স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের সঙ্গে বৈঠকে জোটের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ জানানো হয়। বৈঠকে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযোগ নিরসনে ‘আইনের দরজা খোলা আছে’।
নির্বাচন কমিশনের দেখানো আইনি পথেই জোট এগোবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, “ইসি বলেছে তাঁরা স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন সম্পন্ন করেছেন। আমরা আমাদের অভিযোগগুলো দিয়ে এসেছি। তাঁরা বলেছেন আইনের দরজা খোলা আছে। আমরাও জানিয়েছি যে আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই যাব।”
অভিযোগ তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে অতীতে তুলনায় কিছুটা গুণগত পরিবর্তন আমরা দেখেছি। বড় কোনো সহিংসতা তেমন ছিল না। তবে কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে আমরা অসুস্থ পরিবেশ দেখেছি। ভোটগ্রহণ সুন্দর হলেও সমাপ্তি সুন্দর হয়নি। জালভোট ও কালো টাকার ছড়াছড়ি ছিল। কর্মকর্তাদের ব্যালটে সিল মারা ও দলীয় কর্মীদের প্রভাব খাটানোর মতো ম্যানিপুলেশন আমরা লক্ষ্য করেছি। স্থানীয়ভাবে ও কমিশনকে বারবার অভিযোগ করলেও কোনো সন্তোষজনক পদক্ষেপ পাওয়া যায়নি।”
ভোট গণনা সঠিক হয়নি দাবি করে এই নেতা বলেন, “আমাদের অনেক এজেন্টকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দিলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু গণনার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ায় ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা, কাটাকাটি ও ওভাররাইটিং দেখা গেছে। অনেক জায়গায় প্রার্থীর মূল এজেন্টের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। বিশেষভাবে ৩২টি আসন আমরা চিহ্নিত করেছি, যেখানে স্বল্প ব্যবধানে আমাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এসব আসনে পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানিয়েছি।”
গেজেট প্রকাশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনারা তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করেছেন। ১২ তারিখ নির্বাচন হয়েছে আর ১৩ তারিখ রাত ১১টায় গেজেট প্রকাশ করা হলো।”
সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “সহিংসতা বন্ধ না হলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব। ১১ দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমরা পার্লামেন্টে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করব। তবে সহিংসতা অব্যাহত থাকলে অবশ্যই আন্দোলন হবে। আগামীকাল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।”
শপথ প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা শপথের ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা পার্লামেন্টেও যাব এবং একই সঙ্গে রাজপথের কর্মসূচিও চলবে।” ছায়া সংসদের বিষয়ে তিনি জানান, এটি এখনো দলীয় সিদ্ধান্ত নয়। অনেকে মত দিচ্ছেন, তবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
বৈঠকে জোটের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, রাশেদ প্রধান এবং মাহমুদা মিতু।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবের সঙ্গে বৈঠকে জোটের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ জানানো হয়। বৈঠকে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযোগ নিরসনে ‘আইনের দরজা খোলা আছে’।
নির্বাচন কমিশনের দেখানো আইনি পথেই জোট এগোবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, “ইসি বলেছে তাঁরা স্বচ্ছতার সঙ্গে নির্বাচন সম্পন্ন করেছেন। আমরা আমাদের অভিযোগগুলো দিয়ে এসেছি। তাঁরা বলেছেন আইনের দরজা খোলা আছে। আমরাও জানিয়েছি যে আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই যাব।”
অভিযোগ তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে অতীতে তুলনায় কিছুটা গুণগত পরিবর্তন আমরা দেখেছি। বড় কোনো সহিংসতা তেমন ছিল না। তবে কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে আমরা অসুস্থ পরিবেশ দেখেছি। ভোটগ্রহণ সুন্দর হলেও সমাপ্তি সুন্দর হয়নি। জালভোট ও কালো টাকার ছড়াছড়ি ছিল। কর্মকর্তাদের ব্যালটে সিল মারা ও দলীয় কর্মীদের প্রভাব খাটানোর মতো ম্যানিপুলেশন আমরা লক্ষ্য করেছি। স্থানীয়ভাবে ও কমিশনকে বারবার অভিযোগ করলেও কোনো সন্তোষজনক পদক্ষেপ পাওয়া যায়নি।”
ভোট গণনা সঠিক হয়নি দাবি করে এই নেতা বলেন, “আমাদের অনেক এজেন্টকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দিলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু গণনার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ায় ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা, কাটাকাটি ও ওভাররাইটিং দেখা গেছে। অনেক জায়গায় প্রার্থীর মূল এজেন্টের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি। বিশেষভাবে ৩২টি আসন আমরা চিহ্নিত করেছি, যেখানে স্বল্প ব্যবধানে আমাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এসব আসনে পুনরায় ভোট গণনার দাবি জানিয়েছি।”
গেজেট প্রকাশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনারা তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করেছেন। ১২ তারিখ নির্বাচন হয়েছে আর ১৩ তারিখ রাত ১১টায় গেজেট প্রকাশ করা হলো।”
সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “সহিংসতা বন্ধ না হলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব। ১১ দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমরা পার্লামেন্টে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করব। তবে সহিংসতা অব্যাহত থাকলে অবশ্যই আন্দোলন হবে। আগামীকাল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।”
শপথ প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা শপথের ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা পার্লামেন্টেও যাব এবং একই সঙ্গে রাজপথের কর্মসূচিও চলবে।” ছায়া সংসদের বিষয়ে তিনি জানান, এটি এখনো দলীয় সিদ্ধান্ত নয়। অনেকে মত দিচ্ছেন, তবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
বৈঠকে জোটের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, রাশেদ প্রধান এবং মাহমুদা মিতু।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের বাসভবনে এই সাক্ষাৎ হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ব্যবধানের জয় পেয়েছে বিএনপি। গত ১৮ বছরের মধ্যে এটিই দেশের প্রথম গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক জাতীয় নির্বাচন হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫১ দলের মাত্র পাঁচটি ১ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগে
অনেক বাংলাদেশির অভিযোগ, দিল্লি ক্রমেই কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠা শেখ হাসিনাকে সমর্থন দিয়েছিল। এই ক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, পানিবণ্টন বিরোধ, বাণিজ্যিক বাধা ও উসকানিমূলক বক্তব্যের মতো পুরোনো অভিযোগ।
৩ ঘণ্টা আগে