স্ট্রিম প্রতিবেদক

একটি রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা বলছে– বিগত বিএনপি সরকার নাকি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দলটির দুই সদস্য বিএনপি সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। বিএনপি এত খারাপ হলে তারা পদত্যাগ করেননি কেন?
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। এ সময় সমাবেশ মঞ্চে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগের ২২ আসনের দল ও জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
২০০১ সালে চার দলীয় জোট ভোটে জিতে সরকার গঠন করে। এতে জামায়াতের প্রয়াত আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও প্রয়াত সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন।
প্রসঙ্গটি টেনে তারেক রহমান বলেন, তারা (জামায়াতের দুই মন্ত্রী) পদত্যাগ করেননি। কারণ তারা জানতেন খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছেন। তারা জানতেন খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। যে দল বিএনপিকে দোষারোপ করে, তাদের দলের দুজনের প্রথম থেকে সরকারের শেষ দিন পর্যন্ত থাকা প্রমাণ করে তারা কত বড় মিথ্যা কথা বলছেন?

তিনি বলেন, ‘এখানে আমি অন্য দলের সমালোচনা করলে জনগণের কি কোন লাভ হবে? মানুষ তাঁকেই ভোট দেবে, যিনি জনগণের জন্য কাজ করবেন। জনগণের জন্য কাজ করতে চাইলে পরিকল্পনা থাকতে হবে। বিএনপি এমন একটি দল যাদের পরিকল্পনা রয়েছে; অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে হয়, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। একমাত্র বিএনপিরই অভিজ্ঞতা রয়েছে, কীভাবে শিক্ষার আলো এদেশের সন্তানদের পৌঁছে দিতে হয়।’
তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এতে জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। ভোটের অধিকার থাকলে জনগণের সমস্যার সমাধান হতো। মানুষ তার খাদ্য, চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা চায়।’
জনসভায় নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ নানা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

একটি রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারের মুখের ভাষা ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা বলছে– বিগত বিএনপি সরকার নাকি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দলটির দুই সদস্য বিএনপি সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। বিএনপি এত খারাপ হলে তারা পদত্যাগ করেননি কেন?
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান। এ সময় সমাবেশ মঞ্চে ছিলেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগের ২২ আসনের দল ও জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী।
২০০১ সালে চার দলীয় জোট ভোটে জিতে সরকার গঠন করে। এতে জামায়াতের প্রয়াত আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও প্রয়াত সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন।
প্রসঙ্গটি টেনে তারেক রহমান বলেন, তারা (জামায়াতের দুই মন্ত্রী) পদত্যাগ করেননি। কারণ তারা জানতেন খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছেন। তারা জানতেন খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। যে দল বিএনপিকে দোষারোপ করে, তাদের দলের দুজনের প্রথম থেকে সরকারের শেষ দিন পর্যন্ত থাকা প্রমাণ করে তারা কত বড় মিথ্যা কথা বলছেন?

তিনি বলেন, ‘এখানে আমি অন্য দলের সমালোচনা করলে জনগণের কি কোন লাভ হবে? মানুষ তাঁকেই ভোট দেবে, যিনি জনগণের জন্য কাজ করবেন। জনগণের জন্য কাজ করতে চাইলে পরিকল্পনা থাকতে হবে। বিএনপি এমন একটি দল যাদের পরিকল্পনা রয়েছে; অভিজ্ঞতা রয়েছে কীভাবে দেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে হয়, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। একমাত্র বিএনপিরই অভিজ্ঞতা রয়েছে, কীভাবে শিক্ষার আলো এদেশের সন্তানদের পৌঁছে দিতে হয়।’
তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এতে জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, রাস্তাঘাটের সমস্যার সমাধান হয়নি। ভোটের অধিকার থাকলে জনগণের সমস্যার সমাধান হতো। মানুষ তার খাদ্য, চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা চায়।’
জনসভায় নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ নানা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
৬ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামী দেশের ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা বাংলাদেশে থাকতে না পারার প্রচারের সমালোচনা করে খুলনা-১ আসনে (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ) জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের এ দেশে জামাই-আদরে রাখবে। খুলনার সার্কিট হাউস ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় তিনি বিশেষ অতিথি ছিলেন।
১৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ২৪৯ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে। এখানকার ২৩টি আসনে এমন প্রার্থী আছেন ৩৭ জন। আর সবচেয়ে কম ১১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বরিশাল অঞ্চলে।
৩৪ মিনিট আগে
বাংলাদশে যদি কেউ কোনো দিক থেকে ভোটব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করতে চায় বা নস্যাৎ করতে চায়, সেটা বাংলাদেশের মানুষ মানবে না।
১ ঘণ্টা আগে