স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তাঁর বাবা দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নেতাকর্মীর সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর সেখানে একান্তে কিছু সময় কাটান তারেক রহমান। এ সময় তাঁকে চোখ মুছতে দেখা যায়।
এর আগে ২০০৬ সালে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তারেক রহমান। এরপর ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনে পটপরিবর্তনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। সেখান থেকে গতকাল শুক্রবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান।
আজ বেলা পৌনে ৫টার দিকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে আসেন তারেক রহমান। এরপর তিনি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেন। এর মধ্য দিয়ে ১৯ বছর পর বিএনপি নেতা হিসেবে দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
মোনাজাতের পরে তারেক রহমান কিছুক্ষণ বাবার কবরের সামনে একা দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা ও দরুদ পাঠ করেন। এরপর তিনি একাই মোনজাত করেন। মোনাজাত শেষে টিস্যু দিয়ে নিজের চোখ মুছতে দেখা যায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে।

এরপর বেলা ৫টা ৪ মিনিটে তারেক রহমান বাসে চড়ে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
এর আগে লাল-সবুজ পতাকার রঙে সাজানো বাসের সামনে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তারেক রহমান নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। বাস ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে আট কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লেগে যায় প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা।
বেলা ৪টা ৩৬ মিনিটে বাস থেকে নেমে তারেক রহমান সমাধিস্থলে হেঁটে রওনা দেন। এরপর সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তাঁর বাবা দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নেতাকর্মীর সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর সেখানে একান্তে কিছু সময় কাটান তারেক রহমান। এ সময় তাঁকে চোখ মুছতে দেখা যায়।
এর আগে ২০০৬ সালে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তারেক রহমান। এরপর ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনে পটপরিবর্তনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান। সেখান থেকে গতকাল শুক্রবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান।
আজ বেলা পৌনে ৫টার দিকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে আসেন তারেক রহমান। এরপর তিনি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেন। এর মধ্য দিয়ে ১৯ বছর পর বিএনপি নেতা হিসেবে দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
মোনাজাতের পরে তারেক রহমান কিছুক্ষণ বাবার কবরের সামনে একা দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা ও দরুদ পাঠ করেন। এরপর তিনি একাই মোনজাত করেন। মোনাজাত শেষে টিস্যু দিয়ে নিজের চোখ মুছতে দেখা যায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে।

এরপর বেলা ৫টা ৪ মিনিটে তারেক রহমান বাসে চড়ে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
এর আগে লাল-সবুজ পতাকার রঙে সাজানো বাসের সামনে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তারেক রহমান নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। বাস ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে আট কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লেগে যায় প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা।
বেলা ৪টা ৩৬ মিনিটে বাস থেকে নেমে তারেক রহমান সমাধিস্থলে হেঁটে রওনা দেন। এরপর সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছাচ্ছে বিএনপি। দলীয় প্রতীকবিহীন নির্বাচনে দলটি একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় নেতাদের দলের পদ অথবা জনপ্রতিনিধি– দুটির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদী বলেন, তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। তাদের মাইনসেটটাই সেভাবে তৈরি হয়েছে।
১ দিন আগে
সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন সেই জায়গা বিএনপি দখল করেছে।
২৬ জুলাই ২০২৬
দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
২৫ জুলাই ২০২৬