স্ট্রিম প্রতিবেদক

উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকরা পদত্যাগ করলেও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
বৈঠক শেষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সম্প্রতি সরকার উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে রাজনৈতিক নিয়োগ দিয়েছে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে বসানো হয়েছে। আট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষেও তাদের লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খুব সাধারণ ধারণা, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে তাদেরকে প্রার্থী করা হবে। এর প্রস্তুতি হিসেবে সিটি করপোরেশনে, জেলা পরিষদে ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে বসানো হয়েছে। তফসিল ঘোষণা হলে তারা দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং এই প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার দাবি জানিয়েছি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘এখানে দুটো কথা ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ নেই। একটা হচ্ছে, তফসিল ঘোষণা হলে তারা পদত্যাগ করে ইলেকশন করবেন। আমরা তা চাই না। তফসিলের পর পদত্যাগ করলেও তারা যেন অন্তত এই ইলেকশনে অযোগ্য থাকেন এই দাবি আমরা করেছি।’
সার্বিক বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) কাছে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ৯টি দাবি হস্তান্তর করেছি। বিস্তারিত আলোচনাও করেছি। এর কিছু দাবি এর আগেও জানানো হয়েছিল। সেগুলোর কী ফলোআপ, উনারা কতটা চিন্তাভাবনা করছেন, সেটা জানার ও বোঝার চেষ্টা করেছি।
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ বাতিলের দাবি ফের জানিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা আনুমানিক ৩০ হাজারের বেশি। সুদীর্ঘকাল থেকে দেশে সব নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারেন। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনেও এমপিওভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নিয়েছেন। অথচ কোনো এক রহস্যজনক কারণে নির্বাচন কমিশনই এবার তাদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা এই সুপারিশটি বাতিল চেয়েছি। এটা বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ২৭ ও ২৮-এ নাগরিকদের যে সমতা এবং বৈষম্যহীনতার অধিকার দেওয়া হয়েছে তার পরিপন্থী।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য রাখার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো দলের নেতা যদি নির্বাচনে অংশ নেন সেটিও রাজনৈতিক কার্যক্রম।
ইসির অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমের অপসারণের দাবির বিষয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। সরকারি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংবিধানবিরোধী। তবে নির্বাচন কমিশন যেহেতু নিয়োগদাতা নয়, তারা আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি সরকারের কাছে জানাবে বলে জানিয়েছে।
এ সময় দাবি পূরণ না হলে জামায়াত ভোট বর্জন করতে পারে কিনা– এমন প্রশ্ন করেন একজন। জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, তারা এক মাস আগে যে দাবি জানিয়েছিলেন সে বিষয়ে কোনো রেসপন্স না পাওয়ায় আজ ইসির সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে ইসি তাদের জানিয়েছে, উনারা জানাতে না পারলেও কিছু বিষয় কনসিডারেশনে নিয়েছে। কিছু এখনও পারেনি। ফলে কোনোটাই মানেনি তা নয়। এ কারণে নির্বাচন বর্জনের মতো কথা বলার সময় এখন আসেনি, সেই পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, নাজিবুর রহমান মোমেন, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, আব্দুর রব ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকরা পদত্যাগ করলেও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে দলটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
বৈঠক শেষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সম্প্রতি সরকার উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে রাজনৈতিক নিয়োগ দিয়েছে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনে বসানো হয়েছে। আট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষেও তাদের লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খুব সাধারণ ধারণা, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে তাদেরকে প্রার্থী করা হবে। এর প্রস্তুতি হিসেবে সিটি করপোরেশনে, জেলা পরিষদে ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে বসানো হয়েছে। তফসিল ঘোষণা হলে তারা দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং এই প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার দাবি জানিয়েছি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘এখানে দুটো কথা ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ নেই। একটা হচ্ছে, তফসিল ঘোষণা হলে তারা পদত্যাগ করে ইলেকশন করবেন। আমরা তা চাই না। তফসিলের পর পদত্যাগ করলেও তারা যেন অন্তত এই ইলেকশনে অযোগ্য থাকেন এই দাবি আমরা করেছি।’
সার্বিক বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, আজ প্রধান নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) কাছে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ৯টি দাবি হস্তান্তর করেছি। বিস্তারিত আলোচনাও করেছি। এর কিছু দাবি এর আগেও জানানো হয়েছিল। সেগুলোর কী ফলোআপ, উনারা কতটা চিন্তাভাবনা করছেন, সেটা জানার ও বোঝার চেষ্টা করেছি।
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ বাতিলের দাবি ফের জানিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা আনুমানিক ৩০ হাজারের বেশি। সুদীর্ঘকাল থেকে দেশে সব নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারেন। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনেও এমপিওভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নিয়েছেন। অথচ কোনো এক রহস্যজনক কারণে নির্বাচন কমিশনই এবার তাদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা এই সুপারিশটি বাতিল চেয়েছি। এটা বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ২৭ ও ২৮-এ নাগরিকদের যে সমতা এবং বৈষম্যহীনতার অধিকার দেওয়া হয়েছে তার পরিপন্থী।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য রাখার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো দলের নেতা যদি নির্বাচনে অংশ নেন সেটিও রাজনৈতিক কার্যক্রম।
ইসির অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমের অপসারণের দাবির বিষয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। সরকারি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংবিধানবিরোধী। তবে নির্বাচন কমিশন যেহেতু নিয়োগদাতা নয়, তারা আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি সরকারের কাছে জানাবে বলে জানিয়েছে।
এ সময় দাবি পূরণ না হলে জামায়াত ভোট বর্জন করতে পারে কিনা– এমন প্রশ্ন করেন একজন। জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, তারা এক মাস আগে যে দাবি জানিয়েছিলেন সে বিষয়ে কোনো রেসপন্স না পাওয়ায় আজ ইসির সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে ইসি তাদের জানিয়েছে, উনারা জানাতে না পারলেও কিছু বিষয় কনসিডারেশনে নিয়েছে। কিছু এখনও পারেনি। ফলে কোনোটাই মানেনি তা নয়। এ কারণে নির্বাচন বর্জনের মতো কথা বলার সময় এখন আসেনি, সেই পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, নাজিবুর রহমান মোমেন, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, আব্দুর রব ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
-89febe-256x144.webp)
ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফেরাতে জামায়াত ও এনসিপি মিলে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে। তাদের ঘোষণা করা লংমার্চ এই চক্রান্তের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে এই শ্রদ্ধা জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। বিএনপির ৪৮তম প্র
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মঙ্গলবার তাদের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৯ ঘণ্টা আগে