স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর রাজনৈতিক দলগুলো দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জাতীয় সমন্বয় সভায় অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘অনেকগুলো দলই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু সনদ স্বাক্ষরের পর রাজনৈতিক দলগুলো এখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। এদের মধ্যে এক অংশ চায়, সনদে স্বাক্ষরের পরও সেই স্বাক্ষর মুছে দিতে। আরেক অংশ চায়, সনদে স্বাক্ষর থাকুক কিন্তু সেটা শুধু একটা কাগুজে দলিল হয়েই থাকুক।’
সনদে এনসিপির চাওয়া নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘দুই অংশের কারও চাওয়ার সাথে এনসিপির মিল নেই। এনসিপি চায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হোক। এটা বাস্তবায়নের একমাত্র পথই হচ্ছে আইনি ভিত্তি দেওয়া।’
জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয় টেনে আখতার হোসেন বলেন, ‘সরকারকে জুলাই ঘোষণাপত্রের দাবি জানিয়েছিলাম কিন্তু সরকার ঘোষণাপত্রে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বয়ান নিয়ে এসেছে। ঘোষণাপত্রে এদেশের জনগণের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। জুলাই সনদেও এই জাতি প্রতারিত হোক সেটা আমরা চাই না।’
এদিকে আজ বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল এখন জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে।’
সালাহউদ্দিন কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ওই দলটির কিছু দাবি-দাওয়া আছে।
সালাহউদ্দিনের এই মন্তব্য টেনে আখতার হোসেন বলেন, ‘যারা বলছে একটি দল সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে, তাদের বলতে চাই, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না থাকলে এনসিপি কোনোভাবেই স্বাক্ষর করবে না। সনদের সবকিছু জনগণের সামনে পরিষ্কার করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা সাংবিধানিক আদেশ দিবে সেটাও স্পষ্ট করতে হবে আমাদেরকে। তাহলেই কেবল আমরা (এনসিপি) জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব।’
বাগছাস আয়োজিত এই সমন্বয় সভায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ নাম পরিবর্তন করে 'জাতীয় ছাত্রশক্তি' করা হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ এই নাম ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর রাজনৈতিক দলগুলো দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জাতীয় সমন্বয় সভায় অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘অনেকগুলো দলই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু সনদ স্বাক্ষরের পর রাজনৈতিক দলগুলো এখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। এদের মধ্যে এক অংশ চায়, সনদে স্বাক্ষরের পরও সেই স্বাক্ষর মুছে দিতে। আরেক অংশ চায়, সনদে স্বাক্ষর থাকুক কিন্তু সেটা শুধু একটা কাগুজে দলিল হয়েই থাকুক।’
সনদে এনসিপির চাওয়া নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘দুই অংশের কারও চাওয়ার সাথে এনসিপির মিল নেই। এনসিপি চায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হোক। এটা বাস্তবায়নের একমাত্র পথই হচ্ছে আইনি ভিত্তি দেওয়া।’
জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয় টেনে আখতার হোসেন বলেন, ‘সরকারকে জুলাই ঘোষণাপত্রের দাবি জানিয়েছিলাম কিন্তু সরকার ঘোষণাপত্রে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বয়ান নিয়ে এসেছে। ঘোষণাপত্রে এদেশের জনগণের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। জুলাই সনদেও এই জাতি প্রতারিত হোক সেটা আমরা চাই না।’
এদিকে আজ বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল এখন জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে।’
সালাহউদ্দিন কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ওই দলটির কিছু দাবি-দাওয়া আছে।
সালাহউদ্দিনের এই মন্তব্য টেনে আখতার হোসেন বলেন, ‘যারা বলছে একটি দল সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ খুঁজছে, তাদের বলতে চাই, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না থাকলে এনসিপি কোনোভাবেই স্বাক্ষর করবে না। সনদের সবকিছু জনগণের সামনে পরিষ্কার করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা সাংবিধানিক আদেশ দিবে সেটাও স্পষ্ট করতে হবে আমাদেরকে। তাহলেই কেবল আমরা (এনসিপি) জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব।’
বাগছাস আয়োজিত এই সমন্বয় সভায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ নাম পরিবর্তন করে 'জাতীয় ছাত্রশক্তি' করা হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ এই নাম ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
৩০ মিনিট আগে
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
৩ ঘণ্টা আগে