স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘জনগণের অংশগ্রহণ ও সমর্থন ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সফল হতে পারে না। জনসমর্থন ছাড়া কিছু করা হলে তা গণতন্ত্রের মূলনীতিকে ব্যাহত করে। ’
আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জনগণের কাছে নিজ দলের ম্যান্ডেট নিতে হবে এবং গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ’
নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘আগামী দিনের বাংলাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়নের জন্য বিএনপি কাজ করবে। এজন্য আর্থিক, নৈতিক ও মানবিক বিনিয়োগ জরুরি এবং সরকারের দায়িত্ব হলো সেই বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।’
তিনি বলেন, ‘দানের মাধ্যমে জীবনের পরিবর্তন হয় না। ক্ষমতায়নের মাধ্যমে মানুষ তার দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।’
এসময় তিনি দেশের সম্পদ সৃষ্টি ও বণ্টনের জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন।
বিএনপির রাজনীতি নিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি কেবল উন্নয়ন নয়, এটি উৎপাদন ও ক্ষমতায়নের রাজনীতি। দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি হয় এবং সেই সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা যায়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড পূর্ণ করা সম্ভব হবে।’
আমির খসরু বয়স্ক নাগরিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ তখনই অক্ষম হয় যখন তার কার্যক্রম থাকে না। তাই, সঠিক বিনিয়োগ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবাই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত প্রোডাক্টিভ থাকতে পারবে।’
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘বিএনপি সকল নাগরিককে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে চায় এবং ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবাই দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। দেশের রাজনীতিতে কোনো আলাদা বিভাজন থাকবে না; সকলের জন্য বাংলাদেশ হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘জনগণের অংশগ্রহণ ও সমর্থন ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সফল হতে পারে না। জনসমর্থন ছাড়া কিছু করা হলে তা গণতন্ত্রের মূলনীতিকে ব্যাহত করে। ’
আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জনগণের কাছে নিজ দলের ম্যান্ডেট নিতে হবে এবং গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ’
নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘আগামী দিনের বাংলাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়নের জন্য বিএনপি কাজ করবে। এজন্য আর্থিক, নৈতিক ও মানবিক বিনিয়োগ জরুরি এবং সরকারের দায়িত্ব হলো সেই বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।’
তিনি বলেন, ‘দানের মাধ্যমে জীবনের পরিবর্তন হয় না। ক্ষমতায়নের মাধ্যমে মানুষ তার দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।’
এসময় তিনি দেশের সম্পদ সৃষ্টি ও বণ্টনের জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন।
বিএনপির রাজনীতি নিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি কেবল উন্নয়ন নয়, এটি উৎপাদন ও ক্ষমতায়নের রাজনীতি। দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি হয় এবং সেই সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা যায়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড পূর্ণ করা সম্ভব হবে।’
আমির খসরু বয়স্ক নাগরিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ তখনই অক্ষম হয় যখন তার কার্যক্রম থাকে না। তাই, সঠিক বিনিয়োগ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবাই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত প্রোডাক্টিভ থাকতে পারবে।’
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘বিএনপি সকল নাগরিককে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে চায় এবং ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবাই দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। দেশের রাজনীতিতে কোনো আলাদা বিভাজন থাকবে না; সকলের জন্য বাংলাদেশ হবে।’

বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি প্রচারে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এনেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এসবকে নির্বাচনের আগে কেন্দ্র দখল ও ভোটারকে ভয় দেখানোর প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে