স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামি শক্তির ঐক্য আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার বার্তা দিয়েছে চারটি ইসলামপন্থী দল। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলগুলোর বৈঠকে এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেতারা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদ স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, বৈঠকে সমমনা ইসলামি দলগুলোর ঐক্যকে আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারণের বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসময় ইসলামি শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রেখে জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেতারা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ড. আহমদ আবদুল কাদেরের খেলাফত মজলিস ও নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা অংশ নেন।
এই জোটে শুরু থেকেই যুক্ত ছিল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, এই বৈঠকে যদিও তাঁদের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেননি। অবশ্য দলটি এর আগের বৈঠকেও অংশ নেয়নি। এছাড়া নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই জোটে শিগগিরই খেলাফত আন্দোলনেরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে তাদেরও কোনো প্রতিনিধিত্ব ছিল না।
সপ্তাহখানেক আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জমিয়তের একজন শীর্ষ নেতা স্ট্রিমকে বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তাঁদের পুরোনো আদর্শিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। কওমিধারার ইসলামপন্থী দলগুলোর যে মোর্চা হতে যাচ্ছে সেটি জামায়াতের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখছে। মূলত এ কারণেই জমিয়ত বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না।
১৮ আগস্ট জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাব না। নন-জামায়াতিদের নিয়ে তো আমরা বারবার বসেছি। কিন্তু উনারা আমাদের সঙ্গে মিটিং করেন, আবার উনাদের (জামায়াতের) সঙ্গেও মিটিং করেন।’
মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন ও ড. মুস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী ও মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইজহার, এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
বৈঠক শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নেতারা। তাঁরা এই সনদের ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় নির্বাচন চান। তা না হলে সমমনা ইসলামি দলগুলোর কাছে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামি শক্তির ঐক্য আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার বার্তা দিয়েছে চারটি ইসলামপন্থী দল। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলগুলোর বৈঠকে এ ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেতারা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদ স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, বৈঠকে সমমনা ইসলামি দলগুলোর ঐক্যকে আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারণের বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসময় ইসলামি শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রেখে জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নেতারা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মাওলানা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ড. আহমদ আবদুল কাদেরের খেলাফত মজলিস ও নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা অংশ নেন।
এই জোটে শুরু থেকেই যুক্ত ছিল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, এই বৈঠকে যদিও তাঁদের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেননি। অবশ্য দলটি এর আগের বৈঠকেও অংশ নেয়নি। এছাড়া নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই জোটে শিগগিরই খেলাফত আন্দোলনেরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে তাদেরও কোনো প্রতিনিধিত্ব ছিল না।
সপ্তাহখানেক আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জমিয়তের একজন শীর্ষ নেতা স্ট্রিমকে বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তাঁদের পুরোনো আদর্শিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। কওমিধারার ইসলামপন্থী দলগুলোর যে মোর্চা হতে যাচ্ছে সেটি জামায়াতের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখছে। মূলত এ কারণেই জমিয়ত বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না।
১৮ আগস্ট জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাব না। নন-জামায়াতিদের নিয়ে তো আমরা বারবার বসেছি। কিন্তু উনারা আমাদের সঙ্গে মিটিং করেন, আবার উনাদের (জামায়াতের) সঙ্গেও মিটিং করেন।’
মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন ও ড. মুস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী ও মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইজহার, এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
বৈঠক শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নেতারা। তাঁরা এই সনদের ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় নির্বাচন চান। তা না হলে সমমনা ইসলামি দলগুলোর কাছে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬