স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকায় আজ কর্মসূচি পালন করছে সাতটি রাজনৈতিক দল। প্রায় অভিন্ন দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত আন্দোলন, মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) তিন দিনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ দলগুলো রাজধানীতে প্রথম দিনের কর্মসূচি পালন করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সমাবেশ শুর করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহর নামাজের পর বাইতুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে এই সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশ শেষে মিছিলের কথা রয়েছে।
জুলাই সনদের ভিত্তিতে ‘পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন’; ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা’, ‘গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করা’, ‘বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ভারতীয় তাঁবেদার’ এবং ‘ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিক দলগুলো বিচার চলাকলে তাদের কর্যক্রম নিষিদ্ধ করা’র দাবিতে সমাবেশ করছে ইসলামী আন্দোলন।

সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। দাবি আদায় না হলে আরেকটি ‘৫ আগস্ট’ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা। সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, ‘আমরা মনে হয়, ভারত চায় না জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে। আপনারা কি ভারতের তাঁবেদারি করতে বসেছেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার কেন বসেছে, সেটা আমরা সবাই জানি। তিনি বসেছেন বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচনের জন্য। কিন্তু দৃশ্যমান বিচার ও সংস্কার না করে তিনি নির্বাচন কীভাবে দেন?’
এদিকে, সাত দলের কর্মসূচি ঘিরে দুপুর থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, পল্টন, কাকরাইল, মৎস্য ভবন, মতিঝিল এলাকায় যানজট দেখা গেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
যাত্রাবাড়ী থেকে মগবাজার যাচ্ছিলেন সাঈদ নামে এক পথচারী। গুলিস্তানে এসে জ্যামে পড়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেনে। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার। এদিন এমনিতেই বেশি জ্যাম পড়ে। তার মধ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার ফলে আর জ্যাম বেড়েছে। আমাদের জীবনের চাকা একেবারে থেমে গেছে আসলে।’

আর বাইতুল মোকাররমের উত্তর গেটে আসরের নামাজের পর সমাবেশ করবে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সমাবেশের পর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দলটি পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর মোড়, কাকরাইল মোড় হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদ।
প্রেসক্লাবের সামনে বেলা তিনটায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে পল্টন মোড় হয়ে বায়তুল মোকাররমে মিছিল নিয়ে যাবে খেলাফত আন্দোলন। বিকেল সাড়ে চারটায় বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় সমাবেশ শুরু করবে জাগপা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবে যাবে তারা। এরপর আবার মিছিল নিয়ে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় ফিরে আসবে। পাঁচটায় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে নেজামে ইসলাম।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ শুরু করবে বিকেল সাড়ে চারটায়। সেখানে কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তৃতা দেবেন। এরপর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের সমবেত নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করবেন। তাঁরা মিছিলটি নিয়ে এগিয়ে যাবেন পল্টন, বিজয়নগর, কাকড়াইল মোড় হয়ে শাহবাগে। সমাপনী বক্তৃতার মাধ্যমে বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি শেষ হবে। এই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জামায়াত।
যৌথভাবে এই কর্মসূচির ব্যবস্থাপনা করছে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ। জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন স্ট্রিমকে জানান, সমাবেশটি কতক্ষণ চলবে আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। তবে অন্তত আধা ঘণ্টা হবে বলেও জানান তিনি। বিক্ষোভ মিছিলটি শাহবাগে গিয়ে আবারও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রূপ নেবে। তবে সেটি দীর্ঘ হবে না। এক বা দুজন নেতা কথা বলে মিছিল ও সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করবেন।

রাজধানী ঢাকায় আজ কর্মসূচি পালন করছে সাতটি রাজনৈতিক দল। প্রায় অভিন্ন দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত আন্দোলন, মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) তিন দিনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ দলগুলো রাজধানীতে প্রথম দিনের কর্মসূচি পালন করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সমাবেশ শুর করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহর নামাজের পর বাইতুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে এই সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশ শেষে মিছিলের কথা রয়েছে।
জুলাই সনদের ভিত্তিতে ‘পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন’; ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা’, ‘গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করা’, ‘বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ভারতীয় তাঁবেদার’ এবং ‘ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিক দলগুলো বিচার চলাকলে তাদের কর্যক্রম নিষিদ্ধ করা’র দাবিতে সমাবেশ করছে ইসলামী আন্দোলন।

সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। দাবি আদায় না হলে আরেকটি ‘৫ আগস্ট’ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা। সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, ‘আমরা মনে হয়, ভারত চায় না জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে। আপনারা কি ভারতের তাঁবেদারি করতে বসেছেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার কেন বসেছে, সেটা আমরা সবাই জানি। তিনি বসেছেন বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচনের জন্য। কিন্তু দৃশ্যমান বিচার ও সংস্কার না করে তিনি নির্বাচন কীভাবে দেন?’
এদিকে, সাত দলের কর্মসূচি ঘিরে দুপুর থেকে রাজধানীর গুলিস্তান, পল্টন, কাকরাইল, মৎস্য ভবন, মতিঝিল এলাকায় যানজট দেখা গেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
যাত্রাবাড়ী থেকে মগবাজার যাচ্ছিলেন সাঈদ নামে এক পথচারী। গুলিস্তানে এসে জ্যামে পড়ে হেঁটেই রওনা হয়েছেনে। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার। এদিন এমনিতেই বেশি জ্যাম পড়ে। তার মধ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার ফলে আর জ্যাম বেড়েছে। আমাদের জীবনের চাকা একেবারে থেমে গেছে আসলে।’

আর বাইতুল মোকাররমের উত্তর গেটে আসরের নামাজের পর সমাবেশ করবে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সমাবেশের পর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দলটি পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর মোড়, কাকরাইল মোড় হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে মিছিলটি শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদ।
প্রেসক্লাবের সামনে বেলা তিনটায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে পল্টন মোড় হয়ে বায়তুল মোকাররমে মিছিল নিয়ে যাবে খেলাফত আন্দোলন। বিকেল সাড়ে চারটায় বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় সমাবেশ শুরু করবে জাগপা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবে যাবে তারা। এরপর আবার মিছিল নিয়ে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় ফিরে আসবে। পাঁচটায় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে নেজামে ইসলাম।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে সমাবেশ শুরু করবে বিকেল সাড়ে চারটায়। সেখানে কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তৃতা দেবেন। এরপর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের সমবেত নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করবেন। তাঁরা মিছিলটি নিয়ে এগিয়ে যাবেন পল্টন, বিজয়নগর, কাকড়াইল মোড় হয়ে শাহবাগে। সমাপনী বক্তৃতার মাধ্যমে বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি শেষ হবে। এই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জামায়াত।
যৌথভাবে এই কর্মসূচির ব্যবস্থাপনা করছে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ। জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন স্ট্রিমকে জানান, সমাবেশটি কতক্ষণ চলবে আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। তবে অন্তত আধা ঘণ্টা হবে বলেও জানান তিনি। বিক্ষোভ মিছিলটি শাহবাগে গিয়ে আবারও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রূপ নেবে। তবে সেটি দীর্ঘ হবে না। এক বা দুজন নেতা কথা বলে মিছিল ও সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করবেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে