স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে ৩০টি আসনের ফলাফল স্থগিতের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ওই আসনগুলোতে বিজয়ীদের শপথপাঠ না করানোর দাবিও জানিয়েছে দলটি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এই আসনগুলোতে ভোট জালিয়াতি, কারচুপিসহ বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে দেওয়া ফলাফলের কাগজে ঘষামাঝা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলো নির্বাচনের দিনই কমিশনকে জানিয়েছে জামায়াত।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘কিছু কিছু আসনে ফলাফল দিতে মারাত্মকভাবে দেরি হয়েছিল। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে ভোর পাঁচটায় আমরা রেজাল্ট পেয়েছি। অথচ অন্য আসনে বিদ্যুৎগতিতে রেজাল্ট দেওয়া হয়েছে। আমাদের সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্ট এমন অনেক আচরণ করা হয়েছে।‘
এসব বিষয়ে জামায়াত সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে তাঁরা ৩০ আসনের ফলাফল স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন। ওই আসনগুলোতে ফলাফল পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
জামায়াতের অভিযোগ অধিকাংশ আসনে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল রাত ৮ থেকে ৯টার ভেতর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু কেন্দ্রের ফলাফল গভীর রাত পর্যন্ত আটকে রাখা হয়েছে। যে কেন্দ্রগুলোর ফলাফল ঘোষণায় দেরি করা হয়েছে সেখানে জামায়াতকে ফেল করানো হয়েছে বলে অভিযোগ জামায়াতের।
সংবাদ সম্মেলনে সারা দেশ থেকে তথ্য নিয়ে এবং সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর তুলে ধরে নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতার চিত্র তুলে ধরেন জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। সারা দেশে বিএনপি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং এটি এখনও ঘটে চলেছে।
৩০ আসনে ৫ থেকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জালিয়াতির মাধ্যমে জামায়াতকে হারানো হয়েছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আসনের নাম ও আপত্তির কারণ তুলে ধরা হয়।

ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে ৩০টি আসনের ফলাফল স্থগিতের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ওই আসনগুলোতে বিজয়ীদের শপথপাঠ না করানোর দাবিও জানিয়েছে দলটি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এই আসনগুলোতে ভোট জালিয়াতি, কারচুপিসহ বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে দেওয়া ফলাফলের কাগজে ঘষামাঝা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিষয়গুলো নির্বাচনের দিনই কমিশনকে জানিয়েছে জামায়াত।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘কিছু কিছু আসনে ফলাফল দিতে মারাত্মকভাবে দেরি হয়েছিল। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে ভোর পাঁচটায় আমরা রেজাল্ট পেয়েছি। অথচ অন্য আসনে বিদ্যুৎগতিতে রেজাল্ট দেওয়া হয়েছে। আমাদের সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্ট এমন অনেক আচরণ করা হয়েছে।‘
এসব বিষয়ে জামায়াত সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে তাঁরা ৩০ আসনের ফলাফল স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন। ওই আসনগুলোতে ফলাফল পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
জামায়াতের অভিযোগ অধিকাংশ আসনে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল রাত ৮ থেকে ৯টার ভেতর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু কেন্দ্রের ফলাফল গভীর রাত পর্যন্ত আটকে রাখা হয়েছে। যে কেন্দ্রগুলোর ফলাফল ঘোষণায় দেরি করা হয়েছে সেখানে জামায়াতকে ফেল করানো হয়েছে বলে অভিযোগ জামায়াতের।
সংবাদ সম্মেলনে সারা দেশ থেকে তথ্য নিয়ে এবং সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর তুলে ধরে নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতার চিত্র তুলে ধরেন জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। সারা দেশে বিএনপি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং এটি এখনও ঘটে চলেছে।
৩০ আসনে ৫ থেকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জালিয়াতির মাধ্যমে জামায়াতকে হারানো হয়েছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আসনের নাম ও আপত্তির কারণ তুলে ধরা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়কে উদারপন্থী গণতন্ত্রের জয় হিসেবে অভিহিত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে ভোট গণনার সময় পরিকল্পিতভাবে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই আসনের ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক।
২ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ওসমান সরদার (২৯) মারা গেছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছি। কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।
৪ ঘণ্টা আগে