‘জুলাই সনদ’ প্রত্যাখ্যান নারী অধিকার ফোরামের‘জুলাই জাতীয় সনদ’ প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্বকে পদ্ধতিগতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে—এই অভিযোগে চূড়ান্ত সনদটি প্রত্যাখ্যান করেছে নারী অধিকার সংগঠনের জোট ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম’।
আগামীকালের পরেও জুলাই সনদে স্বাক্ষরের সুযোগ থাকছে: আলী রীয়াজপরবর্তীতে স্বাক্ষরের সুবিধা রেখেই জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে এই স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে আলোচনায় শরিক দল কতদিন সময় পেতে তা জানায়নি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, আলোচনায় অংশ নেওয়া সব দলই স্বাক্ষরের বিষয়টি বিবেচনায় নেবে এবং স্বাক্ষর অনুষ্ঠ
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে রাজি নয় বামপন্থী চার দলবাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) জুলাই জাতীয় সনদে সই করছে না। এরই মধ্যে তারা আগামীকাল শুক্রবারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
জুলাই সনদের স্বাক্ষরে যাচ্ছে না এনসিপিজুলাই সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে যাচ্ছে না জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আইনি ভিত্তি ছাড়া জুলাই সনদ তৈরি হলে সেটার কোনো অর্থ থাকে না। আর সেকারণেই আগামীকাল এনসিপি
জরুরি বৈঠকেও কাটেনি দ্বিধা, জুলাই সনদে সব রাজনৈতিক দলের সই নিয়ে অনিশ্চয়তাজুলাই সনদে সই অনুষ্ঠানের একদিন বাকি থাকলেও গণভোট এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি রাজনৈতিক দলগুলো।
৩০ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধির সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শুরুপ্রধান উপদেষ্টা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে আলোচনায় বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
দলগুলোর কাছে চূড়ান্ত জুলাই সনদ পাঠানো হয়েছেরাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর চূড়ান্ত ভাষ্য পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জুলাই জাতীয় সনদ পাঠানো হয়। এর ভিত্তিতে আগামী ১৭ অক্টোবর সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জুলাই সনদে স্বাক্ষরে আইনি ভিত্তি তৈরি হচ্ছে না, এটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা: রাশেদ প্রধানজাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১৭ তারিখ জুলাই সনদ সাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে, কিন্তু এর মাধ্যমে কোনো আইনগত ভিত্তি তৈরি হচ্ছে না, এটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।’ জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট চেয়েছেন
যুগপৎ আন্দোলনে রাস্তায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশগণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করাসহ প্রায় অভিন্ন কয়েকটি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ সাতটি রাজনৈতিক দলের মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশের গণভোট২০২৫ সালের জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের সম্ভাব্য প্রস্তাব নিয়ে নতুন করে গণভোট আয়োজনের আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। শিগগিরই হয়তো ভোটের আয়োজনও করা হবে। এখন প্রশ্ন হলো গণভোট আসলে কী, এবং কীভাবে হয় এই গণভোট? বিস্তারিত স্ট্রিম ওয়াচে।
জুলাই সনদের সই অনুষ্ঠান নির্ধারিত, মীমাংসা হয়নি বাস্তবায়ন ও গণভোট ইস্যুসনদ সই হলেও তা বাস্তবায়নের সুপারিশ প্রণয়নের কাজ এখনো শেষ হয়নি। আবার গণভোটের সময় নিয়ে এখনো রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। বিশেষ করে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী ও নাগরিক পার্টি গণভোটের সময় নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে এখনো পর্যন্ত অনড় আছে।
৫ দফা দাবিতে জামায়াতের নতুন কর্মসূচি ঘোষণাপিআর পদ্ধতিকে জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটের আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জুলাই সনদে সই: এখনো দ্বিধায় রাজনৈতিক দলগুলোজুলাই সনদের সই অনুষ্ঠান দুই দিন পিছিয়ে ১৭ অক্টোবর করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এর আগে ১৫ অক্টোবর সই হওয়ার কথা জানিয়েছিল কমিশন। অনুষ্ঠান পেছানোর কারণও বলেছে তারা। তব জুলাই সনদে সই নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো।
১৫ নয়, ১৭ অক্টোবর জুলাই সনদ স্বাক্ষরজুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ১৫ অক্টোবর বুধবারের পরিবর্তে ১৭ অক্টোবর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জনসাধারণের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গণভোট কী ও কীভাবে হয়: গণতন্ত্রকে শক্তিশালী নাকি দুর্বল করেজুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোটের বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। শিগগিরই হয়তো ভোটের আয়োজনও করা হবে। গণভোট হলো জনগণের প্রত্যক্ষ ভোট, যা কোনো নির্দিষ্ট প্রস্তাব, আইন বা রাজনৈতিক বিষয়ে নেওয়া হয়।
৩১ দফা নাকি জুলাই সনদ, ক্ষমতায় গেলে কোনটাকে অগ্রাধিকার দেবে বিএনপিসংস্কারের অনেক বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যও হয়েছে, সেগুলো নিয়ে একটা ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়নের কথা রয়েছে। বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার সঙ্গে অনেকগুলো বিষয়ের মিলও আছে। বিএনপি যদি সামনে ক্ষমতায় আসে বা সরকার গঠন করে, তখন ৩১ দফা নাকি জুলাই সনদ কোনটা অগ্রাধিকার পাবে?
গণভোটের ফলাফল জাতীয় নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবেজুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের বিষয়ে একমত হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। এটি খুবই ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ। জুলাই সনদ দেশের ভবিষ্যতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এতে বিচার প্রক্রিয়া এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।