নির্বাচনী হলফনামা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকলেও কখনো দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা হলফনামায় নাগরিকত্বের তথ্য দিয়ে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। এর মাধ্যমে ২০১৫ সাল থেকে তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান হলো। এমনকি বিদেশেও তাঁর কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নেই।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ৭৭টি মামলা থাকলেও বর্তমানে কোনো মামলা চলমান নেই।
বিচারাধীন ফৌজদারি মামলার বিবরণে তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, সব কটি মামলা থেকেই তিনি খালাস বা অব্যাহতি পেয়েছেন। তিনি হলফনামায় লেখেন, ‘আমার জানামতে আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত যে সকল মামলা ছিল, উহার তথ্য বিবরণী ওপরের ৩(গ) নম্বর ছকে উল্লেখ করলাম। উপরোল্লিখিত মামলাগুলো ছাড়া অন্য কোনো মামলা আমার বিরুদ্ধে চলমান থাকলে উক্ত বিষয়ে আমি অদ্যাবধি অবগত নই।’
হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন অনুসারে, তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। এই আয় মূলত শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত থেকে আসে। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।
তাঁর নিজ নামে কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা বাণিজ্যিক স্পেস নেই। তাঁর কাছে নগদ আছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। ব্যাংকে এফডিআর ও অন্যান্য আমানত হিসেবে জমা আছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত, তালিকাভূক্ত নয় এমন কোম্পানির অর্জনকালীন সময়ে শেয়ার আছে ৫ লাখ টাকার, কোম্পানি শেয়ার আছে ৪৫ লাখ টাকার, কোম্পানি আছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার।
অর্জনকালীন মূল্যে তাঁর ২ হাজার ৯৫০ টাকার অলংকার এবং ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। তাঁর কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নেই। বিদেশেও কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নেই।
তারেক রহমানের নিজের কোনো কৃষিজমি নেই। তবে ২ দশমিক ১ একর এবং ১ দশমিক ৪ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি ভবন রয়েছে, যা উপহার হিসেবে পাওয়ায় এর মূল্য অজানা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বা তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের কোনো ঋণ নেই।
স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে নগদ আছে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা। ব্যাংকে তাঁর এফডিআর ও সঞ্চয়ী আমানত রয়েছে ৩৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬০ টাকা। স্ত্রীর মোট সম্পদ ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকার এবং বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা। যৌথ মালিকানায় তাঁর ১১১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি এবং ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবন রয়েছে।
হলফনামায় তারেক রহমান নিজের পেশা হিসেবে ‘রাজনীতি’ উল্লেখ করেছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক। বয়স ৫৭ বছরের কিছু বেশি। বর্তমান ঠিকানা হিসেবে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান এভিনিউ উল্লেখ করেছেন।
তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে। আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকলেও কখনো দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা হলফনামায় নাগরিকত্বের তথ্য দিয়ে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। এর মাধ্যমে ২০১৫ সাল থেকে তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে চলা বিতর্কের অবসান হলো। এমনকি বিদেশেও তাঁর কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নেই।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ৭৭টি মামলা থাকলেও বর্তমানে কোনো মামলা চলমান নেই।
বিচারাধীন ফৌজদারি মামলার বিবরণে তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, সব কটি মামলা থেকেই তিনি খালাস বা অব্যাহতি পেয়েছেন। তিনি হলফনামায় লেখেন, ‘আমার জানামতে আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত যে সকল মামলা ছিল, উহার তথ্য বিবরণী ওপরের ৩(গ) নম্বর ছকে উল্লেখ করলাম। উপরোল্লিখিত মামলাগুলো ছাড়া অন্য কোনো মামলা আমার বিরুদ্ধে চলমান থাকলে উক্ত বিষয়ে আমি অদ্যাবধি অবগত নই।’
হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন অনুসারে, তারেক রহমানের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। এই আয় মূলত শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত থেকে আসে। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।
তাঁর নিজ নামে কোনো বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা বাণিজ্যিক স্পেস নেই। তাঁর কাছে নগদ আছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। ব্যাংকে এফডিআর ও অন্যান্য আমানত হিসেবে জমা আছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত, তালিকাভূক্ত নয় এমন কোম্পানির অর্জনকালীন সময়ে শেয়ার আছে ৫ লাখ টাকার, কোম্পানি শেয়ার আছে ৪৫ লাখ টাকার, কোম্পানি আছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার।
অর্জনকালীন মূল্যে তাঁর ২ হাজার ৯৫০ টাকার অলংকার এবং ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। তাঁর কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নেই। বিদেশেও কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ নেই।
তারেক রহমানের নিজের কোনো কৃষিজমি নেই। তবে ২ দশমিক ১ একর এবং ১ দশমিক ৪ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি ভবন রয়েছে, যা উপহার হিসেবে পাওয়ায় এর মূল্য অজানা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বা তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের কোনো ঋণ নেই।
স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে নগদ আছে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা। ব্যাংকে তাঁর এফডিআর ও সঞ্চয়ী আমানত রয়েছে ৩৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬০ টাকা। স্ত্রীর মোট সম্পদ ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকার এবং বার্ষিক আয় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা। যৌথ মালিকানায় তাঁর ১১১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি এবং ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবন রয়েছে।
হলফনামায় তারেক রহমান নিজের পেশা হিসেবে ‘রাজনীতি’ উল্লেখ করেছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক। বয়স ৫৭ বছরের কিছু বেশি। বর্তমান ঠিকানা হিসেবে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান এভিনিউ উল্লেখ করেছেন।
তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে। আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি।

সিলেটের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদাপাথর’ এলাকা থেকে পাথর লুটের ঘটনায় বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সাহাব উদ্দিনকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দিয়েছে দলটি। সাহাব উদ্দিন সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে জানা গিছে, তার বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৩৭ টাকা।
২ ঘণ্টা আগে
সারাক্ষণ বাবার ছায়াসঙ্গী হয়ে আলোচনায় এসেছেন জাইমা রহমান। বিএনপি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারেক রহমানও এক সময় এভাবে মা খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী ছিলেন। ছেলেকে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে কূটনৈতিক অনুষ্ঠানে নিজের সঙ্গে রাখতেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। জাইমার গতিবিধিও একই।
২ ঘণ্টা আগে
যে রাজনীতি শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়া দেখিয়েছেন, সেই রাজনীতি বিনির্মাণ করাই আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
৩ ঘণ্টা আগে