স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার অংশ হিসেবে ট্রাভেল পাস পেয়েছেন। আবেদনের এক দিনেই লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে তাঁকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হয়।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তাঁকে স্বাগত জানাতে বড় আয়োজন করছে বিএনপি।
যুক্তরাজ্য বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা মতো এগোচ্ছে। তারেক রহমান ট্রাভেল পাস চেয়ে পেয়ে গেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তারেক রহমান বৃহস্পতিবার আবেদন করেছিলেন। আমার জানা মতে হয়ে গেছে।
তারেক রহমান ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনে পটপরিবর্তনের পর গ্রেপ্তার হন। এরপর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এর পর থেকে সে দেশেই আছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশের মাটিতে পা রাখছেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতন হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল এবং কোনো কোনো মামলায় আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পান।
রাজনৈতিক কারণে লন্ডনে নির্বাসিত তারেক রহমান পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে পাননি। গত বছর গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সুযোগ থাকলেও তিনি পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেননি। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি হিসেবে তাঁকে দেশে ফিরতে হলে ট্রাভেল পাস নিয়েই আসতে হবে।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে ঢাকা ফিরবেন। তিনি ওইদিন বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন মা খালেদা জিয়ার কাছে। গত ২৩ নভেম্বর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার অংশ হিসেবে ট্রাভেল পাস পেয়েছেন। আবেদনের এক দিনেই লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে তাঁকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হয়।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। তাঁকে স্বাগত জানাতে বড় আয়োজন করছে বিএনপি।
যুক্তরাজ্য বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা মতো এগোচ্ছে। তারেক রহমান ট্রাভেল পাস চেয়ে পেয়ে গেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তারেক রহমান বৃহস্পতিবার আবেদন করেছিলেন। আমার জানা মতে হয়ে গেছে।
তারেক রহমান ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনে পটপরিবর্তনের পর গ্রেপ্তার হন। এরপর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এর পর থেকে সে দেশেই আছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দেশের মাটিতে পা রাখছেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতন হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল এবং কোনো কোনো মামলায় আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পান।
রাজনৈতিক কারণে লন্ডনে নির্বাসিত তারেক রহমান পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে পাননি। গত বছর গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সুযোগ থাকলেও তিনি পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেননি। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি হিসেবে তাঁকে দেশে ফিরতে হলে ট্রাভেল পাস নিয়েই আসতে হবে।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে ঢাকা ফিরবেন। তিনি ওইদিন বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন মা খালেদা জিয়ার কাছে। গত ২৩ নভেম্বর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬