স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) জুলাই জাতীয় সনদে সই করছে না। এরই মধ্যে তারা আগামীকাল শুক্রবারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শেষে চারটি দলের প্রতিনিধিরা গণমাধ্যমকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করার কথা জানান।
কেন জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর রাজি না
বামপন্থী এই চার দল আজ পুরানা পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনেও জানিয়েছে, তারা আগামীকালের অনুষ্ঠানে যাচ্ছে না। ঠিক কোন কারণে আগামীকালে অনুষ্ঠান বর্জন করা হচ্ছে জানতে চাইলে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, ‘জুলাই সনদের পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস প্রতিফলিত হয়নি। এ ছাড়া জুলাই সনদের ৮৪ দফা সুপারিশের মধ্যে চারটি বাম দলের ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্টের ব্যাখ্যাগুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আমরা আরও কয়েকটি অঙ্গীকারের বিরোধিতা করেছি। যার একটি হলো, জুলাই সনদকে কেনো আদালতে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না? এইসব কারণে আমরা এতে স্বাক্ষর করছি না। সনদের স্বাক্ষর ইস্যুতে আগামীকালের আয়োজনও আমরা বর্জন করেছি।’
এদিকে যেসব বিষয়ে সব দল ঐকমত্যে পৌঁছেছে শুধু সেসব বিষয়ে তাঁরা সই করতে রাজি বলে জানান বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন।
ডা. মুশতাক হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষর করা মানে জুলাই সনদ আমরা আপত্তি সহকারে মেনে নিচ্ছি। ঐকমত্য কমিশনের মতো জাতীয় একটি ফোরামে আপত্তিসহ মেনে নেওয়ার কোন মানে নাই।’
জুলাই সনদে বাংলাদেশের ইতিহাস ঠিকমতো তুলে ধরা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের মুখবন্ধে বাংলাদেশের ইতিহাসকে ঠিকমতো তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এসব বিষয় ঠিকমতো ওঠে আসেনি। এ ছাড়া সনদের অঙ্গীকারনামায় বলা হয়েছে যে পূর্ণাঙ্গভাবে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন করতে হবে। কথা হচ্ছে, নোট অব ডিসেন্টসহ তো পূর্ণাঙ্গ সনদ বাস্তবায়ন করতে পারি না।’
ডা. মুশতাক হোসেন আরও বলেন, ‘কমিশন বলছে জুলাই সনদ নিয়ে আদালতে যাওয়া যাবে না। কিন্তু যে দল যেই বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তারা তো অবশ্যই আদালতে যেতে পারে। এটা তো তাদের অধিকার।’
জুলাই সনদকে কখনোই সংবিধানের উপরে স্থান দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, জুলাই সনদ কার্যকরে গণভোট হতে পারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে। কম্প্রোমাইজ হিসেবে সেটা নির্বাচনের দিন হতে পারে। তবে জুলাই সনদ কার্যকরে গণভোট হবে ‘জনমত যাচাই’ এটা আইনগত কোন ভিত্তি হতে পারে না। আইনগত ভিত্তি কেবল দিতে পারে সংসদ। নির্বাচনের পর যারা জাতীয় সংসদে যাবে তারাই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিবে।
সকল দল যদি ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামীকাল জুলাই সনদে সই না করে তাহলে সেটা কেবল বিভক্তিই বাড়াবে বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে ঐকমত্য কমিশন যদি রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াই জুলাই সনদ নিয়ে অগ্রসর হয় তাহলে ঐকমত্য কমিশনই অনৈক্যের প্রতীক হয়ে ওঠবে বলে জানান বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
রুহিন হোসেন প্রিন্স স্ট্রিমকে বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশন যে ৮৪টা পয়েন্ট নিয়ে এসেছে তার মধ্যে সংবিধানের চার মূলনীতি পরিবর্তন নিয়ে আমাদের ঘোরতর আপত্তি। এই আপত্তি যে আমরা শুধু গতকাল তুলেছি সেটা না বরং ঐকমত্য কমিশন যখন থেকে কাজ শুরু করে তখন থেকেই আমরা এই আপত্তি তুলেছিলাম। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। নারী আসন নিয়েও আমাদের ভিন্ন আলাপ ছিল। সংবিধানের অনুচ্ছেদে আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের কথা ছিল, নতুন সনদে সেটিকেও তারা বাতিল করেছে অথচ একই সনদে ২৪ এ আন্দোলনকে তারা সুপারিশ করেছে; এগুলো তো মানা যায় না।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স আরও বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের ব্যাপারটা এমন হয়েছে যে তারা ৪৭ আর ২৪-কে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে বাতিল করতে চায়। এভাবে তারা সনদের নামে যেটা করলেন তার সাথে আমাদের থাকা আসলে সম্ভব না। আর এতসব কিছুর পরিপ্রেক্ষিতেই আগামীকাল আমরা ঐকমত্য কমিশনের ডাকে যাচ্ছি না।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) জুলাই জাতীয় সনদে সই করছে না। এরই মধ্যে তারা আগামীকাল শুক্রবারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শেষে চারটি দলের প্রতিনিধিরা গণমাধ্যমকে জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করার কথা জানান।
কেন জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর রাজি না
বামপন্থী এই চার দল আজ পুরানা পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনেও জানিয়েছে, তারা আগামীকালের অনুষ্ঠানে যাচ্ছে না। ঠিক কোন কারণে আগামীকালে অনুষ্ঠান বর্জন করা হচ্ছে জানতে চাইলে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, ‘জুলাই সনদের পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস প্রতিফলিত হয়নি। এ ছাড়া জুলাই সনদের ৮৪ দফা সুপারিশের মধ্যে চারটি বাম দলের ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্টের ব্যাখ্যাগুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আমরা আরও কয়েকটি অঙ্গীকারের বিরোধিতা করেছি। যার একটি হলো, জুলাই সনদকে কেনো আদালতে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না? এইসব কারণে আমরা এতে স্বাক্ষর করছি না। সনদের স্বাক্ষর ইস্যুতে আগামীকালের আয়োজনও আমরা বর্জন করেছি।’
এদিকে যেসব বিষয়ে সব দল ঐকমত্যে পৌঁছেছে শুধু সেসব বিষয়ে তাঁরা সই করতে রাজি বলে জানান বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন।
ডা. মুশতাক হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষর করা মানে জুলাই সনদ আমরা আপত্তি সহকারে মেনে নিচ্ছি। ঐকমত্য কমিশনের মতো জাতীয় একটি ফোরামে আপত্তিসহ মেনে নেওয়ার কোন মানে নাই।’
জুলাই সনদে বাংলাদেশের ইতিহাস ঠিকমতো তুলে ধরা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের মুখবন্ধে বাংলাদেশের ইতিহাসকে ঠিকমতো তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এসব বিষয় ঠিকমতো ওঠে আসেনি। এ ছাড়া সনদের অঙ্গীকারনামায় বলা হয়েছে যে পূর্ণাঙ্গভাবে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন করতে হবে। কথা হচ্ছে, নোট অব ডিসেন্টসহ তো পূর্ণাঙ্গ সনদ বাস্তবায়ন করতে পারি না।’
ডা. মুশতাক হোসেন আরও বলেন, ‘কমিশন বলছে জুলাই সনদ নিয়ে আদালতে যাওয়া যাবে না। কিন্তু যে দল যেই বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তারা তো অবশ্যই আদালতে যেতে পারে। এটা তো তাদের অধিকার।’
জুলাই সনদকে কখনোই সংবিধানের উপরে স্থান দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, জুলাই সনদ কার্যকরে গণভোট হতে পারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে। কম্প্রোমাইজ হিসেবে সেটা নির্বাচনের দিন হতে পারে। তবে জুলাই সনদ কার্যকরে গণভোট হবে ‘জনমত যাচাই’ এটা আইনগত কোন ভিত্তি হতে পারে না। আইনগত ভিত্তি কেবল দিতে পারে সংসদ। নির্বাচনের পর যারা জাতীয় সংসদে যাবে তারাই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিবে।
সকল দল যদি ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামীকাল জুলাই সনদে সই না করে তাহলে সেটা কেবল বিভক্তিই বাড়াবে বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে ঐকমত্য কমিশন যদি রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াই জুলাই সনদ নিয়ে অগ্রসর হয় তাহলে ঐকমত্য কমিশনই অনৈক্যের প্রতীক হয়ে ওঠবে বলে জানান বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।
রুহিন হোসেন প্রিন্স স্ট্রিমকে বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশন যে ৮৪টা পয়েন্ট নিয়ে এসেছে তার মধ্যে সংবিধানের চার মূলনীতি পরিবর্তন নিয়ে আমাদের ঘোরতর আপত্তি। এই আপত্তি যে আমরা শুধু গতকাল তুলেছি সেটা না বরং ঐকমত্য কমিশন যখন থেকে কাজ শুরু করে তখন থেকেই আমরা এই আপত্তি তুলেছিলাম। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। নারী আসন নিয়েও আমাদের ভিন্ন আলাপ ছিল। সংবিধানের অনুচ্ছেদে আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের কথা ছিল, নতুন সনদে সেটিকেও তারা বাতিল করেছে অথচ একই সনদে ২৪ এ আন্দোলনকে তারা সুপারিশ করেছে; এগুলো তো মানা যায় না।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স আরও বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের ব্যাপারটা এমন হয়েছে যে তারা ৪৭ আর ২৪-কে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে বাতিল করতে চায়। এভাবে তারা সনদের নামে যেটা করলেন তার সাথে আমাদের থাকা আসলে সম্ভব না। আর এতসব কিছুর পরিপ্রেক্ষিতেই আগামীকাল আমরা ঐকমত্য কমিশনের ডাকে যাচ্ছি না।’

বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
২৭ মিনিট আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৪০ মিনিট আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি প্রচারে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এনেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এসবকে নির্বাচনের আগে কেন্দ্র দখল ও ভোটারকে ভয় দেখানোর প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে