স্ট্রিম প্রতিবেদক

'একটি নতুন যুদ্ধ, নতুন লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াই নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের। অনেকে অনেক কথা বলছেন, উল্টো কথা বলছেন। আমরা সেদিকে কান দেব না। নিজেদের কাজের দিকে এগিয়ে যাব।'
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার উত্তরার আজমপুর এলাকায় ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে যা-ই বলুক, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখে। তাঁরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ওপর আস্থা রেখেছিল। ঠিক একইভাবে তারা তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রাখছেন। তারা অপেক্ষা করছেন, তারেক রহমান কবে দেশে ফিরবেন, আমাদের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি অতিদ্রুত দেশে ফিরে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে নেতৃত্ব দেবেন।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাসিনা যেন ফিরে না আসতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। মুক্তি তখনই চূড়ান্ত হবে, যখন রাজনৈতিকভাবে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে পারব। যারা লুটপাট, ব্যাংক লুট, চাঁদাবাজি, মানুষের সম্পত্তি লুট করে নিয়ে যায়, তাদের বিরুদ্ধে কোন আপস নয়। তাদের সামনে আসতে দেব না।’
তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তোমারাই তো লড়াই করেছ, গুলির মুখে দাঁড়িয়েছ। নতুন বাংলাদেশ তৈরি করতে হবে, সেই বোধটা নিয়ে আসো।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আপনারা যখন গণভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন, তখন হাসিনাকে তার ছেলে-বোন বলেছে, গণভবনের দিকে লাখ লাখ মানুষ চলে এসেছে। বাঁচতে চাইলে এই মুহূর্তে পালিয়ে যাও। তা নাহলে জনগণ কী করবে তা কেউ বলতে পারে না। এটাই হয় সব ফ্যাসিস্টের পরিণতি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা অন্যায় করে, মানুষের সাথে বেইমানি করে, বোকা বানাতে চাই, লুটপাট করতে চায় তাদের শেষ পরিণতি এটাই যে, পালিয়ে যেতে হয়।’
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। আর সঞ্চালনা করেন মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মো. মোস্তফা জামান।

'একটি নতুন যুদ্ধ, নতুন লড়াই শুরু হয়েছে। এই লড়াই নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের। অনেকে অনেক কথা বলছেন, উল্টো কথা বলছেন। আমরা সেদিকে কান দেব না। নিজেদের কাজের দিকে এগিয়ে যাব।'
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার উত্তরার আজমপুর এলাকায় ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে যা-ই বলুক, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখে। তাঁরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ওপর আস্থা রেখেছিল। ঠিক একইভাবে তারা তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রাখছেন। তারা অপেক্ষা করছেন, তারেক রহমান কবে দেশে ফিরবেন, আমাদের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি অতিদ্রুত দেশে ফিরে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে নেতৃত্ব দেবেন।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাসিনা যেন ফিরে না আসতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। মুক্তি তখনই চূড়ান্ত হবে, যখন রাজনৈতিকভাবে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে পারব। যারা লুটপাট, ব্যাংক লুট, চাঁদাবাজি, মানুষের সম্পত্তি লুট করে নিয়ে যায়, তাদের বিরুদ্ধে কোন আপস নয়। তাদের সামনে আসতে দেব না।’
তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তোমারাই তো লড়াই করেছ, গুলির মুখে দাঁড়িয়েছ। নতুন বাংলাদেশ তৈরি করতে হবে, সেই বোধটা নিয়ে আসো।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আপনারা যখন গণভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন, তখন হাসিনাকে তার ছেলে-বোন বলেছে, গণভবনের দিকে লাখ লাখ মানুষ চলে এসেছে। বাঁচতে চাইলে এই মুহূর্তে পালিয়ে যাও। তা নাহলে জনগণ কী করবে তা কেউ বলতে পারে না। এটাই হয় সব ফ্যাসিস্টের পরিণতি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা অন্যায় করে, মানুষের সাথে বেইমানি করে, বোকা বানাতে চাই, লুটপাট করতে চায় তাদের শেষ পরিণতি এটাই যে, পালিয়ে যেতে হয়।’
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। আর সঞ্চালনা করেন মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মো. মোস্তফা জামান।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে