স্ট্রিম প্রতিবেদক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বকালের সবচেয়ে নিরাপদ নির্বাচন করতে চান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। সেই লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ‘আমরা একটা ঐতিহাসিক, সর্বকালের সবচাইতে নিরাপদ ইলেকশন করতে চাই। সেজন্যই আমরা বেশি প্রস্তুতি নিয়েছি। পরাজিত শক্তি, ফ্যাসিস্ট শক্তি যারা হুমকি দিত, তারা নিজেরাও ডিসকারেজড। এখন আর কাউকে ওইরকম থ্রেট মনে করি না। আমরা উদাহরণ তৈরি করতে চাই, যেন ইতিহাসে এই ইলেকশনটা লেখা থাকে।’
আইজিপি বলেন, ‘নিরাপদ নির্বাচন আয়োজন করতে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন অংশীজন ও সরকারের তরফ থেকে নির্দেশনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গাইডেন্স আমরা বিবেচনায় নিয়েছি।’
নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশ মূলত তিন ধরনের ব্যবস্থা নেবে বলে জানান আইজিপি। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে ৪২ হাজার ৭৮৯টি ভোটকেন্দ্র প্রহরা এবং পরিচালনার জন্য আমাদের স্ট্যাটিক ফোর্স কিংবা স্থির ফোর্স থাকবে। এর বাইরে ভ্রাম্যমাণ পুলিশের দল থাকবে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য, আমরা স্ট্রাইকিং পুলিশ ফোর্স বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত করব।’
নির্বাচনে নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রযুক্তির ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বাহারুল আলম আরও বলেন, ‘ইলেকশন কমিশনের উদ্যোগে রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে প্রায় ৮০ ভাগ কিংবা ৯০ ভাগ কেন্দ্রে সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বডি ক্যামেরার ব্যবহার করব। এছাড়া জেলার পুলিশ সুপাররা ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন তাদের সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।’
নির্বাচনী নিরাপত্তায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮০৫ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন বলে জানান পুলিশ প্রধান। তিনি জানান, এর মধ্যে কেন্দ্রে স্ট্যাটিক ফোর্স থাকবে ৯৩ হাজার ৩৯১ জন, বাকিরা মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স। এর বাইরেও ইলেকশনের অন্যান্য সহায়তা ও থানায় থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তার জন্য ২৯ হাজার ৭৯৮ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পুলিশের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় মোট মোতায়েন হবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য।
পুলিশ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি এবং আনসার সদস্যরাও নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন আইজিপি। তিনি জানান, প্রায় ছয় লাখ আনসার সদস্য নির্বাচনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।
অস্ত্র জমা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর আমরা এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৯৫টি লাইসেন্সকৃত অস্ত্র থানায় জমা নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩১৭টি সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আহত হয়েছেন ৬০৩ জন এবং নিহত ৫ জন। আমরা মনে করি, একটা মৃত্যুও দুর্ভাগ্যজনক। আমরা চেষ্টা করি যেন একটা মৃত্যুও না হয়।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ১৬ হাজার মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করেছি। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্র।’
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনের জন্য কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত ও লাইসেন্স করা যেই অস্ত্রগুলো থানায় জমা ছিল, সেগুলোও লুট হয়েছে। এগুলোর সংখ্যা ১ হাজারের বেশি। পুলিশের যেসব অস্ত্র লুট হয়েছে তাঁর মধ্যে ১ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র এখনও উদ্ধার করতে পারিনি। এর বাইরেও বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। এখন যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট। এসব মোকাবিলার জন্য আমরা একটা ফুলপ্রুফ ব্যবস্থা রেখেছি।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বকালের সবচেয়ে নিরাপদ নির্বাচন করতে চান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। সেই লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ‘আমরা একটা ঐতিহাসিক, সর্বকালের সবচাইতে নিরাপদ ইলেকশন করতে চাই। সেজন্যই আমরা বেশি প্রস্তুতি নিয়েছি। পরাজিত শক্তি, ফ্যাসিস্ট শক্তি যারা হুমকি দিত, তারা নিজেরাও ডিসকারেজড। এখন আর কাউকে ওইরকম থ্রেট মনে করি না। আমরা উদাহরণ তৈরি করতে চাই, যেন ইতিহাসে এই ইলেকশনটা লেখা থাকে।’
আইজিপি বলেন, ‘নিরাপদ নির্বাচন আয়োজন করতে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন অংশীজন ও সরকারের তরফ থেকে নির্দেশনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গাইডেন্স আমরা বিবেচনায় নিয়েছি।’
নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশ মূলত তিন ধরনের ব্যবস্থা নেবে বলে জানান আইজিপি। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে ৪২ হাজার ৭৮৯টি ভোটকেন্দ্র প্রহরা এবং পরিচালনার জন্য আমাদের স্ট্যাটিক ফোর্স কিংবা স্থির ফোর্স থাকবে। এর বাইরে ভ্রাম্যমাণ পুলিশের দল থাকবে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য, আমরা স্ট্রাইকিং পুলিশ ফোর্স বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত করব।’
নির্বাচনে নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রযুক্তির ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বাহারুল আলম আরও বলেন, ‘ইলেকশন কমিশনের উদ্যোগে রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে প্রায় ৮০ ভাগ কিংবা ৯০ ভাগ কেন্দ্রে সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বডি ক্যামেরার ব্যবহার করব। এছাড়া জেলার পুলিশ সুপাররা ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন তাদের সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী।’
নির্বাচনী নিরাপত্তায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮০৫ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন বলে জানান পুলিশ প্রধান। তিনি জানান, এর মধ্যে কেন্দ্রে স্ট্যাটিক ফোর্স থাকবে ৯৩ হাজার ৩৯১ জন, বাকিরা মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স। এর বাইরেও ইলেকশনের অন্যান্য সহায়তা ও থানায় থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তার জন্য ২৯ হাজার ৭৯৮ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পুলিশের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় মোট মোতায়েন হবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য।
পুলিশ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি এবং আনসার সদস্যরাও নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন আইজিপি। তিনি জানান, প্রায় ছয় লাখ আনসার সদস্য নির্বাচনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।
অস্ত্র জমা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর আমরা এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৯৫টি লাইসেন্সকৃত অস্ত্র থানায় জমা নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩১৭টি সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আহত হয়েছেন ৬০৩ জন এবং নিহত ৫ জন। আমরা মনে করি, একটা মৃত্যুও দুর্ভাগ্যজনক। আমরা চেষ্টা করি যেন একটা মৃত্যুও না হয়।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ১৬ হাজার মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করেছি। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ৮ হাজার ৭৭০টি কেন্দ্র।’
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনের জন্য কতটুকু ঝুঁকিপূর্ণ, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত ও লাইসেন্স করা যেই অস্ত্রগুলো থানায় জমা ছিল, সেগুলোও লুট হয়েছে। এগুলোর সংখ্যা ১ হাজারের বেশি। পুলিশের যেসব অস্ত্র লুট হয়েছে তাঁর মধ্যে ১ হাজার ৩৩০টি অস্ত্র এখনও উদ্ধার করতে পারিনি। এর বাইরেও বিভিন্নভাবে অস্ত্র দেশে প্রবেশ করে। এখন যেকোনো অস্ত্রই থ্রেট। এসব মোকাবিলার জন্য আমরা একটা ফুলপ্রুফ ব্যবস্থা রেখেছি।’

শহিদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকে একটি ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল কোনোভাবেই দীর্ঘায়িত হবে না বলে জানিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ‘ভোটগ্রহণ শেষে ধাপে ধাপে ফলাফল প্রকাশ করা হবে এবং ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল কম্পাইল সম্পন্ন করা হবে।’
৪৪ মিনিট আগে
মঙ্গলবার ভোর থেকেই নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে গাড়িতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট অভিমুখে যাত্রা করছে লোকজন। মহাসড়কে যাত্রীবাহী যানবাহন ছাড়াও পিক-আপে (ছোট ট্রাক) রওনা দিয়েছেন অনেকে। সাচ্ছন্দ্যের জন্য অনেকেই মোটরসাইকেল ছুটছেন গন্তব্যে।
১ ঘণ্টা আগে
বৈশ্বিক দুর্নীতির ধারণা সূচকে (সিপিআই) বাংলাদেশের স্কোরে উন্নতি হলেও অবস্থানের এক ধাপ অবনতি হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় নিচ থেকে গণনা করলে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৩তম। আগের বছর এই তালিকায় বাংলাদেশ ছিল ১৪তম।
১ ঘণ্টা আগে