অধ্যাপক ইউনূসের উদ্দেশে ডা. তাহের
স্ট্রিম প্রতিবেদক

সংস্কার নিয়ে চূড়ান্ত আলাপ না করেই অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব বলেছেন ডা. তাহের।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির বলেছেন, ‘আপনি যেভাবে নির্লিপ্ত আছেন, একটা ভেজাল লাগাইয়া দিয়া, এটা আপনাকে সেভ করবে না, বাংলাদেশকেও সেভ করবে না।’
একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জরুরি উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, 'নির্বাচন সঠিকভাবে না করতে পারলে এই সরকারকেও মানুষ ঘৃণা করা শুরু করবে। ড. ইউনূসের জীবনের সবচেয়ে বড় কালিমা হবে এটি। এ জন্য রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান উপদেষ্টার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। এটি হলে জনগণের আত্মত্যাগ অধিকার প্রতিষ্ঠার উপাদান হিসেবে রূপান্তর হতে পারে।'
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর এই নায়েবে আমীর আরও বলেন, ‘এখন একটা রাষ্ট্রকে, পুরা দেশকে একটা ডিফেন্সের জায়গায় নিয়ে গেছেন ড. ইউনূস। একটি দল নানাভাবে ম্যানেজ করে তারা বলছে, নির্বাচনে যাব। এবং (তারা) ছুঁড়ে দিচ্ছে একটি প্রশ্ন যে “আপনারা কি নির্বাচনে যাবেন, নাকি যাবেন না।” আমরা নির্বাচনে যাব, কি যাব না, এটা তো আজকের মৌলিক প্রশ্ন নয়। এদেশের মানুষের মৌলিক প্রশ্ন সংস্কার চান কি না, নাকি সেই আগের আইয়ামে আওয়ামী জাহিলিয়্যাতের দিকে আপনি ফিরে যেতে চান। আজকের প্রশ্ন হচ্ছে, যেগুলোতে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর আইনি ভিত্তি হবে কি হবে না।’
‘অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিনিধিত্বমূলক অংশগ্রহণ (পিআর) পদ্ধতির আবশ্যকতা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘দি ফোরাম অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ’। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার পোস্ট ডক্টরাল ফেলো ড. শিব্বির আহমেদ।
এই অনুষ্ঠানের আগে প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন আয়োজিত ‘পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫-এর আইনি ভিত্তি’ শিরোনামের গোলটেবিল বৈঠকে ডা. তাহের বলেছেন, ‘দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বিপ্লব অপূর্ণ রয়ে যাবে। সংস্কারবিহীন নির্বাচন হলে আবারও ফ্যাসিবাদ জন্ম নেবে। যারা আওয়ামী আমলের মতো স্বৈরাচার ফিরিয়ে আনতে চায়, তারাই সংস্কার ছাড়া নির্বাচন চায়।’

সংস্কার নিয়ে চূড়ান্ত আলাপ না করেই অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব বলেছেন ডা. তাহের।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির বলেছেন, ‘আপনি যেভাবে নির্লিপ্ত আছেন, একটা ভেজাল লাগাইয়া দিয়া, এটা আপনাকে সেভ করবে না, বাংলাদেশকেও সেভ করবে না।’
একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জরুরি উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, 'নির্বাচন সঠিকভাবে না করতে পারলে এই সরকারকেও মানুষ ঘৃণা করা শুরু করবে। ড. ইউনূসের জীবনের সবচেয়ে বড় কালিমা হবে এটি। এ জন্য রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধান উপদেষ্টার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। এটি হলে জনগণের আত্মত্যাগ অধিকার প্রতিষ্ঠার উপাদান হিসেবে রূপান্তর হতে পারে।'
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর এই নায়েবে আমীর আরও বলেন, ‘এখন একটা রাষ্ট্রকে, পুরা দেশকে একটা ডিফেন্সের জায়গায় নিয়ে গেছেন ড. ইউনূস। একটি দল নানাভাবে ম্যানেজ করে তারা বলছে, নির্বাচনে যাব। এবং (তারা) ছুঁড়ে দিচ্ছে একটি প্রশ্ন যে “আপনারা কি নির্বাচনে যাবেন, নাকি যাবেন না।” আমরা নির্বাচনে যাব, কি যাব না, এটা তো আজকের মৌলিক প্রশ্ন নয়। এদেশের মানুষের মৌলিক প্রশ্ন সংস্কার চান কি না, নাকি সেই আগের আইয়ামে আওয়ামী জাহিলিয়্যাতের দিকে আপনি ফিরে যেতে চান। আজকের প্রশ্ন হচ্ছে, যেগুলোতে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর আইনি ভিত্তি হবে কি হবে না।’
‘অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিনিধিত্বমূলক অংশগ্রহণ (পিআর) পদ্ধতির আবশ্যকতা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘দি ফোরাম অব ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ’। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার পোস্ট ডক্টরাল ফেলো ড. শিব্বির আহমেদ।
এই অনুষ্ঠানের আগে প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন আয়োজিত ‘পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫-এর আইনি ভিত্তি’ শিরোনামের গোলটেবিল বৈঠকে ডা. তাহের বলেছেন, ‘দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বিপ্লব অপূর্ণ রয়ে যাবে। সংস্কারবিহীন নির্বাচন হলে আবারও ফ্যাসিবাদ জন্ম নেবে। যারা আওয়ামী আমলের মতো স্বৈরাচার ফিরিয়ে আনতে চায়, তারাই সংস্কার ছাড়া নির্বাচন চায়।’

অধিবেশন শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের প্রবেশপথে তিন দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
২০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এদিন সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বসছে নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশন। অধিবেশন ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।
১ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১ দিন আগে
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ ইস্যুতে দল-মত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে