ড. ইজাজ হোসেন

দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে বিপর্যস্ত শিল্পকারখানা। আবাসিক এলাকাগুলোতেও চুলা না জ্বলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সংকটের মূল কারণ ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) যান্ত্রিক ত্রুটি। আমাদের মাত্র দুটি টার্মিনালের একটি অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিকল থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ করেই কমে গেছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি টার্মিনাল বিকল হলেই কেন গোটা দেশকে এমন পঙ্গু দশায় পড়তে হবে? এর পেছনে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ভঙ্গুর চিত্রটিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে সংকটের গভীরতা স্পষ্ট হয়ে উঠে। আমাদের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ থেকে ৪০০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন (১৬০০-১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) এবং আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে এতদিন ২৬০০ থেকে ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে আসছিলাম। অর্থাৎ, স্বাভাবিক অবস্থাতেই আমরা চাহিদার চেয়ে এক-তৃতীয়াংশ কম গ্যাস পাচ্ছিলাম। একপ্রকার অভাব ও ঘাটতির মধ্য দিয়েই সবাই মানিয়ে নিচ্ছিল।
কিন্তু একটি এফএসআরইউতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর সরবরাহ আরও প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে গিয়ে বর্তমানে ২২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের আশপাশে নেমে এসেছে। শিল্পকারখানাগুলো হঠাৎ বিশাল ঘাটতির ধাক্কা আর সামলাতে পারছে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেশজুড়ে হাহাকার পড়ে গেছে।
এই সংকট আমাদের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আমদানির বিশাল চাহিদা মেটাতে আমরা মূলত মাত্র দুটি ভাসমান টার্মিনালের ওপর নির্ভর করি। একটি অকেজো হলেই পুরো দেশ চরম সংকটে পড়ে যায়। এটি কোনোভাবেই একটি টেকসই ব্যবস্থা হতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য যেমন অতিরিক্ত বা স্ট্যান্ডবাই কম্প্রেসার থাকে, কিংবা আকাশে উড্ডয়নরত বিমানে যেমন নিরাপত্তার জন্য ডাবল ইঞ্জিন থাকে, তেমনি জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে জ্বালানি সরবরাহেও বিকল্প ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক। আমাদের যদি একটি অতিরিক্ত এফএসআরইউ থাকতো তবে আজ এই বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হতো না।
আক্ষেপের বিষয় হলো, অন্তত তিন বছর আগেই দেশে আরেকটি এফএসআরইউ নির্মাণ করা প্রয়োজন ছিল। পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু বিশেষ ক্ষমতা আইনে সামিট গ্রুপকে দেওয়া সেই কাজ তৎকালীন সরকার বাতিল করে দেয়। নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। আমরা আশা করেছিলাম নতুন সরকার এসে দ্রুত কাজ শুরু করবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতাসহ নানা কারণে এটি বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, মেরামতে এত সময় লাগছে কেন? কিংবা আমাদের নিজস্ব মেধাবী প্রকৌশলীদের বাদ দিয়ে কেন বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনতে হচ্ছে? এর উত্তর হলো, এলএনজি প্রযুক্তি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এটি অতি-নিম্ন তাপমাত্রার বিষয়। এটি সাধারণ মানুষের হাতে পড়লে তা মুহূর্তেই জমে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। আমাদের প্রকৌশলীদের তাত্ত্বিক জ্ঞান থাকলেও এমন জটিল ও বিপজ্জনক যন্ত্রপাতির প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক মেরামতের জন্য যে বিশেষায়িত দক্ষতা, ওয়ারেন্টি ক্লিয়ারেন্স এবং সুনির্দিষ্ট যন্ত্রাংশের প্রয়োজন, তা আমাদের নেই।
এছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলো অনেক সময় তাদের সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতিতে অন্যদের হাত দিতেও দেয় না। ফলে বাধ্য হয়েই বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে এবং যন্ত্রাংশ আসার অপেক্ষায় মেরামতের সময় দীর্ঘ হচ্ছে।
ভবিষ্যতের কথা ভাবলে বলতে হয়, গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো দীর্ঘমেয়াদী সমাধানগুলো রাতারাতি কোনো ফল দেবে না। স্বল্পমেয়াদী ও দ্রুততম সমাধান হলো দ্রুত আরও একটি এফএসআরইউ স্থাপন করা। অনেকেই ডলার সংকটের কথা বলেন। এটা ঠিক যে, আমাদের ডলারের রিজার্ভে চাপ আছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে গ্যাস কেনার সক্ষমতাও কমে যায়। কিন্তু ডলার সংকটের দোহাই দিয়ে আমরা দেশের অর্থনীতিকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। শিল্পকারখানা বন্ধ থাকলে তা অর্থনীতির জন্য আরও বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।
সরকারের সীমাবদ্ধতাগুলো আজ স্পষ্ট। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি রাতারাতি বদলে দেওয়ার মতো কোনো জাদুদণ্ড কারও হাতে নেই। তাই শিল্পমালিকদের এখন বিকল্প জ্বালানির কথা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সরকার যদি নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি দিতে ব্যর্থ হয়, তবে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে শিল্পখাতকে নিজস্ব উদ্যোগে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা ছাড়া কোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। একটি টার্মিনাল বিকল হলে যদি পুরো দেশ অচল হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে আমাদের পরিকল্পনায় বড় ধরনের গলদ রয়েছে। এই সংকট থেকে শিক্ষা নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি অবকাঠামোয় বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে, আগামীতে আমাদের আরও কঠিন ও অন্ধকার দিন দেখতে হবে।

দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে বিপর্যস্ত শিল্পকারখানা। আবাসিক এলাকাগুলোতেও চুলা না জ্বলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সংকটের মূল কারণ ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) যান্ত্রিক ত্রুটি। আমাদের মাত্র দুটি টার্মিনালের একটি অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিকল থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ হঠাৎ করেই কমে গেছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি টার্মিনাল বিকল হলেই কেন গোটা দেশকে এমন পঙ্গু দশায় পড়তে হবে? এর পেছনে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ভঙ্গুর চিত্রটিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে সংকটের গভীরতা স্পষ্ট হয়ে উঠে। আমাদের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ থেকে ৪০০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন (১৬০০-১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) এবং আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে এতদিন ২৬০০ থেকে ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে আসছিলাম। অর্থাৎ, স্বাভাবিক অবস্থাতেই আমরা চাহিদার চেয়ে এক-তৃতীয়াংশ কম গ্যাস পাচ্ছিলাম। একপ্রকার অভাব ও ঘাটতির মধ্য দিয়েই সবাই মানিয়ে নিচ্ছিল।
কিন্তু একটি এফএসআরইউতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর সরবরাহ আরও প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে গিয়ে বর্তমানে ২২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের আশপাশে নেমে এসেছে। শিল্পকারখানাগুলো হঠাৎ বিশাল ঘাটতির ধাক্কা আর সামলাতে পারছে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেশজুড়ে হাহাকার পড়ে গেছে।
এই সংকট আমাদের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আমদানির বিশাল চাহিদা মেটাতে আমরা মূলত মাত্র দুটি ভাসমান টার্মিনালের ওপর নির্ভর করি। একটি অকেজো হলেই পুরো দেশ চরম সংকটে পড়ে যায়। এটি কোনোভাবেই একটি টেকসই ব্যবস্থা হতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য যেমন অতিরিক্ত বা স্ট্যান্ডবাই কম্প্রেসার থাকে, কিংবা আকাশে উড্ডয়নরত বিমানে যেমন নিরাপত্তার জন্য ডাবল ইঞ্জিন থাকে, তেমনি জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে জ্বালানি সরবরাহেও বিকল্প ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক। আমাদের যদি একটি অতিরিক্ত এফএসআরইউ থাকতো তবে আজ এই বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হতো না।
আক্ষেপের বিষয় হলো, অন্তত তিন বছর আগেই দেশে আরেকটি এফএসআরইউ নির্মাণ করা প্রয়োজন ছিল। পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু বিশেষ ক্ষমতা আইনে সামিট গ্রুপকে দেওয়া সেই কাজ তৎকালীন সরকার বাতিল করে দেয়। নতুন করে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। আমরা আশা করেছিলাম নতুন সরকার এসে দ্রুত কাজ শুরু করবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতাসহ নানা কারণে এটি বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, মেরামতে এত সময় লাগছে কেন? কিংবা আমাদের নিজস্ব মেধাবী প্রকৌশলীদের বাদ দিয়ে কেন বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনতে হচ্ছে? এর উত্তর হলো, এলএনজি প্রযুক্তি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এটি অতি-নিম্ন তাপমাত্রার বিষয়। এটি সাধারণ মানুষের হাতে পড়লে তা মুহূর্তেই জমে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। আমাদের প্রকৌশলীদের তাত্ত্বিক জ্ঞান থাকলেও এমন জটিল ও বিপজ্জনক যন্ত্রপাতির প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক মেরামতের জন্য যে বিশেষায়িত দক্ষতা, ওয়ারেন্টি ক্লিয়ারেন্স এবং সুনির্দিষ্ট যন্ত্রাংশের প্রয়োজন, তা আমাদের নেই।
এছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলো অনেক সময় তাদের সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতিতে অন্যদের হাত দিতেও দেয় না। ফলে বাধ্য হয়েই বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে এবং যন্ত্রাংশ আসার অপেক্ষায় মেরামতের সময় দীর্ঘ হচ্ছে।
ভবিষ্যতের কথা ভাবলে বলতে হয়, গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো দীর্ঘমেয়াদী সমাধানগুলো রাতারাতি কোনো ফল দেবে না। স্বল্পমেয়াদী ও দ্রুততম সমাধান হলো দ্রুত আরও একটি এফএসআরইউ স্থাপন করা। অনেকেই ডলার সংকটের কথা বলেন। এটা ঠিক যে, আমাদের ডলারের রিজার্ভে চাপ আছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে গ্যাস কেনার সক্ষমতাও কমে যায়। কিন্তু ডলার সংকটের দোহাই দিয়ে আমরা দেশের অর্থনীতিকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারি না। শিল্পকারখানা বন্ধ থাকলে তা অর্থনীতির জন্য আরও বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।
সরকারের সীমাবদ্ধতাগুলো আজ স্পষ্ট। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি রাতারাতি বদলে দেওয়ার মতো কোনো জাদুদণ্ড কারও হাতে নেই। তাই শিল্পমালিকদের এখন বিকল্প জ্বালানির কথা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। সরকার যদি নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি দিতে ব্যর্থ হয়, তবে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে শিল্পখাতকে নিজস্ব উদ্যোগে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা ছাড়া কোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। একটি টার্মিনাল বিকল হলে যদি পুরো দেশ অচল হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে আমাদের পরিকল্পনায় বড় ধরনের গলদ রয়েছে। এই সংকট থেকে শিক্ষা নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি অবকাঠামোয় বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলতে না পারলে, আগামীতে আমাদের আরও কঠিন ও অন্ধকার দিন দেখতে হবে।
.png)

রাজধানীসহ সারা দেশে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি নিছক সাময়িক কারিগরি বিভ্রাটের প্রতিফলন নয়। এটি জ্বালানি খাতের গভীর কাঠামোগত দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের গণমাধ্যমের জন্য এটি অস্বস্তিকর সময়। আরও স্পষ্ট করে বললে, এটি আত্মসমালোচনার সময়। অনেক বছর ধরে যে সংকট জমে উঠছিল, তার বিস্ফোরণ ঘটেছে রাস্তায়। আর সেই বিস্ফোরণের নাম ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’। নামটি অদ্ভুত। কিন্তু এর ভেতরের বার্তা অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়।
২ ঘণ্টা আগে
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়ার সব ধাপ একে একে বলে দিলাম তাকে। কথা শুনে তরুণটি হতাশ হয়ে বললেন, লাইসেন্স পাওয়া তো খুব কঠিন মনে হচ্ছে, সময়ও লাগবে অনেক, টাকাও লাগবে অনেক। ভাই, অন্য কোন শর্টকাট উপায় কী আছে?
৫ ঘণ্টা আগে
দলীয় ছাত্র সংগঠনগুলির গতানুগতিক কর্মকাণ্ডকে পাশ কাটিয়ে তরুণরা এবার স্বতঃস্ফূর্ত, বিকেন্দ্রীভূত ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে, যার প্রভাব আগামী দিনের রাজনৈতিক অভিমুখ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে