স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিপ্লবের হাতিয়ার আবারও শাণিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের হাতে তাদের ন্যায্য অধিকার তুলে না দেওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত রাখতে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে কেরানীগঞ্জে ঢাকা জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশে এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সতর্ক করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে শনিবার প্রথম কর্মসূচি কবরে জামায়াতসহ ১১-দলীয় জোট। এই কর্মসূচি হবে নিয়মতান্ত্রিক। তবে কেউ সহিংসতা করতে এলে তা হবে ইস্পাত কঠিন।
সমাবেশে জামায়াত আমির গণভোট ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকারের অবস্থান এবং সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে বিএনিপ নেতাদের প্রশাসক নিয়োগের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি টালমাটাল। আমরা মনে করি, এই সময়ে সবাই মিলে দেশ গড়া দরকার। সেই সদিচ্ছা নিয়ে সরকার এগিয়ে এলে স্বাগতম। আমরা তার অপেক্ষায় থাকলাম।
শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটকে অগ্রাহ্য ও অমান্য এবং জ্বালানির বাজারে বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকায় আমাদের প্রথম আন্দোলন কর্মসূচি। আমাদের কর্মসূচি হবে নিয়মতান্ত্রিক ও ইস্পাত কঠিন। আমরা সংঘাতে বিশ্বাস করি না। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে কেউ এটি করতে আসলে আমরা ইস্পাতের মতো হয়ে যাব।
দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, যতদিন আপনারা দেখবেন যে, আপনাদের অধিকারের জন্য আমরা লড়াই করছি, ততদিন আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের ভালোবাসবেন ও সমর্থন দেবেন। যেহেতু দাবিগুলো জনগণের। এজন্য আমরা আপনাদের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছি, লড়াই করেই দাবি আদায় করব।
বিচার বিভাগ, সংবাদপত্র, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা চান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা এই চার জায়গায় কোনো পরাধীনতা দেখতে চাই না। কিন্তু আমরা আশঙ্কা করছি, এসব জায়গাকে আবার পরাধীনতায় মুখর করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে চলমান সংসদে। আপনারা জাগ্রত থাকবেন। প্রতিবাদ করবেন। আওয়াজ তুলবেন। অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সবাই মিলে লড়াই করবেন।
জ্বালানি সংকটে জনজীবনের সব ক্ষেত্রে দুঃসহ যন্ত্রণা নেমে এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকার এখনো লুকোচুরি করছে। এ সময় অস্পষ্টতা থেকে তাদের বেরিয়ে এসে সবাইকে নিয়ে সংকট নিরসনের আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, জ্বালানির মাধ্যমে সমাজের চাকা চলে। এটা লজ্জার ব্যাপার, সরকার কেন সবাইকে নিয়ে খোলামনে বসছে না? বাস্তব অবস্থাকে কেন তুলে ধরছে না? আমরা সবাই এই সংকট নিরসনের অংশীদ্বার হতে চাই। আমরা তো সংকট তৈরি করতে চাই না। কিন্তু কী জানি শুধু একটা লুকোচুরি সব ব্যাপারে আমরা লক্ষ্য করছি। কী একটা অস্পষ্টতা। আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব– এ থেকে বের হয়ে আসেন।
শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধানে আছে– বাংলাদেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকারে শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। আপনারা সব জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছেন প্রশাসক। সবাই দলীয় লোক। এদের কেউ কেউ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের ম্যান্ডেট পেতে সফল হননি। এখন তাদের আরও বড় বড় জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সত্যিই আশ্চর্যের!
তিনি বলেন, এখন সরকারি দল সংবিধান সংশোধন করার কথা বলছে। এই সংবিধান ১৬-১৭ বার সংশোধন হয়েছে। এত সংশোধনের পথে ফ্যাসিবাদ আসলো কীভাবে? সংবিধানের যে ধারাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদের জন্ম হয়, আমরা ওই ধারাগুলোই সংবিধান থেকে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কার করতে চাই। সরকারি দল বলছে– তারা সংস্কার মানবে না, সংশোধন করবেন। আমরা তাদের অনুরোধ করব– যদি গণতন্ত্রে আমরা সবাই বিশ্বাসী হই, আসুন গণভোটের রায়ে সবাই এক হই।
যে জনতা খালি হাতে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করে ৫ আগস্ট পরিবর্তন এনেছিল, তাদের মৃত্যু হয় না জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, এই জনতা এখনো জীবিত, এখনো জাগ্রত। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ, যাদের নেতৃত্বে শেষমেশ ফ্যাসিস্ট দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আমরা তাদের বলব– তোমরা তোমাদের বিপ্লবের যে খালি হাতের হাতিয়ার অর্থাৎ দেশপ্রেম এবং ঈমানের হাতিয়ার সেটিকে আবার শাণিত কর। যেমন আগে নেমেছি, এখনো আবার নামব এবং জনগণের দাবি আমরা আদায় করে ছাড়ব।
ফ্যাসিবাদকে রোগ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এতে নির্দিষ্ট রোগী মারা গেলেও ফ্যাসিবাদ মারা গেছে এটা বলা যায় না। এটি একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয় এবং সেই সংক্রমণ ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ্য করছি। জনগণের রায়কে অবলীলায় অগ্রাহ্য, অপমান ও অস্বীকার করার নামই হচ্ছে ফ্যাসিবাদের সূচনা। আমরা দেশে আর ফ্যাসিবাদ চাই না।

বিপ্লবের হাতিয়ার আবারও শাণিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের হাতে তাদের ন্যায্য অধিকার তুলে না দেওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত রাখতে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে কেরানীগঞ্জে ঢাকা জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশে এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সতর্ক করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে শনিবার প্রথম কর্মসূচি কবরে জামায়াতসহ ১১-দলীয় জোট। এই কর্মসূচি হবে নিয়মতান্ত্রিক। তবে কেউ সহিংসতা করতে এলে তা হবে ইস্পাত কঠিন।
সমাবেশে জামায়াত আমির গণভোট ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকারের অবস্থান এবং সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে বিএনিপ নেতাদের প্রশাসক নিয়োগের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি টালমাটাল। আমরা মনে করি, এই সময়ে সবাই মিলে দেশ গড়া দরকার। সেই সদিচ্ছা নিয়ে সরকার এগিয়ে এলে স্বাগতম। আমরা তার অপেক্ষায় থাকলাম।
শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটকে অগ্রাহ্য ও অমান্য এবং জ্বালানির বাজারে বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকায় আমাদের প্রথম আন্দোলন কর্মসূচি। আমাদের কর্মসূচি হবে নিয়মতান্ত্রিক ও ইস্পাত কঠিন। আমরা সংঘাতে বিশ্বাস করি না। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে কেউ এটি করতে আসলে আমরা ইস্পাতের মতো হয়ে যাব।
দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, যতদিন আপনারা দেখবেন যে, আপনাদের অধিকারের জন্য আমরা লড়াই করছি, ততদিন আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের ভালোবাসবেন ও সমর্থন দেবেন। যেহেতু দাবিগুলো জনগণের। এজন্য আমরা আপনাদের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছি, লড়াই করেই দাবি আদায় করব।
বিচার বিভাগ, সংবাদপত্র, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা চান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা এই চার জায়গায় কোনো পরাধীনতা দেখতে চাই না। কিন্তু আমরা আশঙ্কা করছি, এসব জায়গাকে আবার পরাধীনতায় মুখর করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে চলমান সংসদে। আপনারা জাগ্রত থাকবেন। প্রতিবাদ করবেন। আওয়াজ তুলবেন। অধিকার কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে সবাই মিলে লড়াই করবেন।
জ্বালানি সংকটে জনজীবনের সব ক্ষেত্রে দুঃসহ যন্ত্রণা নেমে এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকার এখনো লুকোচুরি করছে। এ সময় অস্পষ্টতা থেকে তাদের বেরিয়ে এসে সবাইকে নিয়ে সংকট নিরসনের আহ্বান জানান শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, জ্বালানির মাধ্যমে সমাজের চাকা চলে। এটা লজ্জার ব্যাপার, সরকার কেন সবাইকে নিয়ে খোলামনে বসছে না? বাস্তব অবস্থাকে কেন তুলে ধরছে না? আমরা সবাই এই সংকট নিরসনের অংশীদ্বার হতে চাই। আমরা তো সংকট তৈরি করতে চাই না। কিন্তু কী জানি শুধু একটা লুকোচুরি সব ব্যাপারে আমরা লক্ষ্য করছি। কী একটা অস্পষ্টতা। আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব– এ থেকে বের হয়ে আসেন।
শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধানে আছে– বাংলাদেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকারে শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। আপনারা সব জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছেন প্রশাসক। সবাই দলীয় লোক। এদের কেউ কেউ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের ম্যান্ডেট পেতে সফল হননি। এখন তাদের আরও বড় বড় জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সত্যিই আশ্চর্যের!
তিনি বলেন, এখন সরকারি দল সংবিধান সংশোধন করার কথা বলছে। এই সংবিধান ১৬-১৭ বার সংশোধন হয়েছে। এত সংশোধনের পথে ফ্যাসিবাদ আসলো কীভাবে? সংবিধানের যে ধারাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদের জন্ম হয়, আমরা ওই ধারাগুলোই সংবিধান থেকে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কার করতে চাই। সরকারি দল বলছে– তারা সংস্কার মানবে না, সংশোধন করবেন। আমরা তাদের অনুরোধ করব– যদি গণতন্ত্রে আমরা সবাই বিশ্বাসী হই, আসুন গণভোটের রায়ে সবাই এক হই।
যে জনতা খালি হাতে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করে ৫ আগস্ট পরিবর্তন এনেছিল, তাদের মৃত্যু হয় না জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, এই জনতা এখনো জীবিত, এখনো জাগ্রত। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ, যাদের নেতৃত্বে শেষমেশ ফ্যাসিস্ট দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আমরা তাদের বলব– তোমরা তোমাদের বিপ্লবের যে খালি হাতের হাতিয়ার অর্থাৎ দেশপ্রেম এবং ঈমানের হাতিয়ার সেটিকে আবার শাণিত কর। যেমন আগে নেমেছি, এখনো আবার নামব এবং জনগণের দাবি আমরা আদায় করে ছাড়ব।
ফ্যাসিবাদকে রোগ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এতে নির্দিষ্ট রোগী মারা গেলেও ফ্যাসিবাদ মারা গেছে এটা বলা যায় না। এটি একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয় এবং সেই সংক্রমণ ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ্য করছি। জনগণের রায়কে অবলীলায় অগ্রাহ্য, অপমান ও অস্বীকার করার নামই হচ্ছে ফ্যাসিবাদের সূচনা। আমরা দেশে আর ফ্যাসিবাদ চাই না।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে