‘আমরা সারা দেশে পাঁচ লাখ মানুষের কাছে থেকে পরামর্শ নিয়েছি এবং বেশির ভাগ মানুষ এনসিপির প্রতীক হিসেবে শাপলা চায়। তাই আমরা শাপলা চেয়েছি।’ - নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, মুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
স্ট্রিম প্রতিবেদক

শাপলা ফুলকে নির্বাচনী প্রতীক চেয়ে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ রোববার আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিনে বিকেল ৪টায় দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই আবেদন ফরম জমা দেন।
নিবন্ধন ফরম জমা দেওয়া শেষে আখতার হোসেন বলেন, ‘দলের জেলা-উপজেলা কমিটি, অফিস এবং সদস্য ফরমের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এনসিপি সব শর্ত পূরণ করেছে। আমরা আজ বিকেল ৫টার আগেই নিবন্ধন ফরম জমা দিয়েছি। বাকি ডকুমেন্টগুলো ট্রাকে আসছে। আজকেই জমা দেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৯০ ক ধারা অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হয়।
শর্তগুলো হলো: স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয় অথবা সেসব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের ৫ শতাংশ অর্জন অথবা কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী জানান, শাপলা ছাড়াও কলম এবং তৃতীয় অপশন হিসেবে মোবাইল ফোন প্রতীক চাওয়া হয়েছে।
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘আমরা সারা দেশে পাঁচ লাখ মানুষের কাছে থেকে পরামর্শ নিয়েছি এবং বেশির ভাগ মানুষ এনসিপির প্রতীক হিসেবে শাপলা চায়। তাই আমরা শাপলা চেয়েছি।’
এ সময়ে তিনি দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে ৪০০ আসনের মধ্যে ৩০০ আসনে জয়ী হয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবে এনসিপি।
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘এনসিপি খুব অল্প সময়ে দল সংগঠিত করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন ফরম জমা দিয়েছে। এই যাত্রায় বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অফিস পেতে যেমন সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে, তেমনি দলে লোক ঢুকিয়ে দিয়ে পদত্যাগের নাটকও করানো হয়েছে। এর মধ্যেই এগিয়ে গেছে এনসিপি।’
পুনর্গঠন চাওয়া ইসিতেই নিবন্ধন ফরম জমা দিলেন কেন, জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠন চাইলেও ইসি তো হাওয়া হয়ে যায়নি। ইসি এখনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। নিয়ম তো মানতেই হবে।’
নিবন্ধন পাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু শর্তের সবই আমরা পূরণ করেছি, তাই নিবন্ধন নিয়ে আমরা আশাবাদী।’
এই ইসির অধীনে নির্বাচনে যাবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠানই পুনর্গঠন হচ্ছে। এটাও হবে। এর বাইরে অন্য কোনো অপশন নেই।’

শাপলা ফুলকে নির্বাচনী প্রতীক চেয়ে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ রোববার আবেদন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিনে বিকেল ৪টায় দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই আবেদন ফরম জমা দেন।
নিবন্ধন ফরম জমা দেওয়া শেষে আখতার হোসেন বলেন, ‘দলের জেলা-উপজেলা কমিটি, অফিস এবং সদস্য ফরমের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এনসিপি সব শর্ত পূরণ করেছে। আমরা আজ বিকেল ৫টার আগেই নিবন্ধন ফরম জমা দিয়েছি। বাকি ডকুমেন্টগুলো ট্রাকে আসছে। আজকেই জমা দেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৯০ ক ধারা অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হয়।
শর্তগুলো হলো: স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয় অথবা সেসব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের ৫ শতাংশ অর্জন অথবা কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী জানান, শাপলা ছাড়াও কলম এবং তৃতীয় অপশন হিসেবে মোবাইল ফোন প্রতীক চাওয়া হয়েছে।
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘আমরা সারা দেশে পাঁচ লাখ মানুষের কাছে থেকে পরামর্শ নিয়েছি এবং বেশির ভাগ মানুষ এনসিপির প্রতীক হিসেবে শাপলা চায়। তাই আমরা শাপলা চেয়েছি।’
এ সময়ে তিনি দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে ৪০০ আসনের মধ্যে ৩০০ আসনে জয়ী হয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবে এনসিপি।
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘এনসিপি খুব অল্প সময়ে দল সংগঠিত করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন ফরম জমা দিয়েছে। এই যাত্রায় বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অফিস পেতে যেমন সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে, তেমনি দলে লোক ঢুকিয়ে দিয়ে পদত্যাগের নাটকও করানো হয়েছে। এর মধ্যেই এগিয়ে গেছে এনসিপি।’
পুনর্গঠন চাওয়া ইসিতেই নিবন্ধন ফরম জমা দিলেন কেন, জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠন চাইলেও ইসি তো হাওয়া হয়ে যায়নি। ইসি এখনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। নিয়ম তো মানতেই হবে।’
নিবন্ধন পাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যেহেতু শর্তের সবই আমরা পূরণ করেছি, তাই নিবন্ধন নিয়ে আমরা আশাবাদী।’
এই ইসির অধীনে নির্বাচনে যাবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠানই পুনর্গঠন হচ্ছে। এটাও হবে। এর বাইরে অন্য কোনো অপশন নেই।’

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে অত্যধিক ঋণনির্ভর, উচ্চাভিলাষী ও জনবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা বলেছেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম ‘রাজনৈতিক পর্ষদে’ আরও ছয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে পর্ষদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮ জন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
১২ ঘণ্টা আগে
সরকারের সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেটে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
১ দিন আগে