তৌফিক হাসান

ঢাকা-১৮ আসনে (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান) সাংগঠনিক ভিত্তি তেমন না থাকলেও পরিচিত প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না। এলাকার ছেলে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন আগে থেকেই কাজ করছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্ব জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরিফুল ইসলাম আদিবকে সমর্থন দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামের নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
আসনের বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। প্রতিদিন মাইকিং করে প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া হচ্ছে। ভোটাররা বলছেন, এখানে ১০ প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে তিনজনের মধ্যে। তাদের মধ্যে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে যাঁর প্রতিশ্রুতি কার্যকর মনে হবে, তাঁকেই বেছে নেবেন ভোটাররা।
ঢাকা-১৮ আসন উত্তরা, এয়ারপোর্ট, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও মোল্লারটেক নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৮৩। পুরুষ ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫০; নারী ৩ লাখ ৮২৭ ও তৃতীয় লিঙ্গের ছয়জন ভোটার রয়েছেন।
নির্বাচনে বিএনপি, এনসিপি ও নাগরিক ঐক্যের বাইরে প্রার্থী হয়েছেন– ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী সাবিনা জাবেদ (আম মার্কা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার হোসেন (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের জসিম উদ্দিন (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির জাকির হোসেন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সৈয়দ হারুন অর রশীদ (মই), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল হোসেন (হরিণ) ও মহিউদ্দিন হাওলাদার (রেল ইঞ্জিন)।
নাগরিকের বিবেচনায় যেসব বিষয়, কী বলছেন প্রার্থীরা
উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের রানাভোলা এলাকার ভোটার ইমন সরকার জীবনে প্রথম ভোট দেওয়া নিয়ে উদগ্রীব। ইমন স্ট্রিমকে জানান, তাদের এখানে ধানের শীষকে সবাই এগিয়ে রাখছেন। তবে তিনি নিজে মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা যিনি উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের যিনি কথা ভাবছেন, তাঁকে ভোট দেবেন।
একই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ধানের শীষ, শাপলা কলি ও কেটলির প্রার্থীকে নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। আমি চাই ইনসাফের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হোক। দুর্নীতি, সরকারি অফিসে হয়রানি যে প্রার্থী বন্ধ করতে পারবেন, তাঁর পক্ষে থাকব।
নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মান্না স্ট্রিমকে জানান, তাঁর দল কাজ করছে, মানুষ ভালো সাড়া দিচ্ছেন। তবে অর্থসহ লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় প্রচারে কেটলি পেরে উঠছে না। তিনি বলেন, ‘আমি জয়ের ব্যাপারে একদম নিশ্চিত, তা বলব না। তবে চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষের অবস্থান দেখে আমি আশাবাদী। বিজয়ী হলে সংসদীয় আসনের একাংশ রাজধানী শহর, অন্য অংশ শহরতলীয় নয়– এই বৈষম্য দূর করব। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকব।’
দক্ষিণখান সওদাগর পাড়ায় তিন দশক ধরে বসবাস করছেন জুলহাস মিয়া। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, সরাসরি জামায়াত প্রার্থী দিলে নির্বাচন জমে উঠত। কারণ এখানে জামায়াতের প্রচুর সমর্থন রয়েছে। কেউ মুখে কিছু বলছেন না। কিন্তু মনে মনে প্রার্থী ঠিক করে রেখেছেন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিব স্ট্রিমকে বলেন, ৫৪ বছর ধরে দেশে পেশীশক্তির যে রাজনীতি, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে তার বিদায় ঘণ্টা বাজবে। আমরা মানুষের দুয়ারে যাচ্ছি, ছোট ছোট উঠান বৈঠক, জনসংযোগ ও মিছিল করছি, সবাই অভূতপূর্ব সাড়া দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও ইনসাফের নগরী গড়ে তুলতে ১১ দফা ইশতেহার দিয়েছি। বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করব। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন, এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতে কাজ করব।
উত্তরখানের শাহ কবির মাজার রোডের বাসিন্দা বাবুল মিয়া জানান, মানুষের মুখে মুখে ধানের শীষের জাহাঙ্গীরের নাম। আবার প্রতিপক্ষ বিএনপির নানা অপকর্ম তুলে ধরছেন। ফলে দিন শেষে কে জিতবে, তা বলা কঠিন।
স্থানীয় চা দোকানি মো. শাহজাহান বলেন, এবার নির্বাচনে তেমন উৎসব নেই। দোকানে যাদের আলাপ শুনি, তারা জামায়াত সমর্থিত আরিফুল ইসলাম আদিবের কথা বেশি বলছেন। চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও গ্যাসের সমস্যার যিনি সমস্যা করবেন, আমি চাই তিনি বিজয়ী হোক।
বিএনপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এলাকার যা উন্নয়ন বিএনপি করেছে। বিগত ১৭ বছরে কেউ একটি ইটও গাঁথেনি। উত্তরাবাসী বিজয়ী করলে, অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করব। দ্বিধাবিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ এবং দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করব।
রেল ইঞ্জিন প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন হাওলাদার স্ট্রিমকে বলেন, আমি সব প্রার্থীকে সম্মান করি। মানুষ কাকে ভোট দেবে, সেটি একান্ত তাঁর ব্যপার। এখানে প্রত্যেকেই দলীয় প্রার্থী। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে তাদের নিজস্ব চিন্তা নেই। আমরা জনগণের প্রতিনিধি। আশা করছি, তারা আমার ওপর আস্থা রাখবেন।

ঢাকা-১৮ আসনে (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান) সাংগঠনিক ভিত্তি তেমন না থাকলেও পরিচিত প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না। এলাকার ছেলে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন আগে থেকেই কাজ করছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃত্ব জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরিফুল ইসলাম আদিবকে সমর্থন দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামের নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
আসনের বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। প্রতিদিন মাইকিং করে প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া হচ্ছে। ভোটাররা বলছেন, এখানে ১০ প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে তিনজনের মধ্যে। তাদের মধ্যে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে যাঁর প্রতিশ্রুতি কার্যকর মনে হবে, তাঁকেই বেছে নেবেন ভোটাররা।
ঢাকা-১৮ আসন উত্তরা, এয়ারপোর্ট, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও মোল্লারটেক নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৮৩। পুরুষ ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫০; নারী ৩ লাখ ৮২৭ ও তৃতীয় লিঙ্গের ছয়জন ভোটার রয়েছেন।
নির্বাচনে বিএনপি, এনসিপি ও নাগরিক ঐক্যের বাইরে প্রার্থী হয়েছেন– ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী সাবিনা জাবেদ (আম মার্কা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার হোসেন (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের জসিম উদ্দিন (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির জাকির হোসেন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সৈয়দ হারুন অর রশীদ (মই), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল হোসেন (হরিণ) ও মহিউদ্দিন হাওলাদার (রেল ইঞ্জিন)।
নাগরিকের বিবেচনায় যেসব বিষয়, কী বলছেন প্রার্থীরা
উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের রানাভোলা এলাকার ভোটার ইমন সরকার জীবনে প্রথম ভোট দেওয়া নিয়ে উদগ্রীব। ইমন স্ট্রিমকে জানান, তাদের এখানে ধানের শীষকে সবাই এগিয়ে রাখছেন। তবে তিনি নিজে মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা যিনি উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের যিনি কথা ভাবছেন, তাঁকে ভোট দেবেন।
একই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ধানের শীষ, শাপলা কলি ও কেটলির প্রার্থীকে নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। আমি চাই ইনসাফের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হোক। দুর্নীতি, সরকারি অফিসে হয়রানি যে প্রার্থী বন্ধ করতে পারবেন, তাঁর পক্ষে থাকব।
নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মান্না স্ট্রিমকে জানান, তাঁর দল কাজ করছে, মানুষ ভালো সাড়া দিচ্ছেন। তবে অর্থসহ লজিস্টিক সাপোর্ট না থাকায় প্রচারে কেটলি পেরে উঠছে না। তিনি বলেন, ‘আমি জয়ের ব্যাপারে একদম নিশ্চিত, তা বলব না। তবে চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষের অবস্থান দেখে আমি আশাবাদী। বিজয়ী হলে সংসদীয় আসনের একাংশ রাজধানী শহর, অন্য অংশ শহরতলীয় নয়– এই বৈষম্য দূর করব। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকব।’
দক্ষিণখান সওদাগর পাড়ায় তিন দশক ধরে বসবাস করছেন জুলহাস মিয়া। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, সরাসরি জামায়াত প্রার্থী দিলে নির্বাচন জমে উঠত। কারণ এখানে জামায়াতের প্রচুর সমর্থন রয়েছে। কেউ মুখে কিছু বলছেন না। কিন্তু মনে মনে প্রার্থী ঠিক করে রেখেছেন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিব স্ট্রিমকে বলেন, ৫৪ বছর ধরে দেশে পেশীশক্তির যে রাজনীতি, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে তার বিদায় ঘণ্টা বাজবে। আমরা মানুষের দুয়ারে যাচ্ছি, ছোট ছোট উঠান বৈঠক, জনসংযোগ ও মিছিল করছি, সবাই অভূতপূর্ব সাড়া দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও ইনসাফের নগরী গড়ে তুলতে ১১ দফা ইশতেহার দিয়েছি। বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করব। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন, এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতে কাজ করব।
উত্তরখানের শাহ কবির মাজার রোডের বাসিন্দা বাবুল মিয়া জানান, মানুষের মুখে মুখে ধানের শীষের জাহাঙ্গীরের নাম। আবার প্রতিপক্ষ বিএনপির নানা অপকর্ম তুলে ধরছেন। ফলে দিন শেষে কে জিতবে, তা বলা কঠিন।
স্থানীয় চা দোকানি মো. শাহজাহান বলেন, এবার নির্বাচনে তেমন উৎসব নেই। দোকানে যাদের আলাপ শুনি, তারা জামায়াত সমর্থিত আরিফুল ইসলাম আদিবের কথা বেশি বলছেন। চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও গ্যাসের সমস্যার যিনি সমস্যা করবেন, আমি চাই তিনি বিজয়ী হোক।
বিএনপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এলাকার যা উন্নয়ন বিএনপি করেছে। বিগত ১৭ বছরে কেউ একটি ইটও গাঁথেনি। উত্তরাবাসী বিজয়ী করলে, অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করব। দ্বিধাবিভক্ত সমাজকে ঐক্যবদ্ধ এবং দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করব।
রেল ইঞ্জিন প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন হাওলাদার স্ট্রিমকে বলেন, আমি সব প্রার্থীকে সম্মান করি। মানুষ কাকে ভোট দেবে, সেটি একান্ত তাঁর ব্যপার। এখানে প্রত্যেকেই দলীয় প্রার্থী। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে তাদের নিজস্ব চিন্তা নেই। আমরা জনগণের প্রতিনিধি। আশা করছি, তারা আমার ওপর আস্থা রাখবেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বিসিক শিল্প নগরী এক সময় কর্মচঞ্চল থাকলেও গ্যাস সংকটের কারণে বর্তমানে সেখানকার অধিকাংশ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন কোনো শিল্প উদ্যোক্তা এই অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
৮ মিনিট আগে
তিনি বলেন, ‘লাঙ্গল, নৌকা, ধানের শীষ; সব তো পরীক্ষা হয়ে গেছে। দাঁড়িপাল্লার পরীক্ষা হতে বাকি। ১১ দলে আরও অনেক প্রতীক আছে, আমরা সবাই নতুন; আমরা কখনো রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাইনি। আমরা অঙ্গীকার করেছি—সততা, দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ একটি মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবো।’
২৪ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকার কোল ঘেঁষে মানিকগঞ্জের অবস্থান হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এই জেলার অনেক জনপদে। বিশেষ করে মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর, হরিরামপুর ও সদরের দুটি ইউনিয়ন) সংসদীয় আসনের হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চল যেন এক অবহেলিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।
৩৭ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ইশতেহারে নাগরিকের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ৫ হাজার টাকা মাসিক ভাতা, যুবঋণ, কৃষিকার্ড, নারী পোশাককর্মীদের আবাসনসহ ১২ দফা বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।
৪২ মিনিট আগে