স্পোর্টস ডেস্ক

অজি বধের অবিস্মরণীয় এক বীরত্বগাঁথা লিখেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে ঐতিহাসিক জয়ের খুশিতে গা ভাসানোর বদলে পা মাটিতে রাখার কথাই বলেছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
তাঁর ভাষ্য, ‘এমন সময় ক্রিকেট লাইফে আমাদের খুব কম আসে। আমরা ভালোভাবে সেলিব্রেট করব। তবে একসঙ্গে পা মাটিতে রেখে পরের টেস্টেও এই ভালো ক্রিকেটের ধারা বজায় রাখতে চাই।’
রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে দাঁড়িয়ে শান্ত যখন এসব কথা বলছিলেন তার একটু আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতেই প্রথম টেস্ট জয়, ম্যাচের ১১ সেশনের মধ্যে ৯টিতেই অজিদের ওপর ছড়ি ঘোরানোর মতো অনন্য রেকর্ড ঝুলিতে পুরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের।
এমন জয়ের পর আনন্দের মাত্রা একটু বেশিই হওয়ার কথা। তবে সংবাদ সম্মেলনে সেলিব্রেশনের প্রসঙ্গ উঠলে শান্ত শুধু পেশাদারিত্বই দেখালেন।
অথচ ২০০৩ সালে বাংলাদেশের সবশেষ অস্ট্রেলিয়া সফর ছিল ভুলে যাওয়ার মতো। ২৩ বছর আগের ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল টাইগাররা। এবার ক্যাঙ্গারুদের মুদ্রার উল্টোপিঠ দেখিয়ে এল ৯ উইকেটের বিশাল জয়।
অনিবার্যভাবেই সংবাদ সম্মেলনে ক্যাপ্টেন শান্তকে প্রশ্ন করা হলো—তিন ফরম্যাটে বহু জয়ের মধ্যে ডারউইনে অজি বধকে কোথায় রাখবেন? জবাবে শান্ত বলেন, ‘তিন ফরম্যাট মিলে আমাদের অনেক বড় বড় জয় আছে, তবে এখন পর্যন্ত এটি বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে বড় জয়। এর পেছনে পুরো দলের হাড়ভাঙা পরিশ্রম ছিল।’
তবে এই ম্যাচ শুরুর আগে প্রশ্ন উঠেছিল, টেস্টটি দুই অথবা তিনদিনে শেষ হয়ে যাবে কিনা। জবাবে শান্ত পাঁচদিন লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ পাঁচদিনে গড়ায়নি। তবে এতে বাংলাদেশের কোনো দায় নেই, রয়েছে কৃতিত্ব। অস্ট্রেলিয়াই বরং ম্যাচটি পাঁচদিনে নিতে পারেনি। বলা ভালো বাংলাদেশ নিতে দেয়নি। এ প্রসঙ্গে অধিনায়ক বলেন, ‘প্রতিটি সেশন ডমিনেট করে খেলাই ছিল আসল পরিকল্পনা।’
সেঞ্চুরিয়ান কিংবা পাঁচ উইকেট শিকারীদের কাউকেই আলাদা করে এই জয়ের নায়ক বানাতে চাননি শান্ত। বরং তিনি বলেছেন, এই ম্যাচের প্রকৃত ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরো বাংলাদেশ দল।
তরুণ ও অভিজ্ঞদের দায়িত্বশীলতার ব্যাপারে অধিনায়কের মন্তব্য, ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা ওপেনার তানজিদ তামিম সেঞ্চুরি পেয়েছেন। পাশাপাশি প্রথম ইনিংসে সাদমান ইসলামের ২০ রান দলের মোমেন্টাম তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি মেহেদী হাসান মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স ছিল আউটস্ট্যান্ডিং।
ব্যাটিংয়ে লোয়ার অর্ডারের অবদান নিয়ে শান্ত বলেন, ‘হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ এবং এবাদত হোসেনের মতো টেল-এন্ডাররা ব্যাট হাতে যে লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছেন, সেটি আমাদের দলের জয়ের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি।’
ওয়ার্ল্ড ক্লাস ব্যাটিং ও বোলিং অ্যাটাকের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে নেতিবাচক চিন্তার পরিবর্তে দলের মধ্যে চ্যালেঞ্জ উপভোগের মানসিকতা তৈরি হয়েছিল বলে জানান শান্ত। তিনি বলেন, ‘কন্ডিশন কঠিন হলেও খেলোয়াড়রা সুযোগ কাজে লাগাতে মুখিয়ে ছিল, যা মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’
প্রাকটিস ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হওয়া কিংবা জিম্বাবুয়ে সফরে ইনিংস ব্যাবধানে হারের পরও পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস অটুট ছিল বলে জানান শান্ত।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এমনকি ফাইনাল খেলার স্বপ্নও উঁকি দিচ্ছে অনেকের মনে। তবে অধিনায়ক শান্ত এখনই সেই চিন্তা করছেন না। বরং এখন ‘ম্যাচ বাই ম্যাচ’ কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন তিনি।
বাংলাদেশের এই জয় বিশ্ব ক্রিকেটে শক্ত কোনো বার্তা দিয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে শান্ত বলেন, ‘আমরা বিশ্ব ক্রিকেটকে একটা ভালো একটা মেসেজ দিতে পেরেছি যে, যেকোনো কন্ডিশনে আমাদের ভালো খেলার অ্যাবিলিটি আছে। ভবিষ্যতে আমরা এমন কন্ডিশনে আরও বেশি বেশি টেস্ট খেলার আমন্ত্রণ পাব।’

অজি বধের অবিস্মরণীয় এক বীরত্বগাঁথা লিখেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে ঐতিহাসিক জয়ের খুশিতে গা ভাসানোর বদলে পা মাটিতে রাখার কথাই বলেছেন টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
তাঁর ভাষ্য, ‘এমন সময় ক্রিকেট লাইফে আমাদের খুব কম আসে। আমরা ভালোভাবে সেলিব্রেট করব। তবে একসঙ্গে পা মাটিতে রেখে পরের টেস্টেও এই ভালো ক্রিকেটের ধারা বজায় রাখতে চাই।’
রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে দাঁড়িয়ে শান্ত যখন এসব কথা বলছিলেন তার একটু আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতেই প্রথম টেস্ট জয়, ম্যাচের ১১ সেশনের মধ্যে ৯টিতেই অজিদের ওপর ছড়ি ঘোরানোর মতো অনন্য রেকর্ড ঝুলিতে পুরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের।
এমন জয়ের পর আনন্দের মাত্রা একটু বেশিই হওয়ার কথা। তবে সংবাদ সম্মেলনে সেলিব্রেশনের প্রসঙ্গ উঠলে শান্ত শুধু পেশাদারিত্বই দেখালেন।
অথচ ২০০৩ সালে বাংলাদেশের সবশেষ অস্ট্রেলিয়া সফর ছিল ভুলে যাওয়ার মতো। ২৩ বছর আগের ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল টাইগাররা। এবার ক্যাঙ্গারুদের মুদ্রার উল্টোপিঠ দেখিয়ে এল ৯ উইকেটের বিশাল জয়।
অনিবার্যভাবেই সংবাদ সম্মেলনে ক্যাপ্টেন শান্তকে প্রশ্ন করা হলো—তিন ফরম্যাটে বহু জয়ের মধ্যে ডারউইনে অজি বধকে কোথায় রাখবেন? জবাবে শান্ত বলেন, ‘তিন ফরম্যাট মিলে আমাদের অনেক বড় বড় জয় আছে, তবে এখন পর্যন্ত এটি বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে বড় জয়। এর পেছনে পুরো দলের হাড়ভাঙা পরিশ্রম ছিল।’
তবে এই ম্যাচ শুরুর আগে প্রশ্ন উঠেছিল, টেস্টটি দুই অথবা তিনদিনে শেষ হয়ে যাবে কিনা। জবাবে শান্ত পাঁচদিন লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ পাঁচদিনে গড়ায়নি। তবে এতে বাংলাদেশের কোনো দায় নেই, রয়েছে কৃতিত্ব। অস্ট্রেলিয়াই বরং ম্যাচটি পাঁচদিনে নিতে পারেনি। বলা ভালো বাংলাদেশ নিতে দেয়নি। এ প্রসঙ্গে অধিনায়ক বলেন, ‘প্রতিটি সেশন ডমিনেট করে খেলাই ছিল আসল পরিকল্পনা।’
সেঞ্চুরিয়ান কিংবা পাঁচ উইকেট শিকারীদের কাউকেই আলাদা করে এই জয়ের নায়ক বানাতে চাননি শান্ত। বরং তিনি বলেছেন, এই ম্যাচের প্রকৃত ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরো বাংলাদেশ দল।
তরুণ ও অভিজ্ঞদের দায়িত্বশীলতার ব্যাপারে অধিনায়কের মন্তব্য, ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা ওপেনার তানজিদ তামিম সেঞ্চুরি পেয়েছেন। পাশাপাশি প্রথম ইনিংসে সাদমান ইসলামের ২০ রান দলের মোমেন্টাম তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি মেহেদী হাসান মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স ছিল আউটস্ট্যান্ডিং।
ব্যাটিংয়ে লোয়ার অর্ডারের অবদান নিয়ে শান্ত বলেন, ‘হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ এবং এবাদত হোসেনের মতো টেল-এন্ডাররা ব্যাট হাতে যে লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছেন, সেটি আমাদের দলের জয়ের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি।’
ওয়ার্ল্ড ক্লাস ব্যাটিং ও বোলিং অ্যাটাকের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে নেতিবাচক চিন্তার পরিবর্তে দলের মধ্যে চ্যালেঞ্জ উপভোগের মানসিকতা তৈরি হয়েছিল বলে জানান শান্ত। তিনি বলেন, ‘কন্ডিশন কঠিন হলেও খেলোয়াড়রা সুযোগ কাজে লাগাতে মুখিয়ে ছিল, যা মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’
প্রাকটিস ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হওয়া কিংবা জিম্বাবুয়ে সফরে ইনিংস ব্যাবধানে হারের পরও পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস অটুট ছিল বলে জানান শান্ত।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এমনকি ফাইনাল খেলার স্বপ্নও উঁকি দিচ্ছে অনেকের মনে। তবে অধিনায়ক শান্ত এখনই সেই চিন্তা করছেন না। বরং এখন ‘ম্যাচ বাই ম্যাচ’ কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন তিনি।
বাংলাদেশের এই জয় বিশ্ব ক্রিকেটে শক্ত কোনো বার্তা দিয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে শান্ত বলেন, ‘আমরা বিশ্ব ক্রিকেটকে একটা ভালো একটা মেসেজ দিতে পেরেছি যে, যেকোনো কন্ডিশনে আমাদের ভালো খেলার অ্যাবিলিটি আছে। ভবিষ্যতে আমরা এমন কন্ডিশনে আরও বেশি বেশি টেস্ট খেলার আমন্ত্রণ পাব।’
.png)
-6ddfc3.jpeg)
খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, টেস্ট ক্রিকেটে সেরা জয়ের তালিকা তৈরি করা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা কঠিন ছিল না। ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত টেস্টে ১৬ বছরের পথচলায় বাংলাদেশের জয় ছিল মাত্র সাতটি। কিন্তু পরের ১০ বছরে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ২৮। ২০০০ সালের নভেম্বরে দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করা
৫ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়কে যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে অভিহিত করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই যেকোনো সংস্করণে এটিই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় জয
৫ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ডারউইন টেস্টে ঐতিহাসিক জয়ের পর দলের পারফরম্যান্স ও মানসিকতার প্রশংসা করেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিরাজ বলেন, ‘অসাধারণ মুহূর্ত। দীর্ঘদিন পর আমরা অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে এসেছি। পুরো দল যেভাবে খেলেছে, তা আমাদের প্রকৃত চরিত্র ফ
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। টানা ১১ সেশনজুড়ে আধিপত্য বজায় রেখে ম্যাচের চতুর্থ দিনেই জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে জেতার জন্য মাত্র ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। ইনিংসের ১৫তম ওভারের দ