স্ট্রিম প্রতিবেদক

পেশায় ব্যবসায়ী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের (ভিপি নূর) মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা এবং বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসন থেকে ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর এ তথ্য দেন।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নুরুল হক নুরের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ। এর পরেই আছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, তাঁর বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। পরামর্শক হিসেবে পাওয়া অর্থ এবং অন্যান্য খাত থেকে তিনি এ আয় করেন। তবে নাহিদ ইসলামের বাড়ি, গাড়ি ও জমি নেই।
নির্বাচন কমিশনে অন্যান্য নেতাদের হলফনামার তথ্যানুযায়ী, দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বার্ষিক আয় উল্লেখ করেছেন পৌনে ৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বার্ষিক আয় ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৮৯০ টাকা।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসা থেকে নুরুল হক নুরের বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২২ টাকা। সব মিলিয়ে তাঁর মোট বাৎসরিক আয় দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা।
নুরুল হক নুরের নগদ অর্থ রয়েছে ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ২১৭ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ রয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য আমানত দেখানো হয়েছে ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৩১১ টাকা। তবে হলফনামায় গহনার কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
স্থাবর সম্পদের হিসেবে নুরুল হক নুরের নামে রয়েছে ৮২ ডেসিমেল কৃষিজমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ৬২ হাজার টাকা। দায় সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁর ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৬০ টাকা দেনা রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, নুরুল হক নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তারের পেশা শিক্ষকতা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। নগদ অর্থ রয়েছে ৩০ হাজার ৯৪১ টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৭ টাকা। তার নামে তিন একর কৃষিজমি রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা। স্ত্রীর বার্ষিক আয় ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৮০ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, নুরুল হক নুর ও তার স্ত্রী উভয়েই নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন। সেখানে নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১ টাকা এবং তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা।
হলফনামা অনুসারে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি তদন্তাধীন এবং কয়েকটিতে তিনি এজাহারভুক্ত ও অভিযুক্ত। এর আগে আটটি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন এই মামলাগুলো নির্বাচনে বাধার সৃষ্টি করবে না।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল হিসেবে আসনটিতে সমঝোতার কারণে বিএনপি দলীয় প্রার্থী দেয়নি। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের আরেক প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিমও এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ এবং গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। সংসদ সদস্য পদে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।

পেশায় ব্যবসায়ী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের (ভিপি নূর) মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা এবং বার্ষিক আয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসন থেকে ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর এ তথ্য দেন।
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নুরুল হক নুরের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ। এর পরেই আছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, তাঁর বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা। পরামর্শক হিসেবে পাওয়া অর্থ এবং অন্যান্য খাত থেকে তিনি এ আয় করেন। তবে নাহিদ ইসলামের বাড়ি, গাড়ি ও জমি নেই।
নির্বাচন কমিশনে অন্যান্য নেতাদের হলফনামার তথ্যানুযায়ী, দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বার্ষিক আয় উল্লেখ করেছেন পৌনে ৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বার্ষিক আয় ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৮৯০ টাকা।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যবসা থেকে নুরুল হক নুরের বার্ষিক আয় ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৬ টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২২ টাকা। সব মিলিয়ে তাঁর মোট বাৎসরিক আয় দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪০ হাজার ৪৮ টাকা।
নুরুল হক নুরের নগদ অর্থ রয়েছে ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ২১৭ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ রয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত অন্যান্য আমানত দেখানো হয়েছে ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ৩১১ টাকা। তবে হলফনামায় গহনার কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
স্থাবর সম্পদের হিসেবে নুরুল হক নুরের নামে রয়েছে ৮২ ডেসিমেল কৃষিজমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ৬২ হাজার টাকা। দায় সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁর ৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৬০ টাকা দেনা রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, নুরুল হক নুরের স্ত্রী মারিয়া আক্তারের পেশা শিক্ষকতা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। নগদ অর্থ রয়েছে ৩০ হাজার ৯৪১ টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৭ টাকা। তার নামে তিন একর কৃষিজমি রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা। স্ত্রীর বার্ষিক আয় ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৮০ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, নুরুল হক নুর ও তার স্ত্রী উভয়েই নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন। সেখানে নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১ টাকা এবং তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা।
হলফনামা অনুসারে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি তদন্তাধীন এবং কয়েকটিতে তিনি এজাহারভুক্ত ও অভিযুক্ত। এর আগে আটটি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন এই মামলাগুলো নির্বাচনে বাধার সৃষ্টি করবে না।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল হিসেবে আসনটিতে সমঝোতার কারণে বিএনপি দলীয় প্রার্থী দেয়নি। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের আরেক প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিমও এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ এবং গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। সংসদ সদস্য পদে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে এনসিপির সাবেক নেত্রী ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা দেখিয়েছেন।
১২ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর নামে কোনো কৃষিজমি, বাড়ি বা স্থাবর সম্পত্তি নেই। তবে তাঁর রয়েছে ৫০ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ।
২০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৬টি আসনে দলীয়ভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব স্ট্রিমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২৩ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন দলটির সকল দায়িত্ব ও পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
৩৪ মিনিট আগে