স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই সনদের ভিত্তিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছে এবি পার্টি। সনদের সাংবিধানিক মর্যাদা, আইনগত ভিত্তি ও এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দ্রুত বৈঠক শুরুর তাগিদ দিয়েছে তারা।
গত ১৬ আগস্ট জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। খসড়ার কোনো শব্দ, বাক্যগঠন বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো মন্তব্য থাকলে তা ২০ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে কমিশনের কার্যালয়ে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার খসড়া প্রস্তাবের ওপর লিখিত মতামত জানিয়েছে এবি পার্টি।
লিখিত মতামতে দলটি বলেছে, ‘জুলাই সনদের সাংবিধানিক মর্যাদা ও আইনগত ভিত্তি দেওয়া এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় পর্বের বৈঠক অনতিবিলম্বে শুরু হওয়া প্রয়োজন। কারণ, আমরা দাবি করছি যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুলাই সনদের ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হবে।’
জুলাই জাতীয় সনদের কোন প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য ও কোনগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তার একটি সুস্পষ্ট তালিকা প্রস্তুত করা প্রয়োজন; নয়তো ‘এই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ, সংশয় ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে।’
এছাড়া উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির প্রচলন না হলে নিম্নকক্ষে অধিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ১০০টি আসনে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেছে এবি পার্টি। তারা জানিয়েছে, এই পদ্ধতিতে জাতীয়ভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে আসন বণ্টন করা যেতে পারে।
দলটি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বিষয়ে অনুচ্ছেদ ৩০(৩) পুনর্বিবেচনারও অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যদিকে গণভোটের আয়োজন প্রসঙ্গে দলটি লিখেছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদে উল্লেখিত সংবিধান সংক্রান্ত সংস্কারের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের নিমিত্তে গণভোটের আয়োজন করা যায় কি না, সে বিষয়ে সরকার বিদ্যমান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬-এর অধিক্ষেত্র অনুযায়ী পরামর্শ চাইতে পারে। বিবেচনা ও বিশ্লেষণ করে আপিল বিভাগ যদি এই মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, “ডকট্রিন অব নেসেসিটি” এর আলোকে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট (এখতিয়ার) নির্ধারণ প্রশ্নে এই প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের অভিপ্রায় সুস্পষ্টকরণের জন্য একটি গণভোট আয়োজন জরুরি, তবে গণভোট আয়োজনে কোন বাধা থাকবে না। গণভোটে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে হ্যাঁ-সুচক ফলাফল নির্ধারিত হলে আইনগত ও রাজনৈতিক বৈধতার আর কোন পথ রুদ্ধ থাকবে না।’

জুলাই সনদের ভিত্তিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছে এবি পার্টি। সনদের সাংবিধানিক মর্যাদা, আইনগত ভিত্তি ও এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দ্রুত বৈঠক শুরুর তাগিদ দিয়েছে তারা।
গত ১৬ আগস্ট জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। খসড়ার কোনো শব্দ, বাক্যগঠন বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো মন্তব্য থাকলে তা ২০ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে কমিশনের কার্যালয়ে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার খসড়া প্রস্তাবের ওপর লিখিত মতামত জানিয়েছে এবি পার্টি।
লিখিত মতামতে দলটি বলেছে, ‘জুলাই সনদের সাংবিধানিক মর্যাদা ও আইনগত ভিত্তি দেওয়া এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় পর্বের বৈঠক অনতিবিলম্বে শুরু হওয়া প্রয়োজন। কারণ, আমরা দাবি করছি যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুলাই সনদের ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হবে।’
জুলাই জাতীয় সনদের কোন প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য ও কোনগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য নয়, তার একটি সুস্পষ্ট তালিকা প্রস্তুত করা প্রয়োজন; নয়তো ‘এই বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ, সংশয় ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে।’
এছাড়া উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির প্রচলন না হলে নিম্নকক্ষে অধিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ১০০টি আসনে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেছে এবি পার্টি। তারা জানিয়েছে, এই পদ্ধতিতে জাতীয়ভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে আসন বণ্টন করা যেতে পারে।
দলটি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বিষয়ে অনুচ্ছেদ ৩০(৩) পুনর্বিবেচনারও অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যদিকে গণভোটের আয়োজন প্রসঙ্গে দলটি লিখেছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদে উল্লেখিত সংবিধান সংক্রান্ত সংস্কারের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের নিমিত্তে গণভোটের আয়োজন করা যায় কি না, সে বিষয়ে সরকার বিদ্যমান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬-এর অধিক্ষেত্র অনুযায়ী পরামর্শ চাইতে পারে। বিবেচনা ও বিশ্লেষণ করে আপিল বিভাগ যদি এই মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, “ডকট্রিন অব নেসেসিটি” এর আলোকে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট (এখতিয়ার) নির্ধারণ প্রশ্নে এই প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের অভিপ্রায় সুস্পষ্টকরণের জন্য একটি গণভোট আয়োজন জরুরি, তবে গণভোট আয়োজনে কোন বাধা থাকবে না। গণভোটে সংবিধান সংস্কার বিষয়ে হ্যাঁ-সুচক ফলাফল নির্ধারিত হলে আইনগত ও রাজনৈতিক বৈধতার আর কোন পথ রুদ্ধ থাকবে না।’

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
গুজব ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামায়াতকে ‘রাজনৈতিকভাবে নির্মূল’ করার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে দলটি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে