স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বকাপের শুরুর প্রস্তুতি দারুণভাবে করল আর্জেন্টিনা। প্রীতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ইন্টার মিলানের লাউতারো মার্তিনেজ ও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড জুলিয়ানো সিমিওনে গোল দুটি করেন।
রোববার (৭ জুন) শুরু থেকেই ৪-৪-২ ফরম্যাটে আধিপত্য ধরে রাখেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। প্রথম গোলের দেখা মেলে ৩৬ মিনিটে। ডি-বক্সে হন্ডুরাসের ডিফেন্ডারের বাজে ট্যাকলে স্পট কিক থেকে দলকে এগিয়ে নেন লাউতারো মার্তিনেজ।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কোচ ও সাবেক আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ডিয়াগো সিমিয়নের ছেলে জুলিয়ানো সিমিওনে। লাউতারোর পাস ধরে তিনি প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর হন্ডুরাস ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেও আর্জেন্টিনার রক্ষণে চিড় ধরাতে পারেনি। এরই মধ্যে ম্যাচের শেষভাগে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বদলে নিজেদের শক্তি পরখ করে নেন স্কালোনি। যদিও জয়ের ব্যবধান তাতে বাড়েনি। অধিনায়ক লিওনেল মেসি বদলি তালিকায় থাকলেও, শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেননি।
প্রীতি ম্যাচ হলেও মাঠের লড়াইয়ে উত্তেজনা দেখা যায়। আর্জেন্টিনার ভ্যালেন্তিন বার্কো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ফাকুন্দো মেদিনা ও নিকোলাস কাপালদো হলুদ কার্ড দেখেন। অন্যদিকে, হন্ডুরাসের পক্ষে একমাত্র হলুদ কার্ড পান ডেনিল মালদোনাদো। হন্ডুরাসের গোলরক্ষক এদরিক মেনজিভা দুর্দান্ত কিছু সেভ করায় আর্জেন্টিনাকে জয়ের ব্যবধান বাড়েনি।
এদিকে, বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচেও জয় পেয়েছে ব্রাজিল। ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে হান্টিংটন ব্যাংক ফিল্ডে প্রীতিম্যাচে মিসরকে তারা ২–১ ব্যবধানে হারায়।
কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা শুরু থেকেই বলের দখল ধরে রাখেন। ৭ মিনিটে ব্রুনো গিমারাইসের গোলে এগিয়ে যায়। তবে তিন মিনিট বাদেই জিকোর গোলে সমতায় ফেরে মিসর। তবে ম্যাচের শেষ দিকে বদলি নামা এন্দ্রিকের গোলে স্বস্তির জয় তুলে নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

প্রীতিম্যাচে চিলিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগাল বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পর্তুগালের রাফায়েল লিও এবং চিলির রোমান।
৫৯ মিনিটে গোনজালো নেতোর থ্রু ধরে ব্যবধান বাড়ান পর্তুগালের গনসালো গেদেস। ৭৫ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান বাড়ান ব্রুনো ফার্নান্দেস। যোগ করা সময়ে চিলির লুকাস সেপেদা ব্যবধান কমান।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় পেয়েছে জার্মানি। শিকাগোর সোলজার ফিল্ডে প্রীতিম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় তারা। মাত্র ৩ মিনিটে যোশুয়া কিমিখের বাড়ানো বলে মাথা ছুঁইয়ে কাই হাভার্টজ ব্যবধান বাড়ান। তবে প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটে কর্নার থেকে ফিরিয়ে দেওয়া বল অ্যান্টনি রবিনসন জালে জড়ালে ঘুরে দাঁড়ায় যুক্তরাষ্ট্র।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭ মিনিটে লেরয় সানের শট ডিফ্লেকশনের সাহায্যে জালে ঢুকে গেলে ব্যবধান ২-১ করে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। বাকি সময়ে যুক্তরাষ্ট্র চাপ তৈরি করলেও জার্মান রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুলিয়ান নাগেলসমানের দল।

বিশ্বকাপের শুরুর প্রস্তুতি দারুণভাবে করল আর্জেন্টিনা। প্রীতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। ইন্টার মিলানের লাউতারো মার্তিনেজ ও অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড জুলিয়ানো সিমিওনে গোল দুটি করেন।
রোববার (৭ জুন) শুরু থেকেই ৪-৪-২ ফরম্যাটে আধিপত্য ধরে রাখেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। প্রথম গোলের দেখা মেলে ৩৬ মিনিটে। ডি-বক্সে হন্ডুরাসের ডিফেন্ডারের বাজে ট্যাকলে স্পট কিক থেকে দলকে এগিয়ে নেন লাউতারো মার্তিনেজ।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কোচ ও সাবেক আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় ডিয়াগো সিমিয়নের ছেলে জুলিয়ানো সিমিওনে। লাউতারোর পাস ধরে তিনি প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর হন্ডুরাস ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেও আর্জেন্টিনার রক্ষণে চিড় ধরাতে পারেনি। এরই মধ্যে ম্যাচের শেষভাগে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বদলে নিজেদের শক্তি পরখ করে নেন স্কালোনি। যদিও জয়ের ব্যবধান তাতে বাড়েনি। অধিনায়ক লিওনেল মেসি বদলি তালিকায় থাকলেও, শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেননি।
প্রীতি ম্যাচ হলেও মাঠের লড়াইয়ে উত্তেজনা দেখা যায়। আর্জেন্টিনার ভ্যালেন্তিন বার্কো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ফাকুন্দো মেদিনা ও নিকোলাস কাপালদো হলুদ কার্ড দেখেন। অন্যদিকে, হন্ডুরাসের পক্ষে একমাত্র হলুদ কার্ড পান ডেনিল মালদোনাদো। হন্ডুরাসের গোলরক্ষক এদরিক মেনজিভা দুর্দান্ত কিছু সেভ করায় আর্জেন্টিনাকে জয়ের ব্যবধান বাড়েনি।
এদিকে, বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচেও জয় পেয়েছে ব্রাজিল। ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে হান্টিংটন ব্যাংক ফিল্ডে প্রীতিম্যাচে মিসরকে তারা ২–১ ব্যবধানে হারায়।
কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা শুরু থেকেই বলের দখল ধরে রাখেন। ৭ মিনিটে ব্রুনো গিমারাইসের গোলে এগিয়ে যায়। তবে তিন মিনিট বাদেই জিকোর গোলে সমতায় ফেরে মিসর। তবে ম্যাচের শেষ দিকে বদলি নামা এন্দ্রিকের গোলে স্বস্তির জয় তুলে নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

প্রীতিম্যাচে চিলিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগাল বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পর্তুগালের রাফায়েল লিও এবং চিলির রোমান।
৫৯ মিনিটে গোনজালো নেতোর থ্রু ধরে ব্যবধান বাড়ান পর্তুগালের গনসালো গেদেস। ৭৫ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান বাড়ান ব্রুনো ফার্নান্দেস। যোগ করা সময়ে চিলির লুকাস সেপেদা ব্যবধান কমান।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ঘাম ঝরানো জয় পেয়েছে জার্মানি। শিকাগোর সোলজার ফিল্ডে প্রীতিম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় তারা। মাত্র ৩ মিনিটে যোশুয়া কিমিখের বাড়ানো বলে মাথা ছুঁইয়ে কাই হাভার্টজ ব্যবধান বাড়ান। তবে প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটে কর্নার থেকে ফিরিয়ে দেওয়া বল অ্যান্টনি রবিনসন জালে জড়ালে ঘুরে দাঁড়ায় যুক্তরাষ্ট্র।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭ মিনিটে লেরয় সানের শট ডিফ্লেকশনের সাহায্যে জালে ঢুকে গেলে ব্যবধান ২-১ করে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। বাকি সময়ে যুক্তরাষ্ট্র চাপ তৈরি করলেও জার্মান রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুলিয়ান নাগেলসমানের দল।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে ফুটবল মাঠে পর্তুগালের ভরসার নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি বিশ্বকাপ। উয়েফার লিগের ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে তাঁর ক্যারিয়ার।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে একটি প্রশ্ন জেগেছিল, তবে কি মহাকাব্যের শেষ পাতাটি পড়া হয়ে গেল? স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলের হৃদয়ভাঙা হারের পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলেন, নীল-সাদা জার্সিতে বোধহয় শেষবারের মতো লিওনেল মেসি মাঠে নেমেছেন, ঠিক তখনই স্বস্তির খবর পেলেন তাঁর ভক্তরা।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড ও ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনায় বিশ্ব ফুটবলে বিতর্ক থামছে না। এ ঘটনায় ফুটবলের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)।
২৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ নতুন নয়। এবারও এমন অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তবে তদন্ত শেষে তারা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচে বেটিং বা ম্যাচের ফল প্রভাবিত করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
২৩ জুলাই ২০২৬