ফ্যাসিস্ট আমলে তরুণদের শিল্পের স্বাদ নিতে দেওয়া হয়নি: মীর হেলাল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৬, ২৩: ৩২
‘অধিকারের সংগ্রাম’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীতে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সংগৃহীত ছবি

বিগত ১৭ বছর ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকার এ দেশের তরুণদের শিল্পের স্বাদ নিতে দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘অধিকারের সংগ্রাম’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর সমাপনী দিনে পরিদর্শন শেষে তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের তরুণদের শিল্পের স্বাদ নিতে দেয়নি। অথচ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার গুরুত্বকে মূল্যায়ন করেছেন। আমরা চাই দেশের তরুণরা শিল্প ও সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত হোক।’

তিনি আরও বলেন, ‘তরুণদের এই শিল্পকর্ম আমাদের অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। চারুকলা একটি জাতির সভ্যতার আয়না। এই আয়না যত সমৃদ্ধ হবে, জাতি তত বেশি নিজেকে চিনতে ও আবিষ্কার করতে পারবে।’

মীর হেলাল উল্লেখ করেন, ১৯৫২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সাত দশকের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরার এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস পৌঁছে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মীর হেলাল বলেন, ‘দেশে সুস্থ ও প্রগতিশীল শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের দেশ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি দিতে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছেন, যা শিল্পচর্চাকে আরও উৎসাহিত করবে।’ তিনি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া তরুণ শিল্পীদের অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের সৃজনশীল উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং ‘অধিকারের সংগ্রাম’ আর্ট এক্সিবিশনের প্রধান সমন্বয়ক ও আয়োজক, বিএনপির সহ-সংগঠন সম্পাদক বেনজির আহমেদ এবং অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের সঙ্গে দেশের শিল্পচর্চার ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে চিত্রকর্মের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় এই প্রদর্শনীতে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত