শরীফ ভূঁইয়া

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাত ধরে সেই সংস্কার প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের ৮৪ দফা সুপারিশ এই সংস্কারের একটি রূপরেখা প্রদান করেছে, যার অনেকগুলো বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যমান সংবিধানের মৌলিক সংশোধন অপরিহার্য। জনগণের সম্মতি ছাড়া এ ধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই সরকার গণভোটের চিন্তা করছে।
তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, গণভোটে প্রস্তাবগুলো পাস হওয়ার পর আগামী নির্বাচিত সংসদ প্রথম নয় মাস ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে কাজ করবে এবং ওই সময়ের মধ্যে প্রস্তাবগুলোকে সাংবিধানিক রূপ দেবে। অনেকের মনেই প্রশ্ন, জনগণ যদি গণভোটে রায় দিয়েই দেয়, তাহলে এই সংস্কার পরিষদের প্রয়োজনীয়তা কী?
এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে সাধারণ সংসদ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখতিয়ারগত পার্থক্য বুঝতে হবে। সাধারণ অবস্থায় একটি নির্বাচিত সংসদ সংবিধান সংশোধন করতে পারে। কিন্তু এই ক্ষমতা অসীম নয়, বরং সীমাবদ্ধ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন যে, সংসদ সংবিধানের ‘মৌলিক কাঠামো’ (বেসিক স্ট্রাকচার) পরিবর্তন করতে পারে না। এর পেছনের দর্শনটি সহজ: সংসদ সংবিধানের একটি সৃষ্টি, এবং কোনো সৃষ্টি তার স্রষ্টাকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে না। আমাদের দেশেও অতীতে একাধিকবার সংবিধানের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে, কারণ সেগুলো সংবিধানের মৌলিক বৈশিষ্ট্যকে ক্ষুণ্ণ করেছিল।
সংবিধানের সার্বভৌম ক্ষমতার চূড়ান্ত মালিকানা জনগণের। জনগণই পারে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করতে, এমনকি প্রয়োজনে পুরনো সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান গ্রহণ করতে। এই ক্ষমতা জনগণ দুটি উপায়ে প্রয়োগ করতে পারে: সরাসরি গণভোটের মাধ্যমে অথবা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নির্বাচিত বিশেষ কোনো পরিষদকে (ইলেক্টেড বডি) ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে। যখন সম্পূর্ণ নতুন একটি সংবিধান প্রণয়নের প্রশ্ন আসে, তখন গঠিত হয় ‘গণপরিষদ’ (কন্সটিটুয়েন্ট এসেম্বলি), যেমনটি হয়েছিল ১৯৭২ সালে। আর যখন বিদ্যমান সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের প্রয়োজন হয়, তখন গঠিত হয় ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’। যেহেতু প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো সংবিধানের মৌলিক বিষয়ে পরিবর্তন আনবে, তাই সাধারণ সংসদের পক্ষে তা করা সম্ভব নয়। এ কারণেই একটি বিশেষায়িত ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে।
অনেকের যুক্তি, গণভোটে জনগণ নির্দিষ্ট সংস্কারের পক্ষে রায় দিলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনে পরিণত হওয়া উচিত। কিন্তু প্রক্রিয়াটি এত সরল নয়। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন যে সুপারিশগুলো করেছে, সেগুলো মূলত ‘প্রস্তাব’ আকারে রয়েছে, আইনি ভাষা বা ধারা-উপধারায় বিন্যস্ত নয়। সংবিধান একটি দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এর প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য সুনির্দিষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন হতে হয়।
গণভোটের মাধ্যমে জনগণ মূলত এই ‘প্রস্তাবগুলোর’ প্রতি তাদের নীতিগত সমর্থন জানাবে। এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের মূল কাজ হবে এই জনরায়কে একটি পরিপূর্ণ সাংবিধানিক কাঠামোতে রূপ দেওয়া। তাদের কাজগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. আইনি রূপদান (লিগ্যাল ড্রাফটিং): প্রস্তাবগুলোকে সংবিধানের বিদ্যমান কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সুনির্দিষ্ট আইনি ভাষায় রূপান্তর করতে হবে। যেমন, ‘মৌলিক অধিকারের পরিধি সম্প্রসারণ করা হবে’—এই প্রস্তাবটিকে সাংবিধানিক রূপ দিতে হলে কোন কোন অধিকার (যেমন: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার) যুক্ত হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে খসড়া করতে হবে।
২. ভাষাগত ও ধারণাগত স্পষ্টীকরণ: প্রস্তাবগুলোর ভাষা আরও নির্দিষ্ট ও স্পষ্ট করতে হবে। সংবিধানের বিভিন্ন ধারার সঙ্গে যেন নতুন সংযোজনগুলো সাংঘর্ষিক না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. বিল বা রেজোলিউশন তৈরি ও অনুমোদন: পরিষদ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংস্কারের জন্য খসড়া বিল বা রেজোলিউশন তৈরি করবে। এরপর নিজেদের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে সেগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এই পরিষদ ৯ মাস সময় পাবে। এই সময়ের মধ্যে তারা তাদের কার্যপ্রণালী বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) নিজেরাই ঠিক করে নেবে। একটি বিস্তৃত রূপরেখা হয়তো দেওয়া থাকবে, কিন্তু ঠিক কীভাবে আলোচনা হবে, কীভাবে খসড়া চূড়ান্ত হবে, এবং কীভাবে ভোটাভুটি হবে—এই সব খুঁটিনাটি বিষয় পরিষদ তার প্রথম অধিবেশনগুলোতেই নির্ধারণ করবে।
সুতরাং, সরকার গণভোটের আগে প্রস্তাবগুলো সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করলেও সেগুলো থাকবে ধারণাগত পর্যায়ে। সেগুলোকে আইনে পরিণত করার জন্য যে আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, বিতর্ক এবং খসড়া প্রণয়নের প্রয়োজন, সেই গুরুদায়িত্বটিই পালন করবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ।
বস্তুত, সংবিধান সংস্কার পরিষদ কোনো অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত স্তর নয়; বরং এটি গণরায় এবং চূড়ান্ত সাংবিধানিক সংস্কারের মধ্যে একটি অপরিহার্য সেতুবন্ধন। এটি নিশ্চিত করবে যে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন যেনতেনভাবে না হয়ে একটি সুচিন্তিত, আইনগতভাবে নিখুঁত এবং কার্যকর উপায়ে সংবিধানের অংশ হয়ে ওঠে।
লেখক: সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এই পরিবর্তনের মূলে রয়েছে রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাত ধরে সেই সংস্কার প্রক্রিয়ার যাত্রা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের ৮৪ দফা সুপারিশ এই সংস্কারের একটি রূপরেখা প্রদান করেছে, যার অনেকগুলো বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যমান সংবিধানের মৌলিক সংশোধন অপরিহার্য। জনগণের সম্মতি ছাড়া এ ধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই সরকার গণভোটের চিন্তা করছে।
তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, গণভোটে প্রস্তাবগুলো পাস হওয়ার পর আগামী নির্বাচিত সংসদ প্রথম নয় মাস ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে কাজ করবে এবং ওই সময়ের মধ্যে প্রস্তাবগুলোকে সাংবিধানিক রূপ দেবে। অনেকের মনেই প্রশ্ন, জনগণ যদি গণভোটে রায় দিয়েই দেয়, তাহলে এই সংস্কার পরিষদের প্রয়োজনীয়তা কী?
এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে সাধারণ সংসদ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখতিয়ারগত পার্থক্য বুঝতে হবে। সাধারণ অবস্থায় একটি নির্বাচিত সংসদ সংবিধান সংশোধন করতে পারে। কিন্তু এই ক্ষমতা অসীম নয়, বরং সীমাবদ্ধ। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন যে, সংসদ সংবিধানের ‘মৌলিক কাঠামো’ (বেসিক স্ট্রাকচার) পরিবর্তন করতে পারে না। এর পেছনের দর্শনটি সহজ: সংসদ সংবিধানের একটি সৃষ্টি, এবং কোনো সৃষ্টি তার স্রষ্টাকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে না। আমাদের দেশেও অতীতে একাধিকবার সংবিধানের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে, কারণ সেগুলো সংবিধানের মৌলিক বৈশিষ্ট্যকে ক্ষুণ্ণ করেছিল।
সংবিধানের সার্বভৌম ক্ষমতার চূড়ান্ত মালিকানা জনগণের। জনগণই পারে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করতে, এমনকি প্রয়োজনে পুরনো সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান গ্রহণ করতে। এই ক্ষমতা জনগণ দুটি উপায়ে প্রয়োগ করতে পারে: সরাসরি গণভোটের মাধ্যমে অথবা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নির্বাচিত বিশেষ কোনো পরিষদকে (ইলেক্টেড বডি) ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে। যখন সম্পূর্ণ নতুন একটি সংবিধান প্রণয়নের প্রশ্ন আসে, তখন গঠিত হয় ‘গণপরিষদ’ (কন্সটিটুয়েন্ট এসেম্বলি), যেমনটি হয়েছিল ১৯৭২ সালে। আর যখন বিদ্যমান সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের প্রয়োজন হয়, তখন গঠিত হয় ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’। যেহেতু প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো সংবিধানের মৌলিক বিষয়ে পরিবর্তন আনবে, তাই সাধারণ সংসদের পক্ষে তা করা সম্ভব নয়। এ কারণেই একটি বিশেষায়িত ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের প্রস্তাব এসেছে।
অনেকের যুক্তি, গণভোটে জনগণ নির্দিষ্ট সংস্কারের পক্ষে রায় দিলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনে পরিণত হওয়া উচিত। কিন্তু প্রক্রিয়াটি এত সরল নয়। জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন যে সুপারিশগুলো করেছে, সেগুলো মূলত ‘প্রস্তাব’ আকারে রয়েছে, আইনি ভাষা বা ধারা-উপধারায় বিন্যস্ত নয়। সংবিধান একটি দেশের সর্বোচ্চ আইন এবং এর প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য সুনির্দিষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন হতে হয়।
গণভোটের মাধ্যমে জনগণ মূলত এই ‘প্রস্তাবগুলোর’ প্রতি তাদের নীতিগত সমর্থন জানাবে। এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের মূল কাজ হবে এই জনরায়কে একটি পরিপূর্ণ সাংবিধানিক কাঠামোতে রূপ দেওয়া। তাদের কাজগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. আইনি রূপদান (লিগ্যাল ড্রাফটিং): প্রস্তাবগুলোকে সংবিধানের বিদ্যমান কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সুনির্দিষ্ট আইনি ভাষায় রূপান্তর করতে হবে। যেমন, ‘মৌলিক অধিকারের পরিধি সম্প্রসারণ করা হবে’—এই প্রস্তাবটিকে সাংবিধানিক রূপ দিতে হলে কোন কোন অধিকার (যেমন: অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার) যুক্ত হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে খসড়া করতে হবে।
২. ভাষাগত ও ধারণাগত স্পষ্টীকরণ: প্রস্তাবগুলোর ভাষা আরও নির্দিষ্ট ও স্পষ্ট করতে হবে। সংবিধানের বিভিন্ন ধারার সঙ্গে যেন নতুন সংযোজনগুলো সাংঘর্ষিক না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. বিল বা রেজোলিউশন তৈরি ও অনুমোদন: পরিষদ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংস্কারের জন্য খসড়া বিল বা রেজোলিউশন তৈরি করবে। এরপর নিজেদের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে সেগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।
প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এই পরিষদ ৯ মাস সময় পাবে। এই সময়ের মধ্যে তারা তাদের কার্যপ্রণালী বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) নিজেরাই ঠিক করে নেবে। একটি বিস্তৃত রূপরেখা হয়তো দেওয়া থাকবে, কিন্তু ঠিক কীভাবে আলোচনা হবে, কীভাবে খসড়া চূড়ান্ত হবে, এবং কীভাবে ভোটাভুটি হবে—এই সব খুঁটিনাটি বিষয় পরিষদ তার প্রথম অধিবেশনগুলোতেই নির্ধারণ করবে।
সুতরাং, সরকার গণভোটের আগে প্রস্তাবগুলো সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করলেও সেগুলো থাকবে ধারণাগত পর্যায়ে। সেগুলোকে আইনে পরিণত করার জন্য যে আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, বিতর্ক এবং খসড়া প্রণয়নের প্রয়োজন, সেই গুরুদায়িত্বটিই পালন করবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ।
বস্তুত, সংবিধান সংস্কার পরিষদ কোনো অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত স্তর নয়; বরং এটি গণরায় এবং চূড়ান্ত সাংবিধানিক সংস্কারের মধ্যে একটি অপরিহার্য সেতুবন্ধন। এটি নিশ্চিত করবে যে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন যেনতেনভাবে না হয়ে একটি সুচিন্তিত, আইনগতভাবে নিখুঁত এবং কার্যকর উপায়ে সংবিধানের অংশ হয়ে ওঠে।
লেখক: সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আছেন সাতজন। তাঁরা মূলত বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এককভাবে প্রার্থী হওয়ার কারণে তাদেরকে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ বলা হয়। যদিও সংবিধান বা নির্বাচনি আইনে ‘বিদ্রোহী প্রার
২০ ঘণ্টা আগে
প্রতি বছর বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ২৫ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় জীবন ও সম্পদের প্রাণহানিও ব্যাপক। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত পাঁচ বছরে অগ্নিকাণ্ডে মোট ৬৫০ জনের মৃত্যু ও ২ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
১ দিন আগে
এই মহাবিপদ থেকে বাঁচতে পাকিস্তানের সামনে এখন ‘বিচক্ষণ কূটনীতি’ এবং একমুখী আমেরিকা-নির্ভরতা কাটিয়ে চীন-রাশিয়া-তুরস্ক বলয়ে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘মুসলিম ন্যাটো’ গঠন এবং নিজস্ব ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করাই হবে তাদের টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি।
২ দিন আগে
বোরো মৌসুম মানে বাংলাদেশের কৃষির সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে এই একটি মৌসুম থেকে। ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত কৃষকের পুরো জীবন আবর্তিত হয় এই ফসলকে ঘিরে। হাল চাষ থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কৃষকের শরীরে ঘাম, চোখে স্বপ্ন। কিন্তু এবার সেই স্বপ্নের গায়ে
২ দিন আগে