স্ট্রিম ডেস্ক

অফিসের কাজ, পড়াশোনার চাপ, পরিবারের দায়িত্ব বা ব্যক্তিগত জটিলতা আমাদের জীবনের অংশ। এই সবকিছু একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে অনেক সময় মনে হয় জীবন যেন থামার সুযোগই দিচ্ছে না। জীবনের এই বাস্তবতা ধীরে ধীরে আমাদের মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দিতে পারে।
তবে সব ধরনের স্ট্রেস কিন্তু খারাপ নয়। অল্প মাত্রার চাপ আমাদের সতর্ক থাকতে এবং কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেও এটি আমাদের প্রস্তুত রাখে। তবে এই চাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ধীরে ধীরে আমাদের স্বাস্থ্য, মেজাজ ও সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কখনো কখনো তা সম্পর্কেও সমস্যা সৃষ্টি করে।
স্ট্রেসের সঙ্গে কর্টিসল হরমোনের সম্পর্ক নিয়ে এখন অনেক কথা হয়। কর্টিসলকে অনেকে ‘স্ট্রেস হরমোন’ বলেন। কিন্তু কর্টিসল আসলে আমাদের শরীরের শত্রু নয়। যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে এই হরমোনের ভূমিকা আছে।
তাই কর্টিসল বা স্ট্রেসকে পুরোপুরি দূর করার চেষ্টা করার দরকার নেই। বরং কীভাবে এটিকে ভারসাম্যের মধ্যে রেখে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায় সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন জীবনের স্ট্রেস সামলাতে পারে এমন পাঁচটি সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত উপায় জেনে নেওয়া যাক।
স্ট্রেসের ক্ষতিকর দিক নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করাও কখনো কখনো উল্টো সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। ‘আমি খুব স্ট্রেসে আছি, আর এই স্ট্রেস আমার শরীরের অনেক ক্ষতি করছে’ এভাবে বারবার ভাবতে থাকলে উদ্বেগ আরও বেড়ে যেতে পারে। প্রথমেই বুঝতে হবে, স্ট্রেস জীবনের স্বাভাবিক অংশ।
কোনো শোক-পরিতাপ, চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তা কিংবা সন্তানদের দেখাশোনা করা নিয়ে মানসিক চাপ অনুভব করা স্বাভাবিক। এসব পরিস্থিতিতে স্ট্রেসকে অস্বাভাবিক কিছু মনে করে আতঙ্কিত না হয়ে বরং মেনে নেওয়া ভালো। জীবন যত সহজভাবেই চলুক না কেন, কোনো না কোনো পরিস্থিতিতে মনে উদ্বেগ আসবেই। কিন্তু তা নিয়ে বেশি না ভাবাই ভালো। নিজেকে মনে করিয়ে দিতে পারেন এই কঠিন সময়টা চিরস্থায়ী নয়। পরিস্থিতি বদলাবে, অনুভূতিও বদলাবে।
শারীরিকভাবে স্ট্রেস মোকাবিলার কার্যকর উপায় হলো শরীরচর্চা বা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা। মজার বিষয় হলো, ব্যায়াম করার সময় শরীরে অনেকটা স্ট্রেসের মতোই কিছু পরিবর্তন ঘটে। হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ে, শ্বাস দ্রুত হয় এবং অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল নিঃসৃত হয়। নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীর এসব পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখে। ফলে জীবনের বিভিন্ন চাপের পরিস্থিতিতেও শরীর ও মন সেগুলো মোকাবিলায় তুলনামূলকভাবে প্রস্তুত থাকে।
তবে ব্যায়াম মানেই জিমে যাওয়া বা কঠিন কোনো রুটিন অনুসরণ করা নয়। ব্যায়াম করতে গিয়ে যদি উল্টো চাপ তৈরি হয়, তাহলে সেটি আরও সহজভাবে নেওয়া যায়। হাঁটাহাঁটি করা, হালকা দৌড় কিংবা নিজের পছন্দের যেকোনো শরীরচর্চাও হতে পারে ভালো শুরু। এখানে মূল কথা হলো—নিয়মিত শরীরকে সক্রিয় রাখা।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে ঘুমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিনের ঘুমের রুটিন যতটা সম্ভব নিয়মিত রাখার চেষ্টা করা উচিত। রাতে একটু আগে বিছানায় যাওয়া এবং প্রতিদিন সকালে প্রায় একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরকে নির্দিষ্ট ছন্দে অভ্যস্ত হতে সাহায্য করতে পারে।
তাই বলে, কখনো বিছানায় গিয়েও যদি ঘুম না আসে বা কোনো রাতে স্বাভাবিকের তুলনায় কম ঘুম হয়, তা নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার দরকার নেই। মাঝে মধ্যে কম ঘুম হলেও শরীর তা সামলে নিতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের রুটিন আবারও ফিরে আসতে পারে।
স্ট্রেস কমানোর অর্থ শুধু নেতিবাচক বিষয় এড়িয়ে চলা নয়। একই সঙ্গে নিজেকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলাও জরুরি। শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। খাবারের তালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, প্রাকৃতিক ও কম প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ভালো মানের প্রোটিন রাখার চেষ্টা করা যেতে পারে। এর পাশাপাশি নিজের জন্য কিছুটা একান্ত সময় বের করাও গুরুত্বপূর্ণ।
মাইন্ডফুলনেস বা সচেতনভাবে বর্তমান জীবন ও নিজের অভিজ্ঞতার দিকে মনোযোগ দেওয়ার অভ্যাসও এতে সাহায্য করতে পারে। এজন্য কোনো নির্দিষ্ট মেডিটেশন অ্যাপ ব্যবহার করতেই হবে এমন নয়, আবার দীর্ঘ সময় চুপচাপ বসে থাকাও জরুরি নয়। বরং আগামী দিন বা সপ্তাহ নিয়ে কয়েক মিনিট ভাবতে পারেন। কী কী চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, কোন কাজগুলো কঠিন হতে পারে এবং কীভাবে নিজের সময় ও কাজের গতি এমনভাবে ঠিক করবেন, যাতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি না হয় এসব ভেবে পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
আগেভাগে কিছু কাজ করে রাখাও চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। যেমন আগে থেকেই কিছু খাবার রান্না করে রাখলে কর্মব্যস্ত দিনের শেষে সন্ধ্যায় খাবার তৈরির চাপ অনেকটাই কমে যায়।
দুশ্চিন্তার কারণ মানুষের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে। কেউ অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে চিন্তিত, কেউ চাকরি নিয়ে, আবার কারও উদ্বেগের কারণ পরিবার বা ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা। এসব চিন্তা নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখলে অনেক সময় ছোট সমস্যা ধীরে ধীরে আরও বড় ও জটিল বলে মনে হতে পারে।
তাই বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে নিজের উদ্বেগ ও সমস্যার কথা ভাগ করে নেওয়া উপকারী হতে পারে। সেই ব্যক্তি আপনার সমস্যার সমাধান করে দিতে না পারলেও, নিজের কথা অন্যকে বলার মাধ্যমে মানসিক বোঝা কিছুটা হালকা হতে পারে। পাশাপাশি অন্য একজনের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখার সুযোগও তৈরি হয়। অনেক সময় সমস্যার সমাধান সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। কিন্তু এই কথা আরেকজনের সঙ্গে শেয়ার করলে এটি সমাধানের পথ কিছুটা সহজ হতে পারে।

অফিসের কাজ, পড়াশোনার চাপ, পরিবারের দায়িত্ব বা ব্যক্তিগত জটিলতা আমাদের জীবনের অংশ। এই সবকিছু একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে অনেক সময় মনে হয় জীবন যেন থামার সুযোগই দিচ্ছে না। জীবনের এই বাস্তবতা ধীরে ধীরে আমাদের মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দিতে পারে।
তবে সব ধরনের স্ট্রেস কিন্তু খারাপ নয়। অল্প মাত্রার চাপ আমাদের সতর্ক থাকতে এবং কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেও এটি আমাদের প্রস্তুত রাখে। তবে এই চাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ধীরে ধীরে আমাদের স্বাস্থ্য, মেজাজ ও সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কখনো কখনো তা সম্পর্কেও সমস্যা সৃষ্টি করে।
স্ট্রেসের সঙ্গে কর্টিসল হরমোনের সম্পর্ক নিয়ে এখন অনেক কথা হয়। কর্টিসলকে অনেকে ‘স্ট্রেস হরমোন’ বলেন। কিন্তু কর্টিসল আসলে আমাদের শরীরের শত্রু নয়। যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে এই হরমোনের ভূমিকা আছে।
তাই কর্টিসল বা স্ট্রেসকে পুরোপুরি দূর করার চেষ্টা করার দরকার নেই। বরং কীভাবে এটিকে ভারসাম্যের মধ্যে রেখে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায় সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন জীবনের স্ট্রেস সামলাতে পারে এমন পাঁচটি সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত উপায় জেনে নেওয়া যাক।
স্ট্রেসের ক্ষতিকর দিক নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করাও কখনো কখনো উল্টো সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। ‘আমি খুব স্ট্রেসে আছি, আর এই স্ট্রেস আমার শরীরের অনেক ক্ষতি করছে’ এভাবে বারবার ভাবতে থাকলে উদ্বেগ আরও বেড়ে যেতে পারে। প্রথমেই বুঝতে হবে, স্ট্রেস জীবনের স্বাভাবিক অংশ।
কোনো শোক-পরিতাপ, চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তা কিংবা সন্তানদের দেখাশোনা করা নিয়ে মানসিক চাপ অনুভব করা স্বাভাবিক। এসব পরিস্থিতিতে স্ট্রেসকে অস্বাভাবিক কিছু মনে করে আতঙ্কিত না হয়ে বরং মেনে নেওয়া ভালো। জীবন যত সহজভাবেই চলুক না কেন, কোনো না কোনো পরিস্থিতিতে মনে উদ্বেগ আসবেই। কিন্তু তা নিয়ে বেশি না ভাবাই ভালো। নিজেকে মনে করিয়ে দিতে পারেন এই কঠিন সময়টা চিরস্থায়ী নয়। পরিস্থিতি বদলাবে, অনুভূতিও বদলাবে।
শারীরিকভাবে স্ট্রেস মোকাবিলার কার্যকর উপায় হলো শরীরচর্চা বা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা। মজার বিষয় হলো, ব্যায়াম করার সময় শরীরে অনেকটা স্ট্রেসের মতোই কিছু পরিবর্তন ঘটে। হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ে, শ্বাস দ্রুত হয় এবং অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল নিঃসৃত হয়। নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীর এসব পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শেখে। ফলে জীবনের বিভিন্ন চাপের পরিস্থিতিতেও শরীর ও মন সেগুলো মোকাবিলায় তুলনামূলকভাবে প্রস্তুত থাকে।
তবে ব্যায়াম মানেই জিমে যাওয়া বা কঠিন কোনো রুটিন অনুসরণ করা নয়। ব্যায়াম করতে গিয়ে যদি উল্টো চাপ তৈরি হয়, তাহলে সেটি আরও সহজভাবে নেওয়া যায়। হাঁটাহাঁটি করা, হালকা দৌড় কিংবা নিজের পছন্দের যেকোনো শরীরচর্চাও হতে পারে ভালো শুরু। এখানে মূল কথা হলো—নিয়মিত শরীরকে সক্রিয় রাখা।
স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে ঘুমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিনের ঘুমের রুটিন যতটা সম্ভব নিয়মিত রাখার চেষ্টা করা উচিত। রাতে একটু আগে বিছানায় যাওয়া এবং প্রতিদিন সকালে প্রায় একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরকে নির্দিষ্ট ছন্দে অভ্যস্ত হতে সাহায্য করতে পারে।
তাই বলে, কখনো বিছানায় গিয়েও যদি ঘুম না আসে বা কোনো রাতে স্বাভাবিকের তুলনায় কম ঘুম হয়, তা নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করার দরকার নেই। মাঝে মধ্যে কম ঘুম হলেও শরীর তা সামলে নিতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের রুটিন আবারও ফিরে আসতে পারে।
স্ট্রেস কমানোর অর্থ শুধু নেতিবাচক বিষয় এড়িয়ে চলা নয়। একই সঙ্গে নিজেকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলাও জরুরি। শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। খাবারের তালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, প্রাকৃতিক ও কম প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ভালো মানের প্রোটিন রাখার চেষ্টা করা যেতে পারে। এর পাশাপাশি নিজের জন্য কিছুটা একান্ত সময় বের করাও গুরুত্বপূর্ণ।
মাইন্ডফুলনেস বা সচেতনভাবে বর্তমান জীবন ও নিজের অভিজ্ঞতার দিকে মনোযোগ দেওয়ার অভ্যাসও এতে সাহায্য করতে পারে। এজন্য কোনো নির্দিষ্ট মেডিটেশন অ্যাপ ব্যবহার করতেই হবে এমন নয়, আবার দীর্ঘ সময় চুপচাপ বসে থাকাও জরুরি নয়। বরং আগামী দিন বা সপ্তাহ নিয়ে কয়েক মিনিট ভাবতে পারেন। কী কী চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, কোন কাজগুলো কঠিন হতে পারে এবং কীভাবে নিজের সময় ও কাজের গতি এমনভাবে ঠিক করবেন, যাতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি না হয় এসব ভেবে পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
আগেভাগে কিছু কাজ করে রাখাও চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। যেমন আগে থেকেই কিছু খাবার রান্না করে রাখলে কর্মব্যস্ত দিনের শেষে সন্ধ্যায় খাবার তৈরির চাপ অনেকটাই কমে যায়।
দুশ্চিন্তার কারণ মানুষের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে। কেউ অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে চিন্তিত, কেউ চাকরি নিয়ে, আবার কারও উদ্বেগের কারণ পরিবার বা ব্যক্তিগত কোনো সমস্যা। এসব চিন্তা নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখলে অনেক সময় ছোট সমস্যা ধীরে ধীরে আরও বড় ও জটিল বলে মনে হতে পারে।
তাই বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে নিজের উদ্বেগ ও সমস্যার কথা ভাগ করে নেওয়া উপকারী হতে পারে। সেই ব্যক্তি আপনার সমস্যার সমাধান করে দিতে না পারলেও, নিজের কথা অন্যকে বলার মাধ্যমে মানসিক বোঝা কিছুটা হালকা হতে পারে। পাশাপাশি অন্য একজনের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখার সুযোগও তৈরি হয়। অনেক সময় সমস্যার সমাধান সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। কিন্তু এই কথা আরেকজনের সঙ্গে শেয়ার করলে এটি সমাধানের পথ কিছুটা সহজ হতে পারে।
.png)

কথায় আছে, ‘অভাব থাকলে ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়।’ সংসারে অর্থের টানাটানি থাকলে দাম্পত্য সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়তে পারে। কারণ সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানো থেকে শুরু করে ছোটখাটো শখ-আহ্লাদ পূরণ সবকিছুর সঙ্গেই অর্থের যোগ রয়েছে। আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ঠিক না থাকলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হওয়াও অস
২৯ আগস্ট ২০২৬
মাসের শুরুতে বেতন হাতে পাওয়ার পর মনে হয়, এবার হিসাব করে খরচ করব। বাসাভাড়া, বাজার, বিল, যাতায়াতসহ সবকিছুর জন্য টাকা আলাদা করে রাখব। কিছু টাকা সঞ্চয়ও করব। কিন্তু মাস যত গড়াতে থাকে, হিসাব তত এলোমেলো হয়ে যায়। কোথায় কত টাকা খরচ হয়েছে, তার হিসাবও অনেক সময় আর মেলে না। মাস শেষে দেখা যায়, আয় শেষ, কিন্তু সঞ
২৮ আগস্ট ২০২৬
গরমকালে দিনে যেমন হাঁসফাঁস লাগে, রাতে বিছানায় গেলেও যেন স্বস্তি মেলে না। লোডশেডিং থাকলে ঘুমানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অস্বস্তি থেকে বাঁচতে নানা কৌশল ব্যবহার করেন মানুষ। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে ‘ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথড’। এই পদ্ধতিতে রাতে ঘুমানোর সময় চাদর বা তোয়ালে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে
২৫ আগস্ট ২০২৬
বেতন হাতে পেয়েই মনে হয়, এবার কিছু টাকা ঠিকই জমাব। কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই শুরু হয় খরচের মিছিল। বাসাভাড়া, বাজার, বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিল, যাতায়াত, কেনাকাটা; একে একে টাকা খরচ হতে থাকে। দেখতে দেখতে মাস শেষ, অথচ সঞ্চয়ের খাতায় যোগ হয়নি কিছুই। এভাবেই মাসের পর মাস কেটে যায়, কিন্তু সঞ্চয় আর হয়ে ওঠে না।
২১ আগস্ট ২০২৬