
দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন কর্মরত রয়েছেন। ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টা ২ মিনিটে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সার্বিক জনসংখ্যার অনুপাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের পদ নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনশক্তিসংক্রান্ত মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনসংখ্যার আদর্শ অনুপাত নিশ্চিত করতে দেশে বর্তমানে আরও প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে।
তবে দেশে নিবন্ধিত মোট চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় প্রত্যক্ষভাবে কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ পূরণ ও চিকিৎসকের সংকট কাটাতে জোরদার নিয়োগ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৪৪তম ও ৪৮তম (বিশেষ) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়াও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।’
সরকারি হাসপাতালগুলোর শূন্য পদ পর্যায়ক্রমে পূরণ করতে এ ধারাবাহিক নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
দেশের প্রান্তিকসহ সব জনগোষ্ঠীর জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নতুন পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
.png)






-7410ee-256x144.webp)