স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শূন্য হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের পদটি। এখন পর্যন্ত পদটিতে কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি। যদিও বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এই পদে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করবেন। সে হিসেবে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার কথা।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় চেয়ারম্যানের কার্যাবলী, ক্ষমতা, দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারার গ উপ-ধারায় রয়েছে, ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান। সেখানে উপ-ধারা গ (৩) এ বলা হয়েছে, যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
অবশ্য গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের নিযুক্তির জন্য আলাদা কোনো ঘোষণা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। দলীয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি কিংবা অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে এখন তারেক রহমানের পদবি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেখা হচ্ছে।
এর আগে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারার নিয়মে তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। সেই থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছেন।
তারেক রহমান প্রায় সাত বছর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর থেকে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব তিনিই সামলাচ্ছেন। বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নামের আগে ভারপ্রাপ্ত শব্দ ছাড়া অন্য কোনো পার্থক্য দেখছেন না তারা। নতুন করে ঘোষণারও প্রয়োজন দেখছেন না তারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য স্ট্রিমকে বলেন, অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কেউ এসব পদপদবি বা ঘোষণা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শূন্য হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের পদটি। এখন পর্যন্ত পদটিতে কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি। যদিও বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এই পদে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করবেন। সে হিসেবে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার কথা।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় চেয়ারম্যানের কার্যাবলী, ক্ষমতা, দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারার গ উপ-ধারায় রয়েছে, ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান। সেখানে উপ-ধারা গ (৩) এ বলা হয়েছে, যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
অবশ্য গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের নিযুক্তির জন্য আলাদা কোনো ঘোষণা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। দলীয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি কিংবা অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে এখন তারেক রহমানের পদবি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেখা হচ্ছে।
এর আগে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারার নিয়মে তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। সেই থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছেন।
তারেক রহমান প্রায় সাত বছর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর থেকে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব তিনিই সামলাচ্ছেন। বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নামের আগে ভারপ্রাপ্ত শব্দ ছাড়া অন্য কোনো পার্থক্য দেখছেন না তারা। নতুন করে ঘোষণারও প্রয়োজন দেখছেন না তারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য স্ট্রিমকে বলেন, অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কেউ এসব পদপদবি বা ঘোষণা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না।

আগামী তিন দিনের মধ্যে সব ধরনের ব্যানার ও পোস্টার সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থাকা ব্যানার খুলে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
২ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী ও কুতুবদিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশের বজায় রাখতে মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তিন দাবিতে ৯ জানুয়ারি এই সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ও জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহসহ সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে