স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “এই সরকার নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে গঠন হয়নি। এ সরকারের বৈধতা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বৈধতাও ছিল গণ-অভ্যুত্থান। যদি সরকার পুরোনো সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে এই সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”
সোমবার (৯ মার্চ) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এনসিপির খুলনা বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
একই মঞ্চে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ অন্যান্য দলের নেতাদের উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারণে আজ আমরা একই মঞ্চে উপস্থিত হতে পেরেছি। শত শত শহীদের রক্তের ওপর আমরা এখানে বসতে পেরেছি। জাতীয় সংসদে একসঙ্গে বসে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব আদেশ বাস্তবায়ন করতে চাই।”
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ ১১ দলীয় জোটের খুলনা বিভাগীয় নেতারা।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, “পাড়া-মহল্লায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, ভয় পাওয়া যাবে না।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সংসদ অধিবেশন বসলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করা না হলে আমরা সবাই মিলে জাতীয় সংসদের সামনে যাব। আমরা বলব—গুন্ডা, মাস্তান ও চাঁদাবাজদের নিয়ে সংসদে কী করবেন, আমরা এদের ঠিক করে দেব।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “লোকজন আমাকে বলছে ধ্বংসাত্মক কথা একটু কমিয়ে বলতে, গঠনমূলক কথা বলতে। আমি একটি নির্দিষ্ট বিষয় বলতে চাই—খুলনায় ভারত একটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছে, এটি পরিবেশের জন্য এবং খুলনার প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য চরম হুমকি। এটি অতি সত্বর বন্ধ করে দিতে হবে। শ্রীলঙ্কায় গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল, তাঁরাও ভারতকে লালকার্ড দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে।”
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিএনপি বা সরকারি দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। তাঁরা সংবিধানের দোহাই দেন। অথচ এই সংবিধানের দোহাই ইতিপূর্বেও অনেকে দিয়েছিলেন। তাঁদের পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।” তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সুবিধাভোগী যে দল নির্বাচনের পর সরকার গঠন করেছে, আজ তাঁরা সংস্কারের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করছেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকারের পাশাপাশি দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বলবে। এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং দলের যুগ্ম সদস্য সচিব ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক বলেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারী যারা আটক হয়েছে, তাদের দ্রুত দেশে এনে বিচার করতে হবে। কারা এই খুনের নেপথ্যে ছিল তাদেরও চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি ভারতে আশ্রয় পাওয়া জুলাই গণহত্যার হুকুমের আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে এনে রায় কার্যকর করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, জাতীয় নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম, ডক্টরস অ্যালায়েন্সের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মনিরুজ্জামান এবং খুলনা-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক ওয়াহিদ উজ জামান।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “এই সরকার নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে গঠন হয়নি। এ সরকারের বৈধতা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বৈধতাও ছিল গণ-অভ্যুত্থান। যদি সরকার পুরোনো সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে এই সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”
সোমবার (৯ মার্চ) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এনসিপির খুলনা বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
একই মঞ্চে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ অন্যান্য দলের নেতাদের উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারণে আজ আমরা একই মঞ্চে উপস্থিত হতে পেরেছি। শত শত শহীদের রক্তের ওপর আমরা এখানে বসতে পেরেছি। জাতীয় সংসদে একসঙ্গে বসে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব আদেশ বাস্তবায়ন করতে চাই।”
ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ ১১ দলীয় জোটের খুলনা বিভাগীয় নেতারা।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, “পাড়া-মহল্লায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, ভয় পাওয়া যাবে না।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সংসদ অধিবেশন বসলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করা না হলে আমরা সবাই মিলে জাতীয় সংসদের সামনে যাব। আমরা বলব—গুন্ডা, মাস্তান ও চাঁদাবাজদের নিয়ে সংসদে কী করবেন, আমরা এদের ঠিক করে দেব।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, “লোকজন আমাকে বলছে ধ্বংসাত্মক কথা একটু কমিয়ে বলতে, গঠনমূলক কথা বলতে। আমি একটি নির্দিষ্ট বিষয় বলতে চাই—খুলনায় ভারত একটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছে, এটি পরিবেশের জন্য এবং খুলনার প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য চরম হুমকি। এটি অতি সত্বর বন্ধ করে দিতে হবে। শ্রীলঙ্কায় গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল, তাঁরাও ভারতকে লালকার্ড দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে।”
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “বিএনপি বা সরকারি দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। তাঁরা সংবিধানের দোহাই দেন। অথচ এই সংবিধানের দোহাই ইতিপূর্বেও অনেকে দিয়েছিলেন। তাঁদের পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।” তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সুবিধাভোগী যে দল নির্বাচনের পর সরকার গঠন করেছে, আজ তাঁরা সংস্কারের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করছেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকারের পাশাপাশি দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বলবে। এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং দলের যুগ্ম সদস্য সচিব ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক বলেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারী যারা আটক হয়েছে, তাদের দ্রুত দেশে এনে বিচার করতে হবে। কারা এই খুনের নেপথ্যে ছিল তাদেরও চিহ্নিত করতে হবে। পাশাপাশি ভারতে আশ্রয় পাওয়া জুলাই গণহত্যার হুকুমের আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে এনে রায় কার্যকর করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, জাতীয় নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম, ডক্টরস অ্যালায়েন্সের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মনিরুজ্জামান এবং খুলনা-১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক ওয়াহিদ উজ জামান।

ফরিদপুরের ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ম ম সিদ্দিক মিঞা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশে আবার আওয়ামী লীগের মতো হয়রানিমূলক মামলা দেওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের আগেই দলটি জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিস ও চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমর্থন চাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
১ দিন আগে
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ লঙ্ঘন করে বিএনপির সংসদ সদস্যরা আইনি ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনের।
১ দিন আগে