স্ট্রিম প্রতিবেদক

ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখী জাহাজ থেকে আটক হওয়া বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের মুক্তি চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তাঁর মুক্তির দাবিতে মানবাধিকার সংগঠন, সরকার ও বিশ্ববাসীর কাছে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে দলগুলো।
শহিদুল আলম ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখী ১১টি জাহাজের একটি ‘কনশানস’ থেকে আটক হন। আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পরে তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে আটক হওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
শহিদুল আলমকে আটক করার ঘটনায় জামায়াত, জমিয়ত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন পৃথক বিবৃতি দিয়ে গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা মুক্তির জন্য চাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার তাঁর পাঠানো বিবৃতিতে বলেছেন, 'ক্ষুধার্ত ও অবরুদ্ধ গাজাবাসীর প্রাণরক্ষায় ত্রাণবাহী জাহাজগুলো যাতে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য ইসরাইলের ওপর অবিলম্বে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। একইসাথে আটক বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ সকল মানবাধিকারকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। আমি বিশ্ববাসীর প্রতি এ বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।'
অন্যদিকে শহিদুল আলমের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে দেওয়া উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের বিবৃতি দলটির সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, 'তাঁকে অন্যায়ভাবে অপহরণ করেছে ইসরায়েল। এটি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরও সরাসরি আঘাত। শহিদুল আলম কোনো রাজনৈতিক চরিত্র নন, বরং একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবতার কণ্ঠস্বর।'
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, শহিদুল আলম সত্য, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, বাংলাদেশ সরকার অবিলম্বে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে শহিদুল আলমের মুক্তি ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করবে—এটি জাতির প্রত্যাশা।
বিবৃতিতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, সাংবাদিক সংগঠন ও মুসলিম দেশগুলোকে আহ্বান জানানো হয় যেন তারা এই অবৈধ আটক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ নেয়।
অন্যদিকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও শহিদুল আলমের নিরাপত্তা ও মুক্তির ব্যাপারে সরকারকে সর্বোচ্চ জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে দলের যুগ্মমহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, আলোকচিত্র শহিদুল আলমকে ইজরাইলি বর্বর হানাদাররা ধরে নিয়ে গেছে। এটা আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত, আমাদের নাগরিকদের মর্যাদা ও সম্মানের প্রশ্ন। তাই তাঁর নিরাপত্তা ও মুক্তির ব্যাপারে সরকারকে জরুরি ও সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ‘শহিদুল আলম ফিলিস্তিনিদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার প্রতিকরূপে হাজির হয়েছেন। তিনি গাজার জনগণের প্রতি আমাদের সম্মিলিত ভালোবাসা বহন করেছেন। ফলে তার নিরাপত্তা ও মুক্তি আমাদের জাতীয় সম্মান ও মর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখী জাহাজ থেকে আটক হওয়া বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের মুক্তি চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তাঁর মুক্তির দাবিতে মানবাধিকার সংগঠন, সরকার ও বিশ্ববাসীর কাছে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে দলগুলো।
শহিদুল আলম ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে গাজা অভিমুখী ১১টি জাহাজের একটি ‘কনশানস’ থেকে আটক হন। আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পরে তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে আটক হওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
শহিদুল আলমকে আটক করার ঘটনায় জামায়াত, জমিয়ত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন পৃথক বিবৃতি দিয়ে গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা মুক্তির জন্য চাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার তাঁর পাঠানো বিবৃতিতে বলেছেন, 'ক্ষুধার্ত ও অবরুদ্ধ গাজাবাসীর প্রাণরক্ষায় ত্রাণবাহী জাহাজগুলো যাতে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য ইসরাইলের ওপর অবিলম্বে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। একইসাথে আটক বাংলাদেশি আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ সকল মানবাধিকারকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। আমি বিশ্ববাসীর প্রতি এ বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।'
অন্যদিকে শহিদুল আলমের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে দেওয়া উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের বিবৃতি দলটির সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, 'তাঁকে অন্যায়ভাবে অপহরণ করেছে ইসরায়েল। এটি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরও সরাসরি আঘাত। শহিদুল আলম কোনো রাজনৈতিক চরিত্র নন, বরং একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবতার কণ্ঠস্বর।'
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, শহিদুল আলম সত্য, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, বাংলাদেশ সরকার অবিলম্বে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে শহিদুল আলমের মুক্তি ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করবে—এটি জাতির প্রত্যাশা।
বিবৃতিতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, সাংবাদিক সংগঠন ও মুসলিম দেশগুলোকে আহ্বান জানানো হয় যেন তারা এই অবৈধ আটক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ নেয়।
অন্যদিকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও শহিদুল আলমের নিরাপত্তা ও মুক্তির ব্যাপারে সরকারকে সর্বোচ্চ জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে দলের যুগ্মমহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, আলোকচিত্র শহিদুল আলমকে ইজরাইলি বর্বর হানাদাররা ধরে নিয়ে গেছে। এটা আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত, আমাদের নাগরিকদের মর্যাদা ও সম্মানের প্রশ্ন। তাই তাঁর নিরাপত্তা ও মুক্তির ব্যাপারে সরকারকে জরুরি ও সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ‘শহিদুল আলম ফিলিস্তিনিদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার প্রতিকরূপে হাজির হয়েছেন। তিনি গাজার জনগণের প্রতি আমাদের সম্মিলিত ভালোবাসা বহন করেছেন। ফলে তার নিরাপত্তা ও মুক্তি আমাদের জাতীয় সম্মান ও মর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সরকারের সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেটে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ মিনিট আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে