স্ট্রিম মাল্টিমিডিয়া

১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই। খোদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ জেনারেলদের লেখা বই, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং একে অপরের দিকে ছুড়ে দেওয়া কাদা বিশ্লেষণ করলেই বেরিয়ে আসে ১৪ ডিসেম্বরের সেই ভয়ানক নীল নকশা।
অপরাধবিজ্ঞানে একটি থিওরি আছে— ‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন একটি অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।
১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই। খোদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ জেনারেলদের লেখা বই, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং একে অপরের দিকে ছুড়ে দেওয়া কাদা বিশ্লেষণ করলেই বেরিয়ে আসে ১৪ ডিসেম্বরের সেই ভয়ানক নীল নকশা।
অপরাধবিজ্ঞানে একটি থিওরি আছে— ‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন একটি অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।


রাষ্ট্রপতি ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আসিফ মাহমুদ বলেছেন, এই ইস্যুতে বাংলাদেশ দুটি পক্ষে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান, সম্ভাব্য সাংবিধানিক সংকট এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত জানুন ঢাকা স্ট্রিমে
১০ ঘণ্টা আগে
