প্রতিক্রিয়া
কে এম মহিউদ্দিন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত অধ্যায় পার করে আমরা এমন এক নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ। এই নির্বাচনে দেশের অন্যতম বড় একটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে আমূল পরিবর্তন এসেছে। কার্যত এবারের নির্বাচনের মূল লড়াইটি হতে যাচ্ছে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে।
বিগত পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান খুব একটা বেশি ছিল না। তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর ভোটের ব্যবধান ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু গত দেড় দশকে এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর জনসমর্থন ও ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলটির দাবিও তাই।
ইসলামী ঐক্যজোটের যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এনসিপি-র সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে জামায়াত এখন বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। অন্যান্য দলগুলো নির্বাচনে অংশ নিলেও ফলাফল নির্ধারণে তারা ‘ডিসাইসিভ ফ্যাক্টর’ বা নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে মনে হয় না।
এই দ্বিমুখী লড়াইয়ে বিএনপি ও জামায়াত—উভয় দলই এখন ‘ফ্লুইড ভোট’ বা ভাসমান ভোটারদের নিজেদের দিকে টানার প্রাণান্ত চেষ্টা করছে। এর বাইরে একটি বড় লক্ষ্য হলো আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক। যেহেতু আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই এই বিপুল সংখ্যক ভোটার এবং নতুন প্রজন্মের ভোটারদের সমর্থন যার দিকে ঝুঁকবে, জয়ের পাল্লা তাদের দিকেই ভারী হবে। মূলত এই ভোটারদের আকৃষ্ট করার মধ্যেই দল দুটির বর্তমান প্রচেষ্টা সীমাবদ্ধ।
বাংলাদেশের রাজনীতির একটি চিরস্থায়ী সমস্যা হলো দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থার চরম সংকট। একসময় জামায়াতে ইসলামী বিএনপির জোটসঙ্গী থাকলেও পরিস্থিতির কারণে তারা এখন সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে। যেহেতু উভয় দলই ক্ষমতায় যেতে মরিয়া, তাই তাদের মধ্যে সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই; বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মুখ্য। একে অপরকে দোষারোপ করার যে পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তা এই নির্বাচনেও প্রবলভাবে বিদ্যমান।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতির কথা বললে—ব্যালট পেপার ছাপানো বা ব্যালট বাক্স কেন্দ্রে পৌঁছানোর মতো লজিস্টিক কাজে তারা হয়তো সফল। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে সকালে এক সিদ্ধান্ত দিয়ে বিকেলে তা পরিবর্তন করা ইসির ওপর আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে ফলাফল ঘোষণা—এই ধাপগুলোতে ইসি কতটা নিরপেক্ষ ও দৃঢ় থাকতে পারবে, তার ওপরই নির্ভর করছে তাদের চূড়ান্ত সফলতা। সুষ্ঠুভাবে ভোট নেয়ার পরেও যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বা কারচুপির অভিযোগ ওঠে, তবে এই বিশাল সম্ভাবনাময় আয়োজনটি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে।
নির্বাচনে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠার অবকাশ রয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যে দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনের অনেক স্তরেই দলীয়করণের অভিযোগ রয়েছে। আমলাতন্ত্রের এই যে কোনো এক দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব, তা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, প্রশাসনে পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে তারা সেটি পুরোপুরি রক্ষা করতে পেরেছে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে কখনো জামায়াতপ্রীতি আবার কখনো বিএনপিপ্রীতির আভাস মিলেছে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, বিজিত দল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকাকে দায়ী করার সুযোগ পাবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও এবার বাংলাদেশের নির্বাচনের দিকে নিবদ্ধ। বিপুল সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক এসেছেন, যা ইতিবাচক। দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীরা তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়। তবে পর্যবেক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। অনভিজ্ঞ বা পক্ষপাতদুষ্ট পর্যবেক্ষণ শেষ পর্যন্ত বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।
সামগ্রিক বিবেচনায় এবারের নির্বাচন নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমধর্মী। টানা তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের পর জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী এই নির্বাচন নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। ছাত্র, শ্রমিক, সরকারি কর্মচারী—সবার মধ্যেই এক ধরনের উৎসবমুখর আগ্রহ কাজ করছে। তবে একই সঙ্গে সহিংসতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এটি হবে গণতন্ত্রের বিজয়। আমরা প্রত্যাশা করি, সব শঙ্কা কাটিয়ে ১২ তারিখের ভোটগ্রহণ সফল হবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
লেখক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত অধ্যায় পার করে আমরা এমন এক নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ। এই নির্বাচনে দেশের অন্যতম বড় একটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে আমূল পরিবর্তন এসেছে। কার্যত এবারের নির্বাচনের মূল লড়াইটি হতে যাচ্ছে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে।
বিগত পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান খুব একটা বেশি ছিল না। তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর ভোটের ব্যবধান ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু গত দেড় দশকে এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর জনসমর্থন ও ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দলটির দাবিও তাই।
ইসলামী ঐক্যজোটের যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এনসিপি-র সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে জামায়াত এখন বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। অন্যান্য দলগুলো নির্বাচনে অংশ নিলেও ফলাফল নির্ধারণে তারা ‘ডিসাইসিভ ফ্যাক্টর’ বা নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে মনে হয় না।
এই দ্বিমুখী লড়াইয়ে বিএনপি ও জামায়াত—উভয় দলই এখন ‘ফ্লুইড ভোট’ বা ভাসমান ভোটারদের নিজেদের দিকে টানার প্রাণান্ত চেষ্টা করছে। এর বাইরে একটি বড় লক্ষ্য হলো আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক। যেহেতু আওয়ামী লীগ মাঠে নেই, তাই এই বিপুল সংখ্যক ভোটার এবং নতুন প্রজন্মের ভোটারদের সমর্থন যার দিকে ঝুঁকবে, জয়ের পাল্লা তাদের দিকেই ভারী হবে। মূলত এই ভোটারদের আকৃষ্ট করার মধ্যেই দল দুটির বর্তমান প্রচেষ্টা সীমাবদ্ধ।
বাংলাদেশের রাজনীতির একটি চিরস্থায়ী সমস্যা হলো দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থার চরম সংকট। একসময় জামায়াতে ইসলামী বিএনপির জোটসঙ্গী থাকলেও পরিস্থিতির কারণে তারা এখন সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে। যেহেতু উভয় দলই ক্ষমতায় যেতে মরিয়া, তাই তাদের মধ্যে সমঝোতার কোনো সুযোগ নেই; বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মুখ্য। একে অপরকে দোষারোপ করার যে পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তা এই নির্বাচনেও প্রবলভাবে বিদ্যমান।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতির কথা বললে—ব্যালট পেপার ছাপানো বা ব্যালট বাক্স কেন্দ্রে পৌঁছানোর মতো লজিস্টিক কাজে তারা হয়তো সফল। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে সকালে এক সিদ্ধান্ত দিয়ে বিকেলে তা পরিবর্তন করা ইসির ওপর আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ এবং পরবর্তী সময়ে ফলাফল ঘোষণা—এই ধাপগুলোতে ইসি কতটা নিরপেক্ষ ও দৃঢ় থাকতে পারবে, তার ওপরই নির্ভর করছে তাদের চূড়ান্ত সফলতা। সুষ্ঠুভাবে ভোট নেয়ার পরেও যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বা কারচুপির অভিযোগ ওঠে, তবে এই বিশাল সম্ভাবনাময় আয়োজনটি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে।
নির্বাচনে মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠার অবকাশ রয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যে দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনের অনেক স্তরেই দলীয়করণের অভিযোগ রয়েছে। আমলাতন্ত্রের এই যে কোনো এক দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব, তা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, প্রশাসনে পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে তারা সেটি পুরোপুরি রক্ষা করতে পেরেছে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে কখনো জামায়াতপ্রীতি আবার কখনো বিএনপিপ্রীতির আভাস মিলেছে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, বিজিত দল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকাকে দায়ী করার সুযোগ পাবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও এবার বাংলাদেশের নির্বাচনের দিকে নিবদ্ধ। বিপুল সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক এসেছেন, যা ইতিবাচক। দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীরা তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়। তবে পর্যবেক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। অনভিজ্ঞ বা পক্ষপাতদুষ্ট পর্যবেক্ষণ শেষ পর্যন্ত বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।
সামগ্রিক বিবেচনায় এবারের নির্বাচন নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমধর্মী। টানা তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের পর জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী এই নির্বাচন নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। ছাত্র, শ্রমিক, সরকারি কর্মচারী—সবার মধ্যেই এক ধরনের উৎসবমুখর আগ্রহ কাজ করছে। তবে একই সঙ্গে সহিংসতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এটি হবে গণতন্ত্রের বিজয়। আমরা প্রত্যাশা করি, সব শঙ্কা কাটিয়ে ১২ তারিখের ভোটগ্রহণ সফল হবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
লেখক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক
.png)

স্যাটেলাইট চ্যানেল, ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে পশ্চিমা বিশ্বের যেকোনো সাব কালচার খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে পৃথিবীর নানা প্রান্তে। এরমধ্যে অন্যতম একটি বিতর্কিত সংস্কৃতির নাম ‘রেভ কালচার’, যার সূত্রপাত মূলত ষাটের দশকের হিপি মুভমেন্টের বোহেমিয়ান লাইফস্টাইল ও পুঁজিবাদী সমাজের গভীর হতাশা থেকে।
৯ মিনিট আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। অনেকের মনে প্রশ্ন-বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন? রাষ্ট্রপতি হতে কী যোগ্যতা প্রয়োজন? নির্বাচন কি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে, নাকি সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে হয়? সংসদ সদস্যরা কি গোপন নাকি প্রকাশ্য ভোট দেন?
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী। এখানে বড় শঙ্কার জন্ম দেয়। প্রতিযোগিতামূলক এলপিজি বাজারেই যেখানে সরকার দাম নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষম, সেখানে বিদ্যুতের মতো একচেটিয়া বাজারে নিয়ন্ত্রণ কীভাবে সম্ভব?
৪ ঘণ্টা আগে
একটি বেফাঁস মন্তব্য। তারপর কয়েকটা মিম। এরপর ইনস্টাগ্রাম পেজ। দেখতে দেখতে সেই পেজই হয়ে গেল রাজপথের আন্দোলন। আড়াই মাস বয়স হওয়ার আগেই ভারতের রাজধানী কাঁপিয়ে দিল ককরোচ জনতা পার্টি—সিজেপি। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গত ১৬ মে এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্য
১৭ ঘণ্টা আগে