখন মামদানির প্রগতিশীল নীতির প্রশংসায় ব্যস্ত ছিল, তখন যোগাযোগপেশাজীবী তাঁর মধ্যে দেখেছেন অন্য কিছু। মামদানির পুরো প্রচারণা ছিল মানুষে মানুষে সংযোগ তৈরির এক অসাধারণ উদাহরণ। তিনি শুধু সঠিক কথা বলেননি, তিনি সঠিক কাজ করেছেন। তিনি কাজ করেছেন ধারাবাহিকভাবে, বিনয়ের সঙ্গে, আন্তরিকভাবে।
বাংলাদেশ যখন নতুন নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, মামদানির প্রচারণা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশলের নয়, বরং কীভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়, কীভাবে তাদের কথা শুনতে হয়, তারও উদাহরণ।
বেশিরভাগ রাজনৈতিক প্রচারণায় যোগাযোগকে প্ররোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
লক্ষ্য থাকে—মানুষকে বোঝানো, রাজি করানো। কিন্তু মামদানি সেখানে নতুন পথ দেখিয়েছেন—তাঁর লক্ষ্য ছিল সংযোগ তৈরি করা।
তিনি গল্পকে ব্যবহার করেছেন নীতি ও মানুষের জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে। তাঁর বক্তব্য ছিল বাস্তব, এবং মানুষের মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। মামদানি কথা বলেছেন বাসাভাড়া, পরিবহন, ন্যূনতম মজুরি নিয়ে, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিশে আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তিনি ব্যবহার করেছেন অন্তর্ভুক্তির ভাষা।
জোহরান মামদানি মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে কথা শুনেছেন, তাদের ইস্যুতে অংশ নিয়েছেন, তাদের দুঃখ-আশার গল্প দিয়ে তৈরি করেছেন তার প্রচারণার মূল সুর। আর এখানেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ প্রায়ই দুর্বল হয়ে পড়ে।
আমাদের রাজনীতি ঘোষণায় সমৃদ্ধ, কিন্তু অংশগ্রহণে দরিদ্র। আমরা বলি, দাবি করি, ঘোষণা দিই—কিন্তু খুব কমই শুনি। ফলাফল—যোগাযোগ আছে, কিন্তু সংযোগ নেই। আর সংযোগ ছাড়া কোনো বার্তা টিকে না।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখনো প্রচারণা মানে পোস্টার, ব্যানার, স্লোগান আর বিশাল জনসভা। কিন্তু যোগাযোগের আসল শক্তি উচ্চতায় নয়, গভীরতায়। মামদানি দেখিয়েছেন—আলোচনায় না, সম্পর্কে বিনিয়োগ করাই নেতৃত্বের মূল চাবিকাঠি।
তিনি ঘরে ঘরে গেছেন, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে গল্প বলেছেন, স্থানীয় বাজারে মানুষের কথা শুনেছেন। তাঁর ভিডিওতে দেখা গেছে বাস্তবতা। এমন আন্তরিকতা মানুষকে প্রভাবিত করেছে, অনুপ্রাণিত করেছে, আর ভোটকেন্দ্রে টেনে এনেছে।
আমাদের নেতাদের জন্য এখানেই বড় শিক্ষা। মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে হলে প্রচার নয়, উপস্থিতি দরকার। জনগণের সমস্যাকে শোনা, তাদের গল্পে নিজের প্রতিশ্রুতি খুঁজে নেওয়া—এটাই আসল রাজনীতি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ প্রায়ই বড়সড় আয়োজনের ওপর নির্ভর করে। আমাদের নির্বাচনী প্রচার মানেই মিছিল, মোটরসাইকেল শোডাউন, স্লোগান ও বিশাল ব্যানার। কিন্তু মামদানির প্রচারণা ছিল সহমর্মিতার দৃশ্যমান রূপ। তিনি শুধু কথায় সহানুভূতিশীল ছিলেন না—কাজে দেখিয়েছেন। তিনি উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলনে গেছেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, কমিউনিটি ওয়ার্কারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর প্রতিটি ভিডিও, প্রতিটি পোস্টে দেখা গেছে মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা।
এই বাস্তব, মানবিক যোগাযোগ তরুণ ভোটার ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। তিনি মানুষকে ‘বিক্রি’ করেননি, বরং পাশে দাঁড়িয়েছেন। এটাই আজকের রাজনীতিতে সবচেয়ে অভাবনীয় দক্ষতা।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন এই মানবিক সংযোগের চর্চা দরকার। রাজনৈতিক যোগাযোগকে আবার মানুষকেন্দ্রিক করতে হবে; যেখানে নেতারা নিজেদের দেখান না, বরং মানুষকে দৃশ্যমান করেন।
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম আজ ডিজিটালি সংযুক্ত, সচেতন এবং প্রশ্নমুখর। তারা কেবল জানতে চায় না, নেতা কী বলছেন, নেতা তাদের কথা শুনছেন কিনা, তাও জানতে চায়। এই প্রজন্মের কাছে বিনয়, সহানুভূতি ও বাস্তব পদক্ষেপই আসল নেতৃত্বের পরিচয়।
মামদানির প্রচারণা দেখিয়েছে, নেতৃত্ব মানে শুধু বলা নয়—দেখানো। নেতৃত্ব মানে উপস্থিত থাকা, পারফর্ম করা নয়। রাজনৈতিক প্রচারণাকে মার্কেটিং প্রজেক্ট নয়, কমিউনিটি প্রজেক্ট হিসেবে ভাবতে হবে।
ক্যামেরার সামনে নয়, মাঠে বেশি সময় দিতে হবে। লিখিত স্ক্রিপ্ট নয়, মানুষের বাস্তব গল্প শোনা ও বলা শিখতে হবে। ভালো নেতৃত্ব মানে যোগাযোগ, আর ভালো যোগাযোগ কখনো কেবল দৃষ্টি আকর্ষণের নয়—এটি সম্পর্ক অর্জনের গল্প। আর সেখানেই নেতৃত্বের আসল সৌন্দর্য।
মামদানি প্রমাণ করেছেন, আজকের দিনে নেতৃত্ব মানে বেশি বলা নয়, বেশি শোনা। যে নেতা শোনেন, তিনি টেকেন। শ্রবণ থেকেই জন্ম নেয় আস্থা, আর আস্থাই প্রকৃত প্রভাবের মূল।
লেখক: যোগাযোগ ও মিডিয়া পেশাজীবী

নিউ ইয়র্কের জোহরান মামদানি সম্প্রতি মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাফল্য কেবল রাজনীতির নয়—এটি এক দারুণ যোগাযোগ ও সম্পর্কের গল্প। তিনি প্রচারণা চালিয়েছেন ভিন্ন উপায়ে।
নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় মামদানি কোনো সাধারণ রাজনীতিবিদের মতো ভোট চাননি, তিনি গল্প খুঁজেছেন। তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেননি, মানুষের পাশে গিয়ে তাদের কথা শুনেছেন। এটাই ছিল তাঁর প্রচারণার আলাদা শক্তি। এটিই ছির তাঁর সাফল্যের মূল কারণ।
মামদানি তার প্রচারণায় ‘মেক নিউ ইয়র্ক অ্যাফোর্ডেবল’কে একমাত্র বার্তা হিসেবে স্থাপন করেছিলেন।
বাসাভাড়া, পরিবহন, ন্যূনতম মজুরি—সবকিছুই এই এক লক্ষ্যকে ঘিরে। তাঁর প্রচারণা ছিল স্পষ্ট, সরল, মানবিক ও অংশগ্রহণমূলক। তাঁর প্রতিটি ভিডিও, পোস্ট বা বক্তব্য মানুষের জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে মিশে গেছে।
বিশ্বের গণমাধ্যমগুলো যখন মামদানির প্রগতিশীল নীতির প্রশংসায় ব্যস্ত ছিল, তখন যোগাযোগপেশাজীবী তাঁর মধ্যে দেখেছেন অন্য কিছু। মামদানির পুরো প্রচারণা ছিল মানুষে মানুষে সংযোগ তৈরির এক অসাধারণ উদাহরণ। তিনি শুধু সঠিক কথা বলেননি, তিনি সঠিক কাজ করেছেন। তিনি কাজ করেছেন ধারাবাহিকভাবে, বিনয়ের সঙ্গে, আন্তরিকভাবে।
বাংলাদেশ যখন নতুন নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, মামদানির প্রচারণা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে। এটি কেবল রাজনৈতিক কৌশলের নয়, বরং কীভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়, কীভাবে তাদের কথা শুনতে হয়, তারও উদাহরণ।
বেশিরভাগ রাজনৈতিক প্রচারণায় যোগাযোগকে প্ররোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
লক্ষ্য থাকে—মানুষকে বোঝানো, রাজি করানো। কিন্তু মামদানি সেখানে নতুন পথ দেখিয়েছেন—তাঁর লক্ষ্য ছিল সংযোগ তৈরি করা।
তিনি গল্পকে ব্যবহার করেছেন নীতি ও মানুষের জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে। তাঁর বক্তব্য ছিল বাস্তব, এবং মানুষের মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। মামদানি কথা বলেছেন বাসাভাড়া, পরিবহন, ন্যূনতম মজুরি নিয়ে, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিশে আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তিনি ব্যবহার করেছেন অন্তর্ভুক্তির ভাষা।
জোহরান মামদানি মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে কথা শুনেছেন, তাদের ইস্যুতে অংশ নিয়েছেন, তাদের দুঃখ-আশার গল্প দিয়ে তৈরি করেছেন তার প্রচারণার মূল সুর। আর এখানেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ প্রায়ই দুর্বল হয়ে পড়ে।
আমাদের রাজনীতি ঘোষণায় সমৃদ্ধ, কিন্তু অংশগ্রহণে দরিদ্র। আমরা বলি, দাবি করি, ঘোষণা দিই—কিন্তু খুব কমই শুনি। ফলাফল—যোগাযোগ আছে, কিন্তু সংযোগ নেই। আর সংযোগ ছাড়া কোনো বার্তা টিকে না।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখনো প্রচারণা মানে পোস্টার, ব্যানার, স্লোগান আর বিশাল জনসভা। কিন্তু যোগাযোগের আসল শক্তি উচ্চতায় নয়, গভীরতায়। মামদানি দেখিয়েছেন—আলোচনায় না, সম্পর্কে বিনিয়োগ করাই নেতৃত্বের মূল চাবিকাঠি।
তিনি ঘরে ঘরে গেছেন, টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে গল্প বলেছেন, স্থানীয় বাজারে মানুষের কথা শুনেছেন। তাঁর ভিডিওতে দেখা গেছে বাস্তবতা। এমন আন্তরিকতা মানুষকে প্রভাবিত করেছে, অনুপ্রাণিত করেছে, আর ভোটকেন্দ্রে টেনে এনেছে।
আমাদের নেতাদের জন্য এখানেই বড় শিক্ষা। মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে হলে প্রচার নয়, উপস্থিতি দরকার। জনগণের সমস্যাকে শোনা, তাদের গল্পে নিজের প্রতিশ্রুতি খুঁজে নেওয়া—এটাই আসল রাজনীতি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক যোগাযোগ প্রায়ই বড়সড় আয়োজনের ওপর নির্ভর করে। আমাদের নির্বাচনী প্রচার মানেই মিছিল, মোটরসাইকেল শোডাউন, স্লোগান ও বিশাল ব্যানার। কিন্তু মামদানির প্রচারণা ছিল সহমর্মিতার দৃশ্যমান রূপ। তিনি শুধু কথায় সহানুভূতিশীল ছিলেন না—কাজে দেখিয়েছেন। তিনি উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলনে গেছেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, কমিউনিটি ওয়ার্কারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর প্রতিটি ভিডিও, প্রতিটি পোস্টে দেখা গেছে মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা।
এই বাস্তব, মানবিক যোগাযোগ তরুণ ভোটার ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। তিনি মানুষকে ‘বিক্রি’ করেননি, বরং পাশে দাঁড়িয়েছেন। এটাই আজকের রাজনীতিতে সবচেয়ে অভাবনীয় দক্ষতা।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন এই মানবিক সংযোগের চর্চা দরকার। রাজনৈতিক যোগাযোগকে আবার মানুষকেন্দ্রিক করতে হবে; যেখানে নেতারা নিজেদের দেখান না, বরং মানুষকে দৃশ্যমান করেন।
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম আজ ডিজিটালি সংযুক্ত, সচেতন এবং প্রশ্নমুখর। তারা কেবল জানতে চায় না, নেতা কী বলছেন, নেতা তাদের কথা শুনছেন কিনা, তাও জানতে চায়। এই প্রজন্মের কাছে বিনয়, সহানুভূতি ও বাস্তব পদক্ষেপই আসল নেতৃত্বের পরিচয়।
মামদানির প্রচারণা দেখিয়েছে, নেতৃত্ব মানে শুধু বলা নয়—দেখানো। নেতৃত্ব মানে উপস্থিত থাকা, পারফর্ম করা নয়। রাজনৈতিক প্রচারণাকে মার্কেটিং প্রজেক্ট নয়, কমিউনিটি প্রজেক্ট হিসেবে ভাবতে হবে।
ক্যামেরার সামনে নয়, মাঠে বেশি সময় দিতে হবে। লিখিত স্ক্রিপ্ট নয়, মানুষের বাস্তব গল্প শোনা ও বলা শিখতে হবে। ভালো নেতৃত্ব মানে যোগাযোগ, আর ভালো যোগাযোগ কখনো কেবল দৃষ্টি আকর্ষণের নয়—এটি সম্পর্ক অর্জনের গল্প। আর সেখানেই নেতৃত্বের আসল সৌন্দর্য।
মামদানি প্রমাণ করেছেন, আজকের দিনে নেতৃত্ব মানে বেশি বলা নয়, বেশি শোনা। যে নেতা শোনেন, তিনি টেকেন। শ্রবণ থেকেই জন্ম নেয় আস্থা, আর আস্থাই প্রকৃত প্রভাবের মূল।
লেখক: যোগাযোগ ও মিডিয়া পেশাজীবী

ইরানে হয়তো সরকার পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু এই যুদ্ধ থামাতে হলে আসলে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের বেপরোয়া সরকারগুলোর পতন হওয়া জরুরি। ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের মানুষ যুদ্ধ-উন্মাদনায় ভুগছে। তারা নেতানিয়াহুকে অন্ধভাবে সমর্থন দিচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সংসদ সদস্যদের স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে হবে যে তাদের মূল দায়িত্ব দুটি—আইন প্রণয়ন এবং সরকারের কাজের তদারকি করা। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সংসদ সদস্যদের কাজ নয়।। সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ না দিয়ে তাদের সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বেশি সময় দিতে হবে। নয়তো সংসদ তার কার্যকারিতা হারাবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে যদি ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের প্রত্যেক দরিদ্র নাগরিকের জন্য সর্বজনীন সামাজিক পরিচয়পত্রে রূপান্তর করা যায় এবং বাজেট ও সম্পদের ব্যবহার সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী সংস্কার হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিতে পারবে।
২০ ঘণ্টা আগে
গত মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী নীতি ও কৌশল প্রকাশ করেছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রহার’। এই ঐতিহাসিক দলিলটি প্রতিক্রিয়াশীল ও খণ্ডিত নিরাপত্তা কাঠামো থেকে সুসংগঠিত আইন-ভিত্তিক কাঠামোতে রূপান্তরের ইঙ্গিত—যা ভারতের বৈচিত্র্যময় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্
১ দিন আগে