পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে ফেলে দুই বাঙালি চিকিৎসক মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় আসেন শরণার্থী শিবিরে১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল। লন্ডনের বিখ্যাত হাইড পার্কে ঘটে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। পাকিস্তানি বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে বিলাতের নিশ্চিত ও নিরাপদ জীবনের হাতছানি উপেক্ষা করে দুই বাঙালি তরুণ চিকিৎসক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ডা. এম এ মবিন নিজেদের পাকিস্তানি পাসপোর্ট ছিড়ে আগুনে পুড়িয়ে দেন।
একাত্তরের স্বপ্ন রাষ্ট্র পূরণ করতে পারেনি: উপদেষ্টা রিজওয়ানামুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার যে স্বপ্ন ছিল, তা স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও পূরণ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধামহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার অদূরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মুক্তিযুদ্ধ: ইনসারজেন্সি অপারেশন নাকি কনভেনশনাল যুদ্ধআমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধ কি কনভেনশনাল যুদ্ধ নাকি ইনসারজেন্সি অপারেশন? অনেকেরই এই বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার নয়। তবে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে হলে শুরুতেই জানতে হবে ইনসারজেন্সি এবং কাউন্টার ইনসারজেন্সি অপারেশন কী?
মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা: দোদুল্যমান সরকার কিন্তু অটল জনসমর্থন১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব রাজনীতির পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা ছিল স্পষ্ট ও বিভাজিত। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল, অন্যদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের পাশে।
স্টেনগান টু জায়নামাজ: একাত্তরে যুদ্ধ করেছিলেন সুফি সাধক, পীর-মাশায়েখ ও দরবেশেরা‘আজান হয়েছে, আমাকে দুই রাকাত ফজরের নামাজ পড়তে দাও।’ একাত্তরের রমজান মাসে পাকিস্তানিদের কাছে শেষবারের মতো মিনতি করেছিলেন পীর বেলায়েত হোসেন। কিন্তু পাকিস্তানিরা তাঁকে সেই সুযোগ দেয়নি। ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় তাঁর দেহ। সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও ১০ সদস্যের।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কেন ইতিহাসের ভুল দিকে ছিল মধ্যপ্রাচ্যবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইতিহাসের ভুল দিকে অবস্থান নিয়েছিল। ধর্মীয় সংহতি, রাজনৈতিক স্বার্থ ও পরাশক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে তারা ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
একাত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা: কৌশলগত স্বার্থের কাছে হেরেছিল মানবতা১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল সুপরিকল্পিত কৌশলগত স্বার্থরক্ষার এক নির্মম উদাহরণ। সে সময় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চেয়ে স্নায়ুযুদ্ধের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ বড় হয়ে দেখা দিয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুনমুক্তিযুদ্ধের সময়ে আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুন কেমন ছিলেন? কীভাবে বন্দী ছিলেন? সে সকল নির্যাতনের ইতিহাস বর্ণনা করেছেন স্ট্রিম টকের এই পর্বে।
পাকিস্তানি জেনারেলদের স্ববিরোধিতার দলিলে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নকশা১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাঁচ দশকে জল কম ঘোলা করা হয়নি। কখনো ভারতীয় ষড়যন্ত্র, কখনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মূল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই হত্যাকাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা ছিল, তা প্রমাণের জন্য আমাদের ভারতীয় বা বাংলাদেশি নথির প্রয়োজন নেই।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিজয় বইমেলায় পাঠকের ঢলশহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে ভিড় জমিয়েছেন বইপ্রেমীরা। চলমান বিজয় বইমেলার পঞ্চম দিন ছিল অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে আলাদা। ছুটির দিন ও বিশেষ দিবস হওয়ায় শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মেলা প্রাঙ্গণ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
ফটো নিউজ•শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগে এ দেশীয় রাজাকারদের সহায়তায় শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসকসহ দেশের বহু কৃতী সন্তানকে হত্যা করা হয়। পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হাজারো মানুষকে হত্যা করে।
ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি: মির্জা ফখরুলবিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। একাত্তরের মতো তারা আবারও ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ঠক ঠক ঠক... স্যার, একটু বাইরে আসবেনঠক ঠক, ঠক ঠক, স্যার একটু বাইরে আসবেন? এই কথাটা কানে এলেই আমাদের মনে পরে ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়। এই দিনই আল-বদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নামের লিস্ট করে হত্যা করেছিল কারণ তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা কারা করেছিলেন, পাকিস্তানি জেনারেলদের বই ঘেঁটে যা জানা গেলঅপরাধবিজ্ঞানে একটি তত্ত্ব আছে—‘মিউচুয়াল রিক্রিমিনেশন’ বা পারস্পরিক দোষারোপ। যখন কোনো অপরাধী চক্রের সদস্যরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে শুরু করে, তখন তাদের জবানবন্দি থেকেই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। একাত্তরে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি জেনারেলরা ঠিক এই কাজটিই করেছেন।
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর কাদের হারিয়েছে বাংলাদেশ‘ঠক ঠক, ঠক ঠক! স্যার একটু বাইরে আসবেন?’—এই কথাটি কানে এলেই আমাদের মনে পড়ে একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বরের কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি দুঃখজনক অধ্যায়। এই দিনেই আলবদর বাহিনী বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে হত্যা করেছিল। কারণ, তারা চেয়েছিল বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দিতে।
বুদ্ধিজীবী কারা, একাত্তরে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁদেরমুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের ঠিক আগমুহূর্তে যখন পুরো জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে এক ভয়াল অন্ধকার। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা মিলে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছিল এদেশের সূর্যসন্তানদের।