স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলছে, ক্ষমতায় গেলে তাদের মন্ত্রিসভায় তরুণদের অগ্রাধিকার দেবে। মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী সদস্যও স্থান দেওয়া হবে। এ ছাড়া, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব থাকবে মন্ত্রিসভায়।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। ঘোষিত ইশতেহারকে জামায়াত ‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’ বলে অভিহিত করেছে।
ইশতেহারে জামায়াত জুলাই সনদের আলোকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কথা জানিয়েছে। এর জন্য ক্ষমতায় গেলে তারা শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসার কথা বলেছে।
জামায়াত তাদের নির্বাচনী ইশতেহারকে ৮টি ভাগে ভাগ করেছে। এর প্রথম ভাগেই রেখেছে ‘শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার’কে। জামায়াত জানিয়েছে, সুশাসন নিশ্চিত করতে ক্ষমতায় গেলে তারা জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদের আলোকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়বে। এর জন্য শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসা হবে।
জামায়াত বলেছে, ‘আমরা একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে যেসব আইন ও নীতিমালায় বৈষম্য বিদ্যমান, সেগুলো দ্রুত সংস্কার বা বাতিল করা হবে।’
ইশতেহারে বলা হয়েছে, সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে জামায়াতের সরকার পরিচালিত হবে। সরকারের সব স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে।
ইশতেহারে তরুণদের দেশ পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে জামায়াত বলেছে, সরকার গঠন করলে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে তারা যোগ্য ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ-তরুণীদের অন্তর্ভুক্ত করবে।
দলটি বলেছে, তাদের মন্ত্রিসভায় নারীদের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়াও মন্ত্রিসভায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব থাকবে।
দেশের ৬৪ জেলা শহর এবং ৫০০ উপজেলা ও ছোট শহরকে পরিকল্পিত শহর হিসেবে, ঢাকাকে স্মার্ট রাজধানী ও বাণিজ্য কেন্দ্র চট্টগ্রামকে যুগোপযোগী ও সুপরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত।
অনুষ্ঠানে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, ব্রুনাই, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ইরান, কানাডা, আলজেরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, ভ্যাটিকান, জাতিসংঘ, ইউএনডিপি, আইআরআই, এনডিআই, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এমএলও সহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কুটনীতিবিদগণ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নে বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে তৈরি করা ইশতেহারে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে ৫টি হ্যাঁ এবং ৫টি না রয়েছে। হ্যাঁ-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান। না-এর মধ্যে আছে- দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।
‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিসহ ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইশতেহারে।
ইশতেহার প্রণয়নে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয় তৈরি করা জনগণের মতামতকেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ‘জনতার ইশতেহার’ নামে একটি ওয়েবসাইটে সাধারণ মানুষের মতামত চাওয়া হলে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় চল্লিশ হাজার মতামত দেন ও তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। ওয়েবসাইটে দেয়া মানুষের প্রত্যাশা ও মতামতকে ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলছে, ক্ষমতায় গেলে তাদের মন্ত্রিসভায় তরুণদের অগ্রাধিকার দেবে। মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী সদস্যও স্থান দেওয়া হবে। এ ছাড়া, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব থাকবে মন্ত্রিসভায়।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বনানীর হোটেল শেরাটনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। ঘোষিত ইশতেহারকে জামায়াত ‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’ বলে অভিহিত করেছে।
ইশতেহারে জামায়াত জুলাই সনদের আলোকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কথা জানিয়েছে। এর জন্য ক্ষমতায় গেলে তারা শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসার কথা বলেছে।
জামায়াত তাদের নির্বাচনী ইশতেহারকে ৮টি ভাগে ভাগ করেছে। এর প্রথম ভাগেই রেখেছে ‘শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার’কে। জামায়াত জানিয়েছে, সুশাসন নিশ্চিত করতে ক্ষমতায় গেলে তারা জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদের আলোকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়বে। এর জন্য শাসনব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসা হবে।
জামায়াত বলেছে, ‘আমরা একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে যেসব আইন ও নীতিমালায় বৈষম্য বিদ্যমান, সেগুলো দ্রুত সংস্কার বা বাতিল করা হবে।’
ইশতেহারে বলা হয়েছে, সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে জামায়াতের সরকার পরিচালিত হবে। সরকারের সব স্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করা হবে।
ইশতেহারে তরুণদের দেশ পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে জামায়াত বলেছে, সরকার গঠন করলে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে তারা যোগ্য ও প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ-তরুণীদের অন্তর্ভুক্ত করবে।
দলটি বলেছে, তাদের মন্ত্রিসভায় নারীদের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়াও মন্ত্রিসভায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব থাকবে।
দেশের ৬৪ জেলা শহর এবং ৫০০ উপজেলা ও ছোট শহরকে পরিকল্পিত শহর হিসেবে, ঢাকাকে স্মার্ট রাজধানী ও বাণিজ্য কেন্দ্র চট্টগ্রামকে যুগোপযোগী ও সুপরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত।
অনুষ্ঠানে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, ব্রুনাই, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ইরান, কানাডা, আলজেরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, ভ্যাটিকান, জাতিসংঘ, ইউএনডিপি, আইআরআই, এনডিআই, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এমএলও সহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কুটনীতিবিদগণ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নে বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে তৈরি করা ইশতেহারে ২৬টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
‘একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে ‘চলো সবাই একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ইশতেহারে ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে ৫টি হ্যাঁ এবং ৫টি না রয়েছে। হ্যাঁ-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান। না-এর মধ্যে আছে- দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।
‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিসহ ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইশতেহারে।
ইশতেহার প্রণয়নে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয় তৈরি করা জনগণের মতামতকেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ‘জনতার ইশতেহার’ নামে একটি ওয়েবসাইটে সাধারণ মানুষের মতামত চাওয়া হলে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় চল্লিশ হাজার মতামত দেন ও তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। ওয়েবসাইটে দেয়া মানুষের প্রত্যাশা ও মতামতকে ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে অত্যধিক ঋণনির্ভর, উচ্চাভিলাষী ও জনবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা বলেছেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম ‘রাজনৈতিক পর্ষদে’ আরও ছয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে পর্ষদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮ জন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
সরকারের সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেটে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
১ দিন আগে