স্ট্রিম সংবাদদাতা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো: লুৎফুল এলাহি। তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া সকল প্রার্থীর ডোপ ডেস্ট করা হবে।’
এর আগে, গত ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামে জাকসু নির্বাচন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী বৈধ প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাতে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা ডোপ টেস্ট, ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের ডাক নাম সংযোজন, সাইবার বুলিং বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, ভোটদান সহজকরণ, নির্বাচনের কিছুদিন আগে থেকে বিভিন্ন বিভাগে চলমান পরীক্ষা বন্ধ রাখার দাবি জানানো হয়।
প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন—প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট, ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের ডাক নাম সংযোজন, ভোট প্রদান সহজতর করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়মিত ও বৈধ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র/ হল প্রভোস্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছবিযুক্ত লাইব্রেরি কার্ড/হল প্রভোস্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হল ইনডেক্স কার্ড/ হল প্রভোস্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছবিযুক্ত প্রত্যায়নপত্রের যেকোনো একটি প্রদর্শন করে ভোট প্রদান করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সাইবার বুলিং বন্ধের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের অনুরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া ভোটার লিস্টে ভোটারদের ছবি সংযোজনের কাজ চলমান বলে জানিয়েছে জাকসু নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা। সম্প্রীতির ঐক্য প্যানেলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (মেয়ে) প্রার্থী ফারিয়া জামান নিকি বলেন, ‘এটা ভালো সিদ্ধান্ত। এতে কারো উপর একক নিপীড়ন হবার সুযোগ থাকে না। ’
ডোপ টেস্টসহ নির্বাচন কমিশনের নেওয়া সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন চান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী শেখ সাদী। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন জাকসু নির্বাচন উপলক্ষে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেগুলোর প্রয়োগ নেই। আমরা দেখছি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উন্নতি ঘটেনি। বহিরাগতরা প্রবেশ করছে, হলগুলোতে এখনো মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের বৈথতা যাচাই করতে চায়। এতে আমাদের দ্বিমত নেই। আমরা চাই প্রশাসন যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুক তা কাজের মাধ্যমে যেন প্রমাণ হয়।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীর ডোপ টেস্ট করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো: লুৎফুল এলাহি। তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া সকল প্রার্থীর ডোপ ডেস্ট করা হবে।’
এর আগে, গত ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামে জাকসু নির্বাচন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী বৈধ প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাতে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা ডোপ টেস্ট, ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের ডাক নাম সংযোজন, সাইবার বুলিং বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত, ভোটদান সহজকরণ, নির্বাচনের কিছুদিন আগে থেকে বিভিন্ন বিভাগে চলমান পরীক্ষা বন্ধ রাখার দাবি জানানো হয়।
প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন—প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট, ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের ডাক নাম সংযোজন, ভোট প্রদান সহজতর করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়মিত ও বৈধ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র/ হল প্রভোস্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছবিযুক্ত লাইব্রেরি কার্ড/হল প্রভোস্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হল ইনডেক্স কার্ড/ হল প্রভোস্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছবিযুক্ত প্রত্যায়নপত্রের যেকোনো একটি প্রদর্শন করে ভোট প্রদান করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সাইবার বুলিং বন্ধের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের অনুরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া ভোটার লিস্টে ভোটারদের ছবি সংযোজনের কাজ চলমান বলে জানিয়েছে জাকসু নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা। সম্প্রীতির ঐক্য প্যানেলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (মেয়ে) প্রার্থী ফারিয়া জামান নিকি বলেন, ‘এটা ভালো সিদ্ধান্ত। এতে কারো উপর একক নিপীড়ন হবার সুযোগ থাকে না। ’
ডোপ টেস্টসহ নির্বাচন কমিশনের নেওয়া সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন চান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী শেখ সাদী। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন জাকসু নির্বাচন উপলক্ষে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেগুলোর প্রয়োগ নেই। আমরা দেখছি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উন্নতি ঘটেনি। বহিরাগতরা প্রবেশ করছে, হলগুলোতে এখনো মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আছে। ডোপ টেস্টের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের বৈথতা যাচাই করতে চায়। এতে আমাদের দ্বিমত নেই। আমরা চাই প্রশাসন যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুক তা কাজের মাধ্যমে যেন প্রমাণ হয়।’

‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
৯ ঘণ্টা আগে