
প্রাবন্ধিক; শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়

কাজী নজরুল ইসলামকে বোঝার জন্য তাঁর সাহিত্যকে শুধু পাঠ্যবইয়ের অলংকার হিসেবে পড়লে চলে না। তাঁকে বুঝতে হলে শুনতে হয় বাংলার শ্রমজীবী মানুষের দীর্ঘশ্বাস, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তরুণদের অস্থিরতা, ধর্মীয় বিভাজনে ক্লান্ত মানুষের আর্তি, অবহেলিত নারীর আর্তনাদ। নজরুল সেইসব কণ্ঠকে ভাষা দিয়েছিলেন। তাঁর কলমে বিদ

সীমা কেরমানির কথা মনে আছে আপনাদের? অনেকেই নাম না জানলেও চেনেন তাঁকে। কোক স্টুডিও পাকিস্তানের তুমুল জনপ্রিয় গান ‘পাসুরি’-তে তিনি ধ্রুপদী নৃত্য পরিবেশন করেছিলেন। কী অনবদ্য পরিবশনা! তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ের দিকে গেলে আমরা দেখতে পাই, ১৯৫১ সালে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্ম নেওয়া সীমা কেরমানি পেশা হিসেবে

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে শাসকগোষ্ঠী ভাষার মাধ্যমে কীভাবে কর্তৃত্ব কায়েম করতে চায় এবং শোষিত জনগোষ্ঠী কীভাবে ভাষাকেই প্রতিরোধের হাতিয়ার করে তোলে। এই প্রেক্ষাপটে উপনিবেশের ভাষা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে সামনে আসে।

১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা তরুণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়ে ওঠে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’। সংগঠনের মূল স্লোগান ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।’ ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর বার্ষিক মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় 'শিখা' পত্রিকা।

আজ ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস। নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৫তম জন্ম ও ৯৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। আজ রোকেয়া বেঁচে থাকলে কী করতেন বা বলতেন?