স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচনে শৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, জনগণ বসে থাকবে না। তারা দায়িত্ব ঠিকই পালন করবে এবং সুষ্ঠু ভোট আদায় করে ছাড়বে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘কারও আনুকূল্যও চাই না, আবার অন্য কাউকে আনুকূল্য দেখানো হোক, সেটাও আমরা দেখতে চাই না। আমরা অতীতের মতো আর কাউকে দেখতে চাই না যে সরকারি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী-কর্মকর্তা হয়ে কেউ নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নিবেন। এটা আমরা একেবারেই দেখতে চাচ্ছি না। আমরা চাই সবাই নিরপেক্ষতার সঙ্গে যার যার জায়গা থেকে এ দায়িত্ব পালন করবেন।’
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ দায়িত্বশীলরা একসাথে বসেছিলাম। আমরা দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করেছি।’
তিনি বলেন, আমরা সারাদেশে সর্বত্র আমাদের প্রচারণার শুরু থেকে গণভোটে হ্যাঁ, এই মোটিভেশন নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি এবং আমরা আশাবাদী ইনশাআল্লাহ বিপুল ব্যবধানে হ্যাঁ বিজয়ী হবে।
হ্যাঁ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ জিতে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ বিজয়ী হলে ইনশাআল্লাহ জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হওয়ার পথ খুলে যাবে। হ্যাঁ যদি বিজয়ী হয় তাহলে অতীতের নির্যাতন নিপীড়নের অবসান ঘটবে এবং তার যৌক্তিক ন্যায়সংগত বিচার হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবারকার নির্বাচনে আমরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি যে মানুষের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। যাদের ভোট গ্রামে আছে, তারা দলে দলে অনেকটা ঈদের উচ্ছ্বাস এবং আনন্দের মতো তারা গ্রামে ফিরে যাচ্ছে। সেখানে তারা ভোট দিতে চায় এবং তারা তাদের মনের মত সরকারও দেখতে চায়।’
জনগণের সচেতনতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধেই সকল অপতৎপরতার উপযুক্ত জবাব হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা বিশ্বাস করি আমাদের যুবসমাজ ঘুমিয়ে পড়েনি। তাদের অসমাপ্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য তারা এই নির্বাচনকে সফল করে তুলবে ইনশআল্লাহ যে কোন মূল্যের বিনিময়ে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পিছন পথে কেউ এসে কিছু করে সফল হতে পারবেন এটা আমরা মনে করি না। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের সকলের প্রতি আমাদের অনুরোধ, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে ন্যায়নিষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।’
এবারের নির্বাচনের দিনেও বহু ধরনের রিউমার ছড়ানো হতে পারে শঙ্কা প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘১১ দলের পক্ষ থেকে আমরা জনগণকে আহ্বান জানাবো, কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য না যাওয়া পর্যন্ত এ ধরনের কোন বিভ্রান্তিমূলক কথায় মোটেও কান দেবেন না। যারা পরাজয়ের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত, যেকোনো পক্ষ যেকোন কাজ করতে পারে। মিথ্যা অপবাদ ছড়াতে পারে, ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য।’
ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘ভোটাধিকার প্রয়োগ করে রেজাল্ট হাতে না নিয়ে আপনারা কেউ ফিরবেন না। কারণ আপনি ভোট দেওয়ার পরেও আপনার ভোট নয়ছয় হয়ে যেতে পারে। আবার ভোট দেওয়ার আগেও বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, এই সবকিছুকে মোকাবেলা করেই ইনশা আল্লাহ বীরের জাতি ১২ তারিখের নির্বাচনকে সফল করে তুলবে এবং সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হবে।’

নির্বাচনে শৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত বাহিনীকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, জনগণ বসে থাকবে না। তারা দায়িত্ব ঠিকই পালন করবে এবং সুষ্ঠু ভোট আদায় করে ছাড়বে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘কারও আনুকূল্যও চাই না, আবার অন্য কাউকে আনুকূল্য দেখানো হোক, সেটাও আমরা দেখতে চাই না। আমরা অতীতের মতো আর কাউকে দেখতে চাই না যে সরকারি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী-কর্মকর্তা হয়ে কেউ নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নিবেন। এটা আমরা একেবারেই দেখতে চাচ্ছি না। আমরা চাই সবাই নিরপেক্ষতার সঙ্গে যার যার জায়গা থেকে এ দায়িত্ব পালন করবেন।’
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ দায়িত্বশীলরা একসাথে বসেছিলাম। আমরা দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করেছি।’
তিনি বলেন, আমরা সারাদেশে সর্বত্র আমাদের প্রচারণার শুরু থেকে গণভোটে হ্যাঁ, এই মোটিভেশন নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি এবং আমরা আশাবাদী ইনশাআল্লাহ বিপুল ব্যবধানে হ্যাঁ বিজয়ী হবে।
হ্যাঁ বিজয়ী হলে বাংলাদেশ জিতে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ বিজয়ী হলে ইনশাআল্লাহ জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হওয়ার পথ খুলে যাবে। হ্যাঁ যদি বিজয়ী হয় তাহলে অতীতের নির্যাতন নিপীড়নের অবসান ঘটবে এবং তার যৌক্তিক ন্যায়সংগত বিচার হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবারকার নির্বাচনে আমরা স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি যে মানুষের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। যাদের ভোট গ্রামে আছে, তারা দলে দলে অনেকটা ঈদের উচ্ছ্বাস এবং আনন্দের মতো তারা গ্রামে ফিরে যাচ্ছে। সেখানে তারা ভোট দিতে চায় এবং তারা তাদের মনের মত সরকারও দেখতে চায়।’
জনগণের সচেতনতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধেই সকল অপতৎপরতার উপযুক্ত জবাব হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা বিশ্বাস করি আমাদের যুবসমাজ ঘুমিয়ে পড়েনি। তাদের অসমাপ্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য তারা এই নির্বাচনকে সফল করে তুলবে ইনশআল্লাহ যে কোন মূল্যের বিনিময়ে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘পিছন পথে কেউ এসে কিছু করে সফল হতে পারবেন এটা আমরা মনে করি না। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের সকলের প্রতি আমাদের অনুরোধ, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে ন্যায়নিষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।’
এবারের নির্বাচনের দিনেও বহু ধরনের রিউমার ছড়ানো হতে পারে শঙ্কা প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘১১ দলের পক্ষ থেকে আমরা জনগণকে আহ্বান জানাবো, কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য না যাওয়া পর্যন্ত এ ধরনের কোন বিভ্রান্তিমূলক কথায় মোটেও কান দেবেন না। যারা পরাজয়ের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত, যেকোনো পক্ষ যেকোন কাজ করতে পারে। মিথ্যা অপবাদ ছড়াতে পারে, ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য।’
ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘ভোটাধিকার প্রয়োগ করে রেজাল্ট হাতে না নিয়ে আপনারা কেউ ফিরবেন না। কারণ আপনি ভোট দেওয়ার পরেও আপনার ভোট নয়ছয় হয়ে যেতে পারে। আবার ভোট দেওয়ার আগেও বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, এই সবকিছুকে মোকাবেলা করেই ইনশা আল্লাহ বীরের জাতি ১২ তারিখের নির্বাচনকে সফল করে তুলবে এবং সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হবে।’

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬