কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্ট্রিমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ আর সেগুলো কাটিয়ে ওঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশে হেফাজতে মৃত্যু ও কারা কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে। তবে ৭৫,০০০-এরও বেশি কয়েদি ব্যবস্থাপনার প্রকৃত বাস্তবতা অনেক সময়ই আড়ালে থেকে যায়।
এই সাক্ষাৎকারে কারা মহাপরিদর্শক পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের রূপান্তর, কারা স্বাস্থ্যসেবার পদ্ধতিগত সংকট ও বাংলাদেশের সংশোধনাগার ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে মহাপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের ওপর আলোকপাত করার পাশাপাশি তিনি কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলোও স্বীকার করেন। সাক্ষাৎকারের সারাংশ নিচে তুলে ধরা হলো।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রশ্ন: বর্তমানে বাংলাদেশে কতজন বন্দি রয়েছেন?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: বর্তমানে বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে প্রায় ৭৫,০০০ বন্দি রয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যাটি কমেছে। গত বছর বন্দি সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫,০০০ থেকে ৮৭,০০০ এর মতো।
প্রশ্ন: একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোন কারাগারে পাঠানো হবে, তা কীভাবে নির্ধারিত হয়?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: বন্দি বণ্টন করা হয় প্রয়োজন-ভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা, বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু মানদণ্ড ও সূচক জড়িত থাকে।
যেমন, কোনো বন্দির যদি বিশেষ চিকিৎসা সেবা বা উচ্চতর নিরাপত্তার প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে সবচেয়ে উপযুক্ত কারাগারে পাঠানোর ক্ষেত্রে আমরা এই বিষয়গুলো বিবেচনা করি। পরবর্তীতে যদি দেখা যায় কোনো বন্দিকে অন্য কোথাও স্থানান্তরের প্রয়োজন আছে, সেক্ষেত্রেও আমরা এই একই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করি।
এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে যদি গোয়েন্দা সূত্র থেকে স্থানান্তর বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়, আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
আমাদের ১৪০ জন ডাক্তার নিয়োগের অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২ জন পূর্ণকালীন কাজ করছেন। বাকিরা কাজ করছেন অস্থায়ীভাবে। রাতে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি অবস্থার সময় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।
প্রশ্ন: কারাগারগুলোতে চিকিৎসা সুবিধার বর্তমান অবস্থা কী? সেগুলো কি পর্যাপ্ত?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: কারাগারগুলোতে মূলত প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকে। সেগুলো কোনো উন্নতমানের হাসপাতাল নয়। আমরা কেবল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকি। কোনো বন্দির উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তাকে বাইরের হাসপাতালে রেফার করা হয়।
কারও অবস্থা গুরুতর হলে আমরা তাদের হাসপাতালের কাছাকাছি কোনো কারাগারে রাখার চেষ্টা করি। এরকম হাসপাতালগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঢাকাতেই হয়ে থাকে।
আমাদের ১৪০ জন ডাক্তার নিয়োগের অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২ জন পূর্ণকালীন কাজ করছেন। বাকিরা কাজ করছেন অস্থায়ীভাবে। রাতে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি অবস্থার সময় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে বন্দিদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে । অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।
প্রশ্ন: জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে হেফাজতে ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: আমি এই সংখ্যাটিকে উদ্বেগজনক বলব না। কারাগারের বাইরের মৃত্যুর তুলনায় ভেতরের সংখ্যাটি তুলনামূলকভাবে কম। তবুও আমরা চাই না হেফাজতে একটিও মৃত্যু হোক।
প্রতিটি মৃত্যু তদন্ত করা হয়। কারাকর্মীদের কোনো অবহেলা খুঁজে পাওয়া গেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। গত দেড় বছরে আমরা রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বিলম্ব করবার মতো চিকিৎসা অবহেলার ২-৩টি ঘটনা পেয়েছি। সেইসব ক্ষেত্রে দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাইরের হাসপাতালে ভর্তি থাকা বন্দিদেরও আমরা নিয়মিত তদারকি করি।
গত দেড় বছরে আমরা রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বিলম্ব করবার মতো চিকিৎসা অবহেলার ২-৩টি ঘটনা পেয়েছি। সেইসব ক্ষেত্রে দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাইরের হাসপাতালে ভর্তি থাকা বন্দিদেরও আমরা নিয়মিত তদারকি করি।
প্রশ্ন: লালবাগের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংস্কার করে সেটিকে জনপরিসরে রূপান্তরের বর্তমান অবস্থা কী?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: কেন্দ্রীয় কারাগারটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত হয়েছে। আমরা এখন আগের সেই স্থানটিকে একটি পাবলিক স্পেস হিসেবে গড়ে তুলছি। শিশুদের খেলার জায়গা, মসজিদ, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে ফুড কার্ট, ব্যাডমিন্টন জোন, খোলা জায়গা আর হাঁটার পথ তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।
আমরা খুব শীঘ্রই এগুলো জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছি। আশা করা যায় যে জাদুঘরের কাজ ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অথবা ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবে। বহুতল ভবনগুলোর নির্মাণকাজ সম্ভবত ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এই স্থানে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের অনেক স্থাপনা রয়েছে। সেগুলো সংরক্ষণ করা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আমরা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাথে যৌথভাবে কাজ করছি। পুরো প্রকল্পের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকায় প্রায় ২,৩০০ বছর আগের প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই নিদর্শনগুলো নিয়ে কাজ বর্তমানে মধ্যপর্যায়ে রয়েছে।

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্ট্রিমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ আর সেগুলো কাটিয়ে ওঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশে হেফাজতে মৃত্যু ও কারা কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে। তবে ৭৫,০০০-এরও বেশি কয়েদি ব্যবস্থাপনার প্রকৃত বাস্তবতা অনেক সময়ই আড়ালে থেকে যায়।
এই সাক্ষাৎকারে কারা মহাপরিদর্শক পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের রূপান্তর, কারা স্বাস্থ্যসেবার পদ্ধতিগত সংকট ও বাংলাদেশের সংশোধনাগার ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে মহাপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের ওপর আলোকপাত করার পাশাপাশি তিনি কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলোও স্বীকার করেন। সাক্ষাৎকারের সারাংশ নিচে তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন: বর্তমানে বাংলাদেশে কতজন বন্দি রয়েছেন?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: বর্তমানে বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে প্রায় ৭৫,০০০ বন্দি রয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যাটি কমেছে। গত বছর বন্দি সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫,০০০ থেকে ৮৭,০০০ এর মতো।
প্রশ্ন: একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোন কারাগারে পাঠানো হবে, তা কীভাবে নির্ধারিত হয়?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: বন্দি বণ্টন করা হয় প্রয়োজন-ভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা, বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও কারাগারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু মানদণ্ড ও সূচক জড়িত থাকে।
যেমন, কোনো বন্দির যদি বিশেষ চিকিৎসা সেবা বা উচ্চতর নিরাপত্তার প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে সবচেয়ে উপযুক্ত কারাগারে পাঠানোর ক্ষেত্রে আমরা এই বিষয়গুলো বিবেচনা করি। পরবর্তীতে যদি দেখা যায় কোনো বন্দিকে অন্য কোথাও স্থানান্তরের প্রয়োজন আছে, সেক্ষেত্রেও আমরা এই একই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করি।
এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে যদি গোয়েন্দা সূত্র থেকে স্থানান্তর বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়, আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
আমাদের ১৪০ জন ডাক্তার নিয়োগের অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২ জন পূর্ণকালীন কাজ করছেন। বাকিরা কাজ করছেন অস্থায়ীভাবে। রাতে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি অবস্থার সময় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।
প্রশ্ন: কারাগারগুলোতে চিকিৎসা সুবিধার বর্তমান অবস্থা কী? সেগুলো কি পর্যাপ্ত?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: কারাগারগুলোতে মূলত প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকে। সেগুলো কোনো উন্নতমানের হাসপাতাল নয়। আমরা কেবল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকি। কোনো বন্দির উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তাকে বাইরের হাসপাতালে রেফার করা হয়।
কারও অবস্থা গুরুতর হলে আমরা তাদের হাসপাতালের কাছাকাছি কোনো কারাগারে রাখার চেষ্টা করি। এরকম হাসপাতালগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঢাকাতেই হয়ে থাকে।
আমাদের ১৪০ জন ডাক্তার নিয়োগের অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে মাত্র ২ জন পূর্ণকালীন কাজ করছেন। বাকিরা কাজ করছেন অস্থায়ীভাবে। রাতে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি অবস্থার সময় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে বন্দিদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে । অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।
প্রশ্ন: জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে হেফাজতে ৩৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: আমি এই সংখ্যাটিকে উদ্বেগজনক বলব না। কারাগারের বাইরের মৃত্যুর তুলনায় ভেতরের সংখ্যাটি তুলনামূলকভাবে কম। তবুও আমরা চাই না হেফাজতে একটিও মৃত্যু হোক।
প্রতিটি মৃত্যু তদন্ত করা হয়। কারাকর্মীদের কোনো অবহেলা খুঁজে পাওয়া গেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। গত দেড় বছরে আমরা রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বিলম্ব করবার মতো চিকিৎসা অবহেলার ২-৩টি ঘটনা পেয়েছি। সেইসব ক্ষেত্রে দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাইরের হাসপাতালে ভর্তি থাকা বন্দিদেরও আমরা নিয়মিত তদারকি করি।
গত দেড় বছরে আমরা রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বিলম্ব করবার মতো চিকিৎসা অবহেলার ২-৩টি ঘটনা পেয়েছি। সেইসব ক্ষেত্রে দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাইরের হাসপাতালে ভর্তি থাকা বন্দিদেরও আমরা নিয়মিত তদারকি করি।
প্রশ্ন: লালবাগের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংস্কার করে সেটিকে জনপরিসরে রূপান্তরের বর্তমান অবস্থা কী?
সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন: কেন্দ্রীয় কারাগারটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত হয়েছে। আমরা এখন আগের সেই স্থানটিকে একটি পাবলিক স্পেস হিসেবে গড়ে তুলছি। শিশুদের খেলার জায়গা, মসজিদ, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে ফুড কার্ট, ব্যাডমিন্টন জোন, খোলা জায়গা আর হাঁটার পথ তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।
আমরা খুব শীঘ্রই এগুলো জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছি। আশা করা যায় যে জাদুঘরের কাজ ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অথবা ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ হবে। বহুতল ভবনগুলোর নির্মাণকাজ সম্ভবত ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
এই স্থানে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের অনেক স্থাপনা রয়েছে। সেগুলো সংরক্ষণ করা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আমরা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাথে যৌথভাবে কাজ করছি। পুরো প্রকল্পের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকায় প্রায় ২,৩০০ বছর আগের প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই নিদর্শনগুলো নিয়ে কাজ বর্তমানে মধ্যপর্যায়ে রয়েছে।

নদীমাতৃক বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি, বাস্তুসংস্থান ও গ্রামীণ জীবনযাত্রা দেশটির নদীগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। দেশের প্রধান আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর মধ্যে তিস্তা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কারণে নদীটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রেহান আসিফ আসাদ, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি পেশাদার। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আগে বুধবার (১০ জুন) স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপে তিনি তুলে ধরেছেন সিম ট্যাক্স, স্টার্টআপ তহবিল, ডেটা সেন্টারসহ ডিজিটাল অবকাঠামো ঘিরে সরকারের পরিকল্পনা।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও মানবিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে মানুষ ঠেলে পাঠানোর প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এই তথ্য জানাচ্ছে খোদ বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢালাওভাবে কর্মী না পাঠিয়ে, প্রথমে ৫০ বা ১০০ জন কর্মী পাঠিয়ে তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তারা সেখানে নিরাপদে আছেন কি না এবং চুক্তিমতো কাজ পাচ্ছেন কি না, তার ওপর ভিত্তি করেই ধাপে ধাপে আরও কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
৯ ঘণ্টা আগে