স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমা দেওয়া হলফনামা ও আয়কর রিটার্নের তথ্যে গড়মিলের অভিযোগ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম। ‘টাইপিং মিসটেক’-এ এমনটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
পঞ্চগড়-৫ আসনের এনসিপির এই প্রার্থীর দাবি, হলফনামায় আয়ের অংকে যে গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে তা মূলত তাঁর আইনজীবীর ‘টাইপিং মিসটেক’। বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে আইনগত প্রক্রিয়ায় সংশোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় শহরের লিচুতলা এলাকায় এনসিপির জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘যাচাই-বাছাইয়ের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেছিলেন কারণ ‘প্রধান’ সব তথ্য সঠিক ছিল। তবে একটি জায়গায় অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছিল। আমাদের যিনি অ্যাডভোকেট এই টাইপটি করেছিলেন, তার একটি “টাইপিং মিসটেক” ছিল। আয়কর রিটার্নের ফাইল দেখে হলফনামায় তথ্য তোলার সময় ৯ লাখ টাকা লেখার জায়গায় তিনি ভুলবশত ২৮ লাখ টাকা লিখেছিলেন।’
সারজিস আলম আরও বলেন, ‘বিষয়টি যেদিন জেলা প্রশাসকের নজরে আসে সেদিনই তিনি সংশোধনের জন্য একটি “সাপ্লিমেন্টারি” হলফনামা জমা দিতে বলেন। আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আমরা সেই সংশোধনী জমা দিয়েছি এবং তা গৃহীতও হয়েছে।’
গণমাধ্যমের সংবাদ পরিবেশন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আইন ও নির্বাচন কমিশনের অভিজ্ঞদের সঙ্গে কথা না বলেই গণমাধ্যমে এই অনিচ্ছাকৃত ভুলকে এমনভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে, যেন এখানে অসৎ পথে উপার্জিত টাকার হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। এছাড়া গণমাধ্যম ও কিছু অ্যাক্টিভিস্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমা দেওয়া হলফনামা ও আয়কর রিটার্নের তথ্যে গড়মিলের অভিযোগ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম। ‘টাইপিং মিসটেক’-এ এমনটা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
পঞ্চগড়-৫ আসনের এনসিপির এই প্রার্থীর দাবি, হলফনামায় আয়ের অংকে যে গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে তা মূলত তাঁর আইনজীবীর ‘টাইপিং মিসটেক’। বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে আইনগত প্রক্রিয়ায় সংশোধন করা হয়েছে।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় শহরের লিচুতলা এলাকায় এনসিপির জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘যাচাই-বাছাইয়ের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেছিলেন কারণ ‘প্রধান’ সব তথ্য সঠিক ছিল। তবে একটি জায়গায় অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছিল। আমাদের যিনি অ্যাডভোকেট এই টাইপটি করেছিলেন, তার একটি “টাইপিং মিসটেক” ছিল। আয়কর রিটার্নের ফাইল দেখে হলফনামায় তথ্য তোলার সময় ৯ লাখ টাকা লেখার জায়গায় তিনি ভুলবশত ২৮ লাখ টাকা লিখেছিলেন।’
সারজিস আলম আরও বলেন, ‘বিষয়টি যেদিন জেলা প্রশাসকের নজরে আসে সেদিনই তিনি সংশোধনের জন্য একটি “সাপ্লিমেন্টারি” হলফনামা জমা দিতে বলেন। আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আমরা সেই সংশোধনী জমা দিয়েছি এবং তা গৃহীতও হয়েছে।’
গণমাধ্যমের সংবাদ পরিবেশন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আইন ও নির্বাচন কমিশনের অভিজ্ঞদের সঙ্গে কথা না বলেই গণমাধ্যমে এই অনিচ্ছাকৃত ভুলকে এমনভাবে ফ্রেমিং করা হয়েছে, যেন এখানে অসৎ পথে উপার্জিত টাকার হিসাব মেলানো যাচ্ছে না। এছাড়া গণমাধ্যম ও কিছু অ্যাক্টিভিস্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

দেশে রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতার কারণে এখন ‘হরর সিনেমার স্ক্রিপ্ট’ বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) নেতারা।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিত্রদের জন্য আসন ছেড়ে দিলেও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি বিএনপি। শরিকদের জন্য ছাড়া ১৪টি আসনের মধ্যে মাত্র দুটি বাদে বাকি ১২টিতেই দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীদের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
২ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপিকে ১০ আসন দেওয়া নিয়ে ব্যাপক তুলপাড় সৃষ্টি হয়। ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের নেতারা এনসিপিকে ১০ আসন দেওয়ার বিষয়টিকে ‘অবান্তর’ বলছেন। এনসিপি নেতারা বলছেন, ‘অসত্য’ তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা জেলার ২০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আটটিতে প্রার্থী দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আট প্রার্থীর মধ্যে বার্ষিক আয় ও সম্পদ সবচেয়ে কম ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী এস এম শাহরিয়ারের, আর শীর্ষে রয়েছেন ঢাকা-২০ আসনের প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ।
৪ ঘণ্টা আগে