স্পোর্টস ডেস্ক

নিজেদের ১৫তম বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপের দল বেলজিয়াম। সোনালী প্রজন্মের বিদায়ের পর একঝাঁক নতুন প্রতিভা ও অভিজ্ঞদের মিশ্রণে গড়া দল নিয়ে এবারের আসরে মাঠ কাঁপাবে তারা।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া দেশটির সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৫১ ম্যাচে ২১ জয় ও ২০ পরাজয় রয়েছে তাদের ঝুলিতে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৯ম দলটি ফুটবল বিশ্বে ‘দ্য রেড ডেভিলস’ নামে পরিচিত।
বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের প্রধান কোচ হিসেবে থাকছেন সাবেক ফরাসি ফুটবলার রুডি গার্সিয়া। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নিয়েই বেলজিয়ামকে ভারসাম্যপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক ইউনিটে পরিণত করেছেন তিনি।
গত ১৫ মে বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে বেলজিয়াম। দল ঘোষণার সময় গার্সিয়া বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়া। আমরা হয়তো ফেভারিট নই, তবে আন্ডারডগ পজিশন থেকে আমরা যেকোনো কিছু করতে পারি।’
ঘোষিত দলে অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধে আছেন থিবো কোর্তোয়া, থমাস মুনিয়ের ও কেভিন ডি ব্রুইনা। গোলপোস্ট সামলাতে কোর্তোয়ার ব্যাক-আপ হিসেবে থাকবেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তরুণ সেনে ল্যামেন্স।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে গত ২৮ মার্চ এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে ৫-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিয়েছে বেলজিয়াম।
এর আগে উয়েফা অঞ্চলের বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘জে’-তে ৮ ম্যাচে খেলে ৫ জয় ও ৩ ড্র নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে তারা।
এবারের আসরে বেলজিয়াম লড়বে গ্রুপ ‘জি’-তে। ১৫ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরান এবং ২৬ জুন ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে গার্সিয়ার শিষ্যরা।

বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হলেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনা। বাছাইপর্বে দলের হয়ে সর্বাধিক ছয় গোল করা এই তারকাই থাকছেন দেশটির স্বপ্নের কেন্দ্রে। জাতীয় দলের হয়ে ১১৭ ম্যাচে ৩৬ গোল করা এই খেলোয়াড় বর্তমানে ইতালিয়ান ক্লাব নেপোলির হয়ে খেলছেন।
তাঁর সঙ্গে আক্রমণে থাকছেন দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১২৪ ম্যাচে ৮৯ গোলদাতা রোমেলু লুকাকু। এছাড়া নজর থাকবে তরুণ জেরেমি ডোকুর ওপর।
২০১৮ বিশ্বকাপে ডি ব্রুইনা, কোর্তোয়া, লুকাকু, ফেলাইনি, হ্যাজার্ডরা ছিলেন ফর্মের তুঙ্গে। নিজেদের সোনালি প্রজন্মের হাত ধরে সেবার সেমিফাইনাল অব্দি গিয়েছিল দলটি। তবে আগের সেই দল না থাকলেও এবারের অভিজ্ঞ-তরুণদের মিশ্রণে সবাইকে চমকে দিতে চায় তারা।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম পরিষ্কার ফেভারিট। তবে গ্রুপ পর্বের বাধা টপকেই বেলজিয়াম থামবে না। সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল অব্দিই নিজেদের সক্ষমতা দেখাতে পারে দ্য রেড ডেভিলসরা।
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স ও মাইক প্যান্ডার্স।
রক্ষণ: টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডিবাস্ট, মাক্সিম ডি কুইপার, কোনি ডি উইন্টার, ব্র্যান্ডন মিচেল, টমাস মিউনিয়ের, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেস এবং আর্থার থিয়েট।
মাঝমাঠ: কেভিন ডি ব্রুইনা, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাস্কিন, ইউরি তিয়েলেমানস, হান্স ভানাকেন ও অ্যাক্সেল উইটসেল।
আক্রমণ: শার্ল ডি কেটেলার, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ পার্দো, রোমেলু লুকাকু, ডডি লুকেবাকিও, ডিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সেলেমেকার্স এবং লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড।

নিজেদের ১৫তম বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপের দল বেলজিয়াম। সোনালী প্রজন্মের বিদায়ের পর একঝাঁক নতুন প্রতিভা ও অভিজ্ঞদের মিশ্রণে গড়া দল নিয়ে এবারের আসরে মাঠ কাঁপাবে তারা।
১৯৩০ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া দেশটির সর্বোচ্চ সাফল্য ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৫১ ম্যাচে ২১ জয় ও ২০ পরাজয় রয়েছে তাদের ঝুলিতে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৯ম দলটি ফুটবল বিশ্বে ‘দ্য রেড ডেভিলস’ নামে পরিচিত।
বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের প্রধান কোচ হিসেবে থাকছেন সাবেক ফরাসি ফুটবলার রুডি গার্সিয়া। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নিয়েই বেলজিয়ামকে ভারসাম্যপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক ইউনিটে পরিণত করেছেন তিনি।
গত ১৫ মে বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করে বেলজিয়াম। দল ঘোষণার সময় গার্সিয়া বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে যাওয়া। আমরা হয়তো ফেভারিট নই, তবে আন্ডারডগ পজিশন থেকে আমরা যেকোনো কিছু করতে পারি।’
ঘোষিত দলে অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধে আছেন থিবো কোর্তোয়া, থমাস মুনিয়ের ও কেভিন ডি ব্রুইনা। গোলপোস্ট সামলাতে কোর্তোয়ার ব্যাক-আপ হিসেবে থাকবেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তরুণ সেনে ল্যামেন্স।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে গত ২৮ মার্চ এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে ৫-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিয়েছে বেলজিয়াম।
এর আগে উয়েফা অঞ্চলের বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘জে’-তে ৮ ম্যাচে খেলে ৫ জয় ও ৩ ড্র নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে তারা।
এবারের আসরে বেলজিয়াম লড়বে গ্রুপ ‘জি’-তে। ১৫ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু। এরপর ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরান এবং ২৬ জুন ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে গার্সিয়ার শিষ্যরা।

বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের প্রধান ‘প্লেয়ার টু ওয়াচ’ হলেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনা। বাছাইপর্বে দলের হয়ে সর্বাধিক ছয় গোল করা এই তারকাই থাকছেন দেশটির স্বপ্নের কেন্দ্রে। জাতীয় দলের হয়ে ১১৭ ম্যাচে ৩৬ গোল করা এই খেলোয়াড় বর্তমানে ইতালিয়ান ক্লাব নেপোলির হয়ে খেলছেন।
তাঁর সঙ্গে আক্রমণে থাকছেন দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১২৪ ম্যাচে ৮৯ গোলদাতা রোমেলু লুকাকু। এছাড়া নজর থাকবে তরুণ জেরেমি ডোকুর ওপর।
২০১৮ বিশ্বকাপে ডি ব্রুইনা, কোর্তোয়া, লুকাকু, ফেলাইনি, হ্যাজার্ডরা ছিলেন ফর্মের তুঙ্গে। নিজেদের সোনালি প্রজন্মের হাত ধরে সেবার সেমিফাইনাল অব্দি গিয়েছিল দলটি। তবে আগের সেই দল না থাকলেও এবারের অভিজ্ঞ-তরুণদের মিশ্রণে সবাইকে চমকে দিতে চায় তারা।
ফুটবল বোদ্ধারা বলছেন, গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম পরিষ্কার ফেভারিট। তবে গ্রুপ পর্বের বাধা টপকেই বেলজিয়াম থামবে না। সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল অব্দিই নিজেদের সক্ষমতা দেখাতে পারে দ্য রেড ডেভিলসরা।
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স ও মাইক প্যান্ডার্স।
রক্ষণ: টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডিবাস্ট, মাক্সিম ডি কুইপার, কোনি ডি উইন্টার, ব্র্যান্ডন মিচেল, টমাস মিউনিয়ের, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেস এবং আর্থার থিয়েট।
মাঝমাঠ: কেভিন ডি ব্রুইনা, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাস্কিন, ইউরি তিয়েলেমানস, হান্স ভানাকেন ও অ্যাক্সেল উইটসেল।
আক্রমণ: শার্ল ডি কেটেলার, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ পার্দো, রোমেলু লুকাকু, ডডি লুকেবাকিও, ডিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সেলেমেকার্স এবং লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
১৪ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
১৭ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১৮ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
২১ ঘণ্টা আগে