সংসদে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত

আগামী অর্থবছরেই চালু হবে বিভাগীয় ৮ ক্যানসার হাসপাতাল

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

সংসদে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। ছবি: সংসদ বাংলাদেশ টিভির সৌজন্যে
সংসদে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। ছবি: সংসদ বাংলাদেশ টিভির সৌজন্যে

আগামী অর্থবছরের মধ্যেই দেশের ৮ বিভাগীয় শহরে নির্মাণাধীন ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমরের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্যানসারের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি, সে কারণেই ক্যানসারকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, সরকারি পর্যায়ে ঢাকার মহাখালীতে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল নামে একটি বিশেষায়িত পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল রয়েছে। এটি বর্তমানে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া দেশের প্রায় সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হাসপাতালগুলোতে ক্যানসার ও অনকোলজি ইউনিট রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ২৪টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যান্সার ইউনিট রয়েছে। এ ছাড়া স্কয়ার, এভারকেয়ার, ল্যাবএইড ও ইউনাইটেডসহ কয়েকটি হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

সম্পূরক প্রশ্নে বিভাগীয় শহরগুলোর ক্যানসার হাসপাতালের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার সময় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই ৮টি বিভাগীয় ক্যানসার হাসপাতালের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা চলছে। বিশেষজ্ঞ জনবল পদায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই ক্যানসার হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে দেশের ৮ বিভাগীয় শহরে ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ হাসপাতাল স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়। তবে গত জুনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) প্রকাশিত নিবিড় পরিবীক্ষণ সমীক্ষায় প্রকল্পটির নির্মাণকাজের অগ্রগতি কম বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার দফা মেয়াদ ও দুই দফা ব্যয় বাড়ানোর পরও এখন পর্যন্ত একটি ভবনেরও নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত