স্ট্রিম সংবাদদাতা

পাবনা-৩ ও ৪ আসনের বেশকিছু কেন্দ্রে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ভোট পুণর্গণনার দাবি জানিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেন বিক্ষোভ করেন তারা। পরে জেলা প্রশাসক আবেদনপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর জন্য গ্রহণ করলে অবস্থান ছেড়ে যান তারা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের ফলাফল ঘোষণা শেষে রাতেই পাবনা-৩ আসনের প্রার্থী কৃষকদল সভাপতি হাসান জাফির তুহিন এবং পাবনা-৪ আসনের প্রার্থী জেলা বিএনপি আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ভোট পুনর্গণনার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন।
এদিকে, বিক্ষোভ চলার সময় পাবনা সদর আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও দুই পরাজিত প্রার্থী জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন।
পরে শিমুল বিশ্বাস জানান, বিভিন্ন কেন্দ্রে সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগগুলো তারা জেলা প্রশাসককে জানিয়েছেন। তিনি আবেদনটি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছেন। আগামীকাল ঢাকায় গিয়ে তারা নির্বাচন কমিশনে কথা বলবেন।
এ বিষয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তিনি সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় কার্যালয় ত্যাগ করেন।
তবে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম বলেন, উভয় প্রার্থীর অভিযোগই নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
বেসরকারি হিসাবে, গতকাল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলী আছগার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে জয় পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন পান ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।
৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হারের পর হাসান জাফির তুহিন পুনর্গণনা আবেদনে উল্লেখ করেন, সব কেন্দ্রে ভোট গণনায় ও প্রদত্ত ফরম-১৬ এর তথ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি। অনেক ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ফলাফল না দেখিয়ে সাদা ফরম-১৬ এ সই নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের হিসাব ও মোট ফলাফলেও গড়মিল রয়েছে।
আসনের ভাঙ্গুড়া উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, মন্ডতোষ প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথমে ভোট গণনায় দাঁড়িপাল্লা ১৫০০ ও ধানের শীষ ২০০ এর মতো ভোট পেয়েছে বলা হয়। কিন্তু দাঁড়িপাল্লার ভোট আবার গুনলে ধানের শীষের আরও ২০০ ভোট বের হয়। এরপর আমাদের এজেন্ট আলামিন হোসেন আবার গণনা করতে বললে দাঁড়িপাল্লার ভোটের ভেতর ঘোড়া প্রতীকের ১০০ ভোট পাওয়া যায়।
তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে তারা প্রতিবাদ করলে প্রিসাইডিং অফিসার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ডেকে তাদের এজেন্টকে মারধর করান। ওই এজেন্ট এখন হাসপাতালে ভর্তি।
হাসান জাফির তুহিনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান বলেন, অন্তত ২৫ কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা জামাত-শিবিরের কর্মী ছিলেন। এ কারণে অভিযোগ দিলেও আমলে নেওয়া হয়নি।
একই অভিযোগ তুলে পার ভাঙ্গুড়ার হাটগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ধানের পোলিং এজেন্ট শাহাদত, তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন জানান, বাতিল ভোটের সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। এটি নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
এদিকে পাবনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ৩ হাজার ৮০১ ভোটে দাঁড়িপাল্লার আবু তালেব মন্ডলের কাছে পরাজিত হয়েছেন। হাবিবুর রহমানের কর্মীদের অভিযোগ, এই আসনের অনেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসাররা ধানের শীষের এজেন্টদের সামনে ভোট গণনা করেননি।
আসনের দিয়ার শাহাপুর ওয়ার্ডের কৃষকদলের নেতা মুকুল সরদার বলেন, ‘ভোটের শুরু থেকেই দাঁড়িপাল্লার লোকদের যত্রতত্র ঢুকতে দিয়েছে। আমরা আশেপাশে গেলেই পেটানো হইছে। ওই ওয়ার্ডে পুরুষ কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট বরকত মোল্লার সই ছাড়াই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। আমরা আপত্তি জানালেও সই নেয়নি, ওরা নিজেরাই সই করে চলে এসেছে। একই ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১০টি কেন্দ্রে।’

পাবনা-৩ ও ৪ আসনের বেশকিছু কেন্দ্রে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ভোট পুণর্গণনার দাবি জানিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেন বিক্ষোভ করেন তারা। পরে জেলা প্রশাসক আবেদনপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর জন্য গ্রহণ করলে অবস্থান ছেড়ে যান তারা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের ফলাফল ঘোষণা শেষে রাতেই পাবনা-৩ আসনের প্রার্থী কৃষকদল সভাপতি হাসান জাফির তুহিন এবং পাবনা-৪ আসনের প্রার্থী জেলা বিএনপি আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ভোট পুনর্গণনার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন।
এদিকে, বিক্ষোভ চলার সময় পাবনা সদর আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও দুই পরাজিত প্রার্থী জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন।
পরে শিমুল বিশ্বাস জানান, বিভিন্ন কেন্দ্রে সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগগুলো তারা জেলা প্রশাসককে জানিয়েছেন। তিনি আবেদনটি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছেন। আগামীকাল ঢাকায় গিয়ে তারা নির্বাচন কমিশনে কথা বলবেন।
এ বিষয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তিনি সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় কার্যালয় ত্যাগ করেন।
তবে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল আলিম বলেন, উভয় প্রার্থীর অভিযোগই নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
বেসরকারি হিসাবে, গতকাল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলী আছগার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে জয় পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন পান ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।
৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হারের পর হাসান জাফির তুহিন পুনর্গণনা আবেদনে উল্লেখ করেন, সব কেন্দ্রে ভোট গণনায় ও প্রদত্ত ফরম-১৬ এর তথ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি। অনেক ভোট কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ফলাফল না দেখিয়ে সাদা ফরম-১৬ এ সই নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের হিসাব ও মোট ফলাফলেও গড়মিল রয়েছে।
আসনের ভাঙ্গুড়া উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন, মন্ডতোষ প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রথমে ভোট গণনায় দাঁড়িপাল্লা ১৫০০ ও ধানের শীষ ২০০ এর মতো ভোট পেয়েছে বলা হয়। কিন্তু দাঁড়িপাল্লার ভোট আবার গুনলে ধানের শীষের আরও ২০০ ভোট বের হয়। এরপর আমাদের এজেন্ট আলামিন হোসেন আবার গণনা করতে বললে দাঁড়িপাল্লার ভোটের ভেতর ঘোড়া প্রতীকের ১০০ ভোট পাওয়া যায়।
তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে তারা প্রতিবাদ করলে প্রিসাইডিং অফিসার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ডেকে তাদের এজেন্টকে মারধর করান। ওই এজেন্ট এখন হাসপাতালে ভর্তি।
হাসান জাফির তুহিনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান বলেন, অন্তত ২৫ কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা জামাত-শিবিরের কর্মী ছিলেন। এ কারণে অভিযোগ দিলেও আমলে নেওয়া হয়নি।
একই অভিযোগ তুলে পার ভাঙ্গুড়ার হাটগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ধানের পোলিং এজেন্ট শাহাদত, তোফায়েল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন জানান, বাতিল ভোটের সংখ্যা ৬ হাজারের বেশি। এটি নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
এদিকে পাবনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ৩ হাজার ৮০১ ভোটে দাঁড়িপাল্লার আবু তালেব মন্ডলের কাছে পরাজিত হয়েছেন। হাবিবুর রহমানের কর্মীদের অভিযোগ, এই আসনের অনেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসাররা ধানের শীষের এজেন্টদের সামনে ভোট গণনা করেননি।
আসনের দিয়ার শাহাপুর ওয়ার্ডের কৃষকদলের নেতা মুকুল সরদার বলেন, ‘ভোটের শুরু থেকেই দাঁড়িপাল্লার লোকদের যত্রতত্র ঢুকতে দিয়েছে। আমরা আশেপাশে গেলেই পেটানো হইছে। ওই ওয়ার্ডে পুরুষ কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট বরকত মোল্লার সই ছাড়াই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। আমরা আপত্তি জানালেও সই নেয়নি, ওরা নিজেরাই সই করে চলে এসেছে। একই ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১০টি কেন্দ্রে।’

রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
৩৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। একই সঙ্গে তার সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে
১ ঘণ্টা আগে