স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির আলোচিত বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে ‘ফুটবল’ প্রতীক পেয়েছেন। এই আসনগুলো হলো ঢাকা-৭, ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৪।
নিজেদের পছন্দের ভিত্তিতে ঢাকা-৭ আসনে ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী নেতা মোহাম্মদ ইসহাক সরকার। ঢাকা-১২ আসনে যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল্লাহ আলম নিরব এবং ঢাকা-১৪ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু)।
এই তিন আসনের মধ্যে একমাত্র ঢাকা-১২ আসনটি বিএনপি জোটের শরিক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হককে ছেড়ে দিয়েছিল। বাকি দুই আসনে বিএনপি নিজস্ব প্রার্থী দিয়েছে। ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান এবং ঢাকা-১৪ আসনে দলটির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি।
ফুটবল প্রতীক পাওয়া এই তিন বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ে ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। নির্বাচনি মাঠে তাঁদের ভূমিকা ফলাফল নির্ধারণী হতে পারে বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক।
প্রতীক বরাদ্দের পর ঢাকা-৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার বলেন, পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত পরিবেশ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “কালো টাকার প্রভাব, পেশিশক্তি ও অবৈধ অস্ত্রের ভয়মুক্ত হয়ে মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তাহলেই দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।”
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রসঙ্গে ইসহাক সরকার বলেন, “আজই আমরা প্রতীক পেয়েছি। আজ থেকেই মাঠে নামার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল থেকে পুরোদমে প্রচারণা শুরু করব।” কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানান।
অন্যদিকে ঢাকা-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু) বলেন, জনগণের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করেই এখানে দলীয় প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি এই আসনের সাবেক প্রার্থী ছিলাম এবং আমার বাবা এই আসনের সাবেক এমপি ছিলেন। ফলে এখানকার জনগণের প্রত্যাশা আমার প্রতি বেশি। তাঁরা আমাকেই তাঁদের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান।”
তিনি আরও দাবি করেন, ঢাকা-১৪ আসনের প্রতিটি অলিগলিতে তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ছাপ রয়েছে। তাঁর মতে, বিএনপির দলীয় প্রার্থীসহ প্রায় ১০ জন প্রার্থী থাকলেও তাঁর জয়ের সম্ভাবনাই বেশি। জয়ের মাধ্যমেই প্রমাণ হবে যে তিনিই এই আসনের যোগ্য প্রার্থী।
ঢাকা-১২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল্লাহ আলম নিরব প্রতীক বরাদ্দের সময় সশরীরে উপস্থিত না থেকে প্রতিনিধি পাঠান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির আলোচিত বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে ‘ফুটবল’ প্রতীক পেয়েছেন। এই আসনগুলো হলো ঢাকা-৭, ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৪।
নিজেদের পছন্দের ভিত্তিতে ঢাকা-৭ আসনে ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী নেতা মোহাম্মদ ইসহাক সরকার। ঢাকা-১২ আসনে যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল্লাহ আলম নিরব এবং ঢাকা-১৪ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু)।
এই তিন আসনের মধ্যে একমাত্র ঢাকা-১২ আসনটি বিএনপি জোটের শরিক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হককে ছেড়ে দিয়েছিল। বাকি দুই আসনে বিএনপি নিজস্ব প্রার্থী দিয়েছে। ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান এবং ঢাকা-১৪ আসনে দলটির প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি।
ফুটবল প্রতীক পাওয়া এই তিন বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ে ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। নির্বাচনি মাঠে তাঁদের ভূমিকা ফলাফল নির্ধারণী হতে পারে বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক।
প্রতীক বরাদ্দের পর ঢাকা-৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার বলেন, পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত পরিবেশ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “কালো টাকার প্রভাব, পেশিশক্তি ও অবৈধ অস্ত্রের ভয়মুক্ত হয়ে মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তাহলেই দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।”
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রসঙ্গে ইসহাক সরকার বলেন, “আজই আমরা প্রতীক পেয়েছি। আজ থেকেই মাঠে নামার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল থেকে পুরোদমে প্রচারণা শুরু করব।” কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানান।
অন্যদিকে ঢাকা-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু) বলেন, জনগণের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করেই এখানে দলীয় প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি এই আসনের সাবেক প্রার্থী ছিলাম এবং আমার বাবা এই আসনের সাবেক এমপি ছিলেন। ফলে এখানকার জনগণের প্রত্যাশা আমার প্রতি বেশি। তাঁরা আমাকেই তাঁদের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চান।”
তিনি আরও দাবি করেন, ঢাকা-১৪ আসনের প্রতিটি অলিগলিতে তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ছাপ রয়েছে। তাঁর মতে, বিএনপির দলীয় প্রার্থীসহ প্রায় ১০ জন প্রার্থী থাকলেও তাঁর জয়ের সম্ভাবনাই বেশি। জয়ের মাধ্যমেই প্রমাণ হবে যে তিনিই এই আসনের যোগ্য প্রার্থী।
ঢাকা-১২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল্লাহ আলম নিরব প্রতীক বরাদ্দের সময় সশরীরে উপস্থিত না থেকে প্রতিনিধি পাঠান।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) । ওই দিন নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে যাওয়া দলগুলো শরিকদের জন্য আসন ছেড়ে দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে। তবে সমঝোতা অনুযায়ী ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৃহৎ শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাঁচটি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
২ ঘণ্টা আগে
উত্তরবঙ্গের আট জেলায় নির্বাচনি সভা করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আগামী শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) তিনি এ সফর করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নির্বাচনী জোটে এনসিপি ৩০ আসনে লড়ার কথা। এর মধ্যে ২৯টি আসনে এককভাবে আর একটি আসন জোটের প্রার্থীদের জন্য থাকবে উন্মুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে