স্ট্রিম সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুরে একই আসনের বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থীর পৃথক গণমিছিলে অংশ নিতে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত দুজন হলেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী আব্দুস সহিদ (৬০) ও বিএনপির কর্মী ওবায়দুল হক (৪৫)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
আব্দুস সহিদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাঞ্চানগর এলাকার বাসিন্দা। অপরজন ওবায়দুল হক একই এলাকার আব্দুল মুনাফের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিকেলে জেলা শহরে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমের গণমিছিল ছিল। ওই মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে আব্দুস সহিদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া সন্ধ্যায় একই আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় বিএনপিকর্মী ওবায়দুল হক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মহসিন কবির মুরাদ বলেন, ‘সহিদ মিছিলে আসার পর অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করছি।’
লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন বলেন, ‘ওবায়দুল আমাদের দলের কর্মী। সে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিছিলে অংশ নিয়েছিল। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে সে মারা যায়। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।’
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আরএমও অরুপ পাল বলেন, ‘আলাদা দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।’

লক্ষ্মীপুরে একই আসনের বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থীর পৃথক গণমিছিলে অংশ নিতে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত দুজন হলেন জামায়াতে ইসলামীর কর্মী আব্দুস সহিদ (৬০) ও বিএনপির কর্মী ওবায়দুল হক (৪৫)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) অরুপ পাল তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
আব্দুস সহিদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাঞ্চানগর এলাকার বাসিন্দা। অপরজন ওবায়দুল হক একই এলাকার আব্দুল মুনাফের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিকেলে জেলা শহরে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমের গণমিছিল ছিল। ওই মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে আব্দুস সহিদ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া সন্ধ্যায় একই আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় বিএনপিকর্মী ওবায়দুল হক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মহসিন কবির মুরাদ বলেন, ‘সহিদ মিছিলে আসার পর অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করছি।’
লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন বলেন, ‘ওবায়দুল আমাদের দলের কর্মী। সে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিছিলে অংশ নিয়েছিল। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে সে মারা যায়। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।’
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আরএমও অরুপ পাল বলেন, ‘আলাদা দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিয়েছে জাতীয় পার্টি। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
যশোরের ছয়টি আসনে ৩৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ প্রার্থীকে চেনেন না ভোটাররা। এই প্রার্থীদের কারও কারও আবার নির্বাচনী অফিসই নেই।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৮ আসনে শুরুতে অভিজ্ঞ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সবাই এগিয়ে রাখলেও, দিন যত গেছে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছেন ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত শাপলা কলির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হাবিবা বেগম। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বিশাল একটি এলাকা। প্রচারের প্রথম থেকেই ঘুরছেন স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে। অনেক সময় কোলে থাকে তাঁর দুই বছরের সন্তান। এছাড়া আর কেউ নেই।
১৬ ঘণ্টা আগে