কামরুল হাসান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয় ও মতিঝিল-পল্টন নিয়ে ঢাকা-৮ আসন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি নিহতের পর আলোচনায় আসনটি। শুরুতে অভিজ্ঞ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সবাই এগিয়ে রাখলেও, দিন যত গেছে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছেন ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত শাপলা কলির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
অভিজ্ঞতার বিপরীতে গণঅভ্যুত্থানের তরুণ মুখ ঘিরে এখন অন্যতম ‘হাইভোল্টেজ’ আসনে পরিণত হয়েছে ঢাকা-৮। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বয়স ৩০ বছর। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বয়স ৭৪ বছর। আসনে মোট ভোটার প্রায় ২ লাখ ৬৬ হাজার।
এ ছাড়া এখানে লড়ছেন কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা, বাসদের (মার্কসবাদী) এএইচএম রফিকুজ্জামান আকন্দ, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি কেফায়েত উল্লাহ কাশফী, বাংলাদেশ জাসদের এএফএম ইসমাইল চৌধুরী, জাতীয় পার্টির জুবায়ের আলম খান, গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম, জনতার দলের গোলাম সরোয়ার, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রাসেল কবির, ইসলামী ফ্রন্টের এসএম সরওয়ারসহ ১১ জন।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের কারণে আসনের ফলাফল স্থানীয় নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে বলে জানিয়েছেন ভোটার ও নেতারা।
সরেজমিন দেখা যায়, অলিগলি এখন পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। মির্জা আব্বাসের সমর্থনে বিএনপির নেতাকর্মী পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী ক্যাম্প করেছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিচ্ছেন। বিশেষ করে সরকারি কলোনিতে বিএনপির প্রচার বেশ জোরালো।
অন্যদিকে, এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। তাঁর ডিজিটাল ক্যাম্পেইন তরুণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নাসীরুদ্দীন নিজেও প্রতিদিন দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট চেয়েছেন।
কমলাপুরের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন। কিন্তু একজন সংসদ সদস্য হিসেবে প্রশাসন ও সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় মির্জা আব্বাস হয়তো এগিয়ে যাবেন।’
মির্জা আব্বাস ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপি সরকারের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুসারীরা মনে করেন, এই প্রশাসনিক দক্ষতাই তাঁর বৈতরণী পারের সবচেয়ে বড় শক্তি। তবে তরুণ প্রজন্মের ভাবনা ভিন্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুল সাকিব বলেন, ‘তারুণ্য, উপস্থিত বুদ্ধি ও জুলাই আন্দোলনের অগ্রণী ভূমিকার কারণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তরুণদের পছন্দের প্রার্থী। নতুন বাংলাদেশ গড়তে তাঁকে চাইছে তরুণরা।’
নির্বাচন ঘিরে প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র হচ্ছে বাকযুদ্ধ। মির্জা আব্বাস তাঁর অবস্থান ভালো দাবি করলেও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমার অবস্থান ভালো। তবে সরকার-সমর্থিত একটি মহল ২০০৮ সালের মতো নির্বাচনকে ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিশেষ ব্যক্তিদের বসিয়ে ফলাফল প্রভাবিত করার একটি নীলনকশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।’
অন্যদিকে, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ, ‘এখানে ভোট কেনা, কেন্দ্র দখল এবং নির্বাচন কারচুপির পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বিএনপির লোকজন গিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, যাতে তারা ভোটে বিজয়ী হতে পারে।’
গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম ঢাকা-৮ আসনের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রার্থী। তিনি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, নারীদের নিরাপদে কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় ডে-কেয়ার সুবিধা চালু এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিনামূল্যে ইংরেজি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব।’ মেঘনা তিন মাস অন্তর ‘টাউন হল মিটিং’-এর মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার অঙ্গীকার করছেন।
নির্বাচিত হলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘জব লিস্টিং’ প্ল্যাটফর্ম চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সিপিবির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয় ও মতিঝিল-পল্টন নিয়ে ঢাকা-৮ আসন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি নিহতের পর আলোচনায় আসনটি। শুরুতে অভিজ্ঞ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সবাই এগিয়ে রাখলেও, দিন যত গেছে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছেন ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত শাপলা কলির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
অভিজ্ঞতার বিপরীতে গণঅভ্যুত্থানের তরুণ মুখ ঘিরে এখন অন্যতম ‘হাইভোল্টেজ’ আসনে পরিণত হয়েছে ঢাকা-৮। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বয়স ৩০ বছর। অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের বয়স ৭৪ বছর। আসনে মোট ভোটার প্রায় ২ লাখ ৬৬ হাজার।
এ ছাড়া এখানে লড়ছেন কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা, বাসদের (মার্কসবাদী) এএইচএম রফিকুজ্জামান আকন্দ, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি কেফায়েত উল্লাহ কাশফী, বাংলাদেশ জাসদের এএফএম ইসমাইল চৌধুরী, জাতীয় পার্টির জুবায়ের আলম খান, গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম, জনতার দলের গোলাম সরোয়ার, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রাসেল কবির, ইসলামী ফ্রন্টের এসএম সরওয়ারসহ ১১ জন।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের কারণে আসনের ফলাফল স্থানীয় নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে বলে জানিয়েছেন ভোটার ও নেতারা।
সরেজমিন দেখা যায়, অলিগলি এখন পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। মির্জা আব্বাসের সমর্থনে বিএনপির নেতাকর্মী পাড়া-মহল্লায় নির্বাচনী ক্যাম্প করেছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিচ্ছেন। বিশেষ করে সরকারি কলোনিতে বিএনপির প্রচার বেশ জোরালো।
অন্যদিকে, এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। তাঁর ডিজিটাল ক্যাম্পেইন তরুণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নাসীরুদ্দীন নিজেও প্রতিদিন দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট চেয়েছেন।
কমলাপুরের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছেন। কিন্তু একজন সংসদ সদস্য হিসেবে প্রশাসন ও সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় মির্জা আব্বাস হয়তো এগিয়ে যাবেন।’
মির্জা আব্বাস ঢাকার সাবেক মেয়র ও বিএনপি সরকারের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুসারীরা মনে করেন, এই প্রশাসনিক দক্ষতাই তাঁর বৈতরণী পারের সবচেয়ে বড় শক্তি। তবে তরুণ প্রজন্মের ভাবনা ভিন্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুল সাকিব বলেন, ‘তারুণ্য, উপস্থিত বুদ্ধি ও জুলাই আন্দোলনের অগ্রণী ভূমিকার কারণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তরুণদের পছন্দের প্রার্থী। নতুন বাংলাদেশ গড়তে তাঁকে চাইছে তরুণরা।’
নির্বাচন ঘিরে প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র হচ্ছে বাকযুদ্ধ। মির্জা আব্বাস তাঁর অবস্থান ভালো দাবি করলেও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ নিয়ে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমার অবস্থান ভালো। তবে সরকার-সমর্থিত একটি মহল ২০০৮ সালের মতো নির্বাচনকে ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিশেষ ব্যক্তিদের বসিয়ে ফলাফল প্রভাবিত করার একটি নীলনকশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।’
অন্যদিকে, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ, ‘এখানে ভোট কেনা, কেন্দ্র দখল এবং নির্বাচন কারচুপির পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বিএনপির লোকজন গিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, যাতে তারা ভোটে বিজয়ী হতে পারে।’
গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম ঢাকা-৮ আসনের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রার্থী। তিনি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, নারীদের নিরাপদে কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় ডে-কেয়ার সুবিধা চালু এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিনামূল্যে ইংরেজি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব।’ মেঘনা তিন মাস অন্তর ‘টাউন হল মিটিং’-এর মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার অঙ্গীকার করছেন।
নির্বাচিত হলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘জব লিস্টিং’ প্ল্যাটফর্ম চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সিপিবির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হাবিবা বেগম। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনি। দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত বিশাল একটি এলাকা। প্রচারের প্রথম থেকেই ঘুরছেন স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে। অনেক সময় কোলে থাকে তাঁর দুই বছরের সন্তান। এছাড়া আর কেউ নেই।
৪ ঘণ্টা আগে
শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মন জয় করতে আজ শেষ দিনও রাজধানীসহ সারা দেশে ব্যস্ত সময় পার করেছে দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বেশিরভাগ নেতা-ই শেষদিনের প্রচারণা চালিয়েছে রাজধানী ঢাকায়।
৪ ঘণ্টা আগে
পাহাড় থেকে সমতলে বসবাসকারী এবং ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনিক রদবদল, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দাবিতে প্রভাবিত বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
৫ ঘণ্টা আগে