স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫১ দলের মাত্র পাঁচটি ১ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
এবারের নির্বাচনে প্রাপ্ত মোট ভোটের সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নেওয়া বিএনপির ২৯০ প্রার্থী। এরপরেই জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান। দলটির প্রার্থীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৭ আসনে অংশ নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
এরপর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকে ৩২ প্রার্থী পেয়েছেন ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট। চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা হাতপাখা প্রতীকে ২৫৭ আসনে পেয়েছেন ২ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট। আর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ প্রার্থী প্রার্থীরা রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন মোট ২ দশমিক ০৯ শতাংশ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যে, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে ৫১টি দলের প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। তবে প্রাপ্ত ভোটের পরিসংখ্যানে নেই জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ৫০টি দলের ভোটের পরিসংখ্যানে ৪৫টিই ১ শতাংশের কম ভোট পেয়েছে।
১৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েও জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ১ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে। কোনো আসন না পাওয়া দলটি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট।
দলীয় প্রার্থীর বাইরে একটি বড় অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ২৭৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে মোট ভোটের ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ পেয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। অর্থাৎ তার জমা করা অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাবে। কম ভোট পাওয়া দলগুলোর অধিকাংশ প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫১ দলের মাত্র পাঁচটি ১ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
এবারের নির্বাচনে প্রাপ্ত মোট ভোটের সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নেওয়া বিএনপির ২৯০ প্রার্থী। এরপরেই জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান। দলটির প্রার্থীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৭ আসনে অংশ নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
এরপর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকে ৩২ প্রার্থী পেয়েছেন ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট। চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা হাতপাখা প্রতীকে ২৫৭ আসনে পেয়েছেন ২ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট। আর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ৩৪ প্রার্থী প্রার্থীরা রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন মোট ২ দশমিক ০৯ শতাংশ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যে, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে ৫১টি দলের প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। তবে প্রাপ্ত ভোটের পরিসংখ্যানে নেই জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ৫০টি দলের ভোটের পরিসংখ্যানে ৪৫টিই ১ শতাংশের কম ভোট পেয়েছে।
১৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েও জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ১ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছে। কোনো আসন না পাওয়া দলটি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ ভোট।
দলীয় প্রার্থীর বাইরে একটি বড় অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ২৭৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে মোট ভোটের ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ পেয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। অর্থাৎ তার জমা করা অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাবে। কম ভোট পাওয়া দলগুলোর অধিকাংশ প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে