স্ট্রিম প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার প্রদর্শনী স্থগিত নিয়ে ‘ধূম্রজাল’ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। হেফাজতে ইসলামের এই শীর্ষ নেতা বিষয়টি খোলাসা করার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনীর আয়োজন করে। পরে জেলার কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নামের সংগঠনের দাবির মুখে প্রদর্শন বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
পবিত্র হজ শেষে এখনো সৌদি আরবে রয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক। সেখান থেকে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, আলেম সমাজের ধর্মীয় কার্যক্রমকে প্রধান দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। এর একভাগে সেসব কাজ যা করা হয় মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে। আরেকভাগে রয়েছে সেসব কাজ যা করা হয় প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মাধ্যমে।
মামুনুল হক লেখেন, বর্তমান আলোচিত বনলতা এক্সপ্রেস নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সৃষ্ট পরিস্থিতি উপরোক্ত বিশ্লেষণের আলোকে বিবেচনার দাবি রাখে। ধর্মপ্রাণ মানুষের আবেগ অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো কোনো আপত্তিকর ঘটনা সংগঠিত হয়েছে কিনা, সেগুলো আলোচনায় আসা দরকার। পবিত্র বায়তুল্লাহ শরীফের অবমাননা হয়ে থাকলে তো বিষয়টি খুবই গুরুতর।
তিনি লেখেন, ঘটনার আলোচনায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফের অবমাননা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ফখরে বাঙাল তাজুল ইসলাম রাহিমাহুল্লাহর সম্মানহানির মতো গুরুতর অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মানুষের ক্ষোভের কারণ যদি এমন কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে, তবে তা দ্রুত আমলে নিয়ে সুরাহা করা জরুরি মনে করি। আর যদি নিছক একটি সিনেমার প্রদর্শনী প্রতিবাদের মুখ্য বিবেচ্য হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি আরেক পর্যায়ের।
মামুনুল হক আরও লেখেন, একটি ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়ে আছে। বিষয়টি খোলাসা হওয়া প্রয়োজন। আলেম সমাজ ও ইসলামী জনতার প্রতিবাদী ভূমিকা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য এবং গ্রহণযোগ্য হওয়া জরুরি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার প্রদর্শনী স্থগিত নিয়ে ‘ধূম্রজাল’ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। হেফাজতে ইসলামের এই শীর্ষ নেতা বিষয়টি খোলাসা করার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনীর আয়োজন করে। পরে জেলার কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ নামের সংগঠনের দাবির মুখে প্রদর্শন বন্ধ হয়ে যায়। এ নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
পবিত্র হজ শেষে এখনো সৌদি আরবে রয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক। সেখান থেকে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, আলেম সমাজের ধর্মীয় কার্যক্রমকে প্রধান দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। এর একভাগে সেসব কাজ যা করা হয় মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে। আরেকভাগে রয়েছে সেসব কাজ যা করা হয় প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মাধ্যমে।
মামুনুল হক লেখেন, বর্তমান আলোচিত বনলতা এক্সপ্রেস নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সৃষ্ট পরিস্থিতি উপরোক্ত বিশ্লেষণের আলোকে বিবেচনার দাবি রাখে। ধর্মপ্রাণ মানুষের আবেগ অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো কোনো আপত্তিকর ঘটনা সংগঠিত হয়েছে কিনা, সেগুলো আলোচনায় আসা দরকার। পবিত্র বায়তুল্লাহ শরীফের অবমাননা হয়ে থাকলে তো বিষয়টি খুবই গুরুতর।
তিনি লেখেন, ঘটনার আলোচনায় পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফের অবমাননা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ফখরে বাঙাল তাজুল ইসলাম রাহিমাহুল্লাহর সম্মানহানির মতো গুরুতর অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মানুষের ক্ষোভের কারণ যদি এমন কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে, তবে তা দ্রুত আমলে নিয়ে সুরাহা করা জরুরি মনে করি। আর যদি নিছক একটি সিনেমার প্রদর্শনী প্রতিবাদের মুখ্য বিবেচ্য হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি আরেক পর্যায়ের।
মামুনুল হক আরও লেখেন, একটি ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়ে আছে। বিষয়টি খোলাসা হওয়া প্রয়োজন। আলেম সমাজ ও ইসলামী জনতার প্রতিবাদী ভূমিকা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য এবং গ্রহণযোগ্য হওয়া জরুরি।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে