স্ট্রিম প্রতিবেদক

বস্ত্রখাতে নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার। এর অর্থ, যেসব তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুতা ব্যবহার করবেন, তারাই বাড়তি এই নগদ সহায়তা পাবেন।
রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে দেশি সুতা বা কাপড় ব্যবহারে শুল্ক বন্ড ও ‘ডিউটি ড্র-ব্যাকের’ পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হল।
গত ৫ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে জানায়, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আগের আর্থিক বছরের মতোই রপ্তানিমুখী দেশি বস্ত্র ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। দু্ই সপ্তাহের মাথায় সেই নির্দেশনা পরিবর্তন করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, বর্ধিত ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা পেতে হলে রপ্তানিকারককে (বিজিএমইএ বা বিকেএমইএ বা অন্যান্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য) প্রণোদনা গ্রহণের পূর্বে দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল (সুতা/কাপড়) সংগ্রহের প্রমাণক দাখিল করতে হবে। বর্ধিত এই সুবিধা গত ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় গত ২ জুলাই বিকল্প নগদ সহায়তার হার দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি নির্দেশনা পাঠায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গত ২৩ ডিসেম্বরের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় বলা হয়, রপ্তানিকারকদের প্রণোদনা নেওয়ার আগে দেশি উৎস থেকে সুতা বা কাপড় সংগ্রহের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। সুবিধাটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমইএ–এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেদিন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
এ সময় তারা দেশি সুতা ব্যবহার উৎসাহিত করতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ সহায়তা দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করাসহ ছয় দাবি জানান।
আড়াই বছর আগে স্থানীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হতো। তবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তা কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়। ছয় মাস পর সেই সহায়তা আরও কমিয়ে দেড় শতাংশ করা হয়।
বর্তমানে দেশে ১ হাজার ৮০০টির বেশি টেক্সটাইল মিল রয়েছে। এর মধ্যে স্পিনিং মিলের সংখ্যা ৫২৭টি। খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আর্থিক সংকটে গত দুই বছরে দুই শতাধিক টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে।

বস্ত্রখাতে নগদ সহায়তা ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করেছে সরকার। এর অর্থ, যেসব তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুতা ব্যবহার করবেন, তারাই বাড়তি এই নগদ সহায়তা পাবেন।
রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে দেশি সুতা বা কাপড় ব্যবহারে শুল্ক বন্ড ও ‘ডিউটি ড্র-ব্যাকের’ পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হল।
গত ৫ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে জানায়, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আগের আর্থিক বছরের মতোই রপ্তানিমুখী দেশি বস্ত্র ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। দু্ই সপ্তাহের মাথায় সেই নির্দেশনা পরিবর্তন করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, বর্ধিত ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা পেতে হলে রপ্তানিকারককে (বিজিএমইএ বা বিকেএমইএ বা অন্যান্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য) প্রণোদনা গ্রহণের পূর্বে দেশীয় উৎস থেকে কাঁচামাল (সুতা/কাপড়) সংগ্রহের প্রমাণক দাখিল করতে হবে। বর্ধিত এই সুবিধা গত ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাহাজিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় গত ২ জুলাই বিকল্প নগদ সহায়তার হার দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি নির্দেশনা পাঠায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গত ২৩ ডিসেম্বরের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় বলা হয়, রপ্তানিকারকদের প্রণোদনা নেওয়ার আগে দেশি উৎস থেকে সুতা বা কাপড় সংগ্রহের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। সুবিধাটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমইএ–এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেদিন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
এ সময় তারা দেশি সুতা ব্যবহার উৎসাহিত করতে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ সহায়তা দেড় শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করাসহ ছয় দাবি জানান।
আড়াই বছর আগে স্থানীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৪ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হতো। তবে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তা কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়। ছয় মাস পর সেই সহায়তা আরও কমিয়ে দেড় শতাংশ করা হয়।
বর্তমানে দেশে ১ হাজার ৮০০টির বেশি টেক্সটাইল মিল রয়েছে। এর মধ্যে স্পিনিং মিলের সংখ্যা ৫২৭টি। খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আর্থিক সংকটে গত দুই বছরে দুই শতাধিক টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে।
.png)

পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের সুযোগ বেসরকারি খাতে দিচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে নীতিমালা করার উদ্যোগ নিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) খসড়া নীতিমালা প্রণয়নে মাত্র চার দিন দেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
টানা বৃষ্টিতে খেত নষ্ট হওয়ায় শাক-সবজির দামে লেগেছিল আগুন। কয়েক দিন আগেও অধিকাংশ সবজির দাম ছিল শতকের আশেপাশে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সেই দাম কিছু কমেছে। তবে ওই সময় মাছ, মাংস ও ডিমের দামে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়, তা কমেনি।
০৭ আগস্ট ২০২৬
দেশের স্বর্ণ খাতকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে ‘স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮ (সংশোধিত) ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে সরকার। আগামী রোববারের মধ্যে প্রস্তাবিত নীতিমালার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের লিখিত মতামত দিতে বলা হয়েছে।
০৬ আগস্ট ২০২৬
‘মাঝে মাঝে চেষ্টা করে দেখা অন্য সব ধরন বাদ দিলে, গণতন্ত্রই হলো সরকারের সবচেয়ে নিকৃষ্ট রূপ।’ ১৯৪৭ সালে উইনস্টন চার্চিল যখন এই বিখ্যাত পরিহাসটি করেছিলেন, তখন তিনি একটি রূঢ় সত্যকেই স্বীকার করে নিয়েছিলেন। সেটি হচ্ছে, গণতন্ত্র ত্রুটিপূর্ণ হলেও এটি এখন পর্যন্ত স্বৈরতান্ত্রিক বিকল্পগুলোর চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ
০৫ আগস্ট ২০২৬